কবি ও কাব্য — বাংলা কবিতার অনলাইন সংগ্রহশালা

১.
গ্রীষ্মের বাতাস তখন কেবল তপ্ত হতে শুরু করেছে, কিন্তু বাতাস নয়—মানুষের হাড়ের ভেতর জমে থাকা এক শতাব্দী প্রাচীন নীরবতা প্রথম ভাঙতে শুরু করল। আমরা যারা প্রতিদিন ট্রাফিকের জ্যামে, বাজারের ফর্দ হাতে আর কেরানির টেবিলের কোণে নিজেদের যৌবনকে সস্তা কয়েনের মতো খরচ করে ফেলছিলাম, আমরাই হঠাৎ আবিষ্কার করলাম—আমাদের মেরুদণ্ডের ভেতর একটা করে প্রাচীন তরবারি লুকানো ছিল।

জলকামান থেকে যখন প্রথম বিষাক্ত নীল জল ছিটকে এলো, তখন মনে হলো ওটা কোনো সাধারণ তরল নয়; ওটা আসলে এক স্বৈরাচারের জমাট বাঁধা অহংকার, যা আমাদের পবিত্র চামড়াকে কলঙ্কিত করতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা জানত না, এই মাটির গভীরে এমন এক শিকড় আছে যা রক্তের স্বাদ পেলে আরও তীব্রভাবে জেগে ওঠে।

২.
তারপর একটি দুপুর এলো। সেই দুপুরটি আর কোনোদিন ঘড়ির কাঁটায় ফিরে আসবে না। উত্তরবঙ্গের এক ধূসর রাজপথে একটা ছেলে দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে গেল। তার কোনো বর্ম ছিল না, কোনো ঢাল ছিল না; শুধু বুকের ভেতর ছিল এক বিশাল আকাশের সমান সাহস। ঝাঁক ঝাঁক বুলেট যখন তার বুক চিরে চলে গেল, তখন মনে হলো একঝাঁক পরিযায়ী পাখি কেবল তার ডানা পাল্টে নক্ষত্রের দিকে উড়ে গেল।

তার পতনের শব্দে এই উপত্যকার প্রতিটি পাথর কেঁদে ওঠেনি, বরং প্রতিটি পাথর একেকটি কামাখ্যা হয়ে উঠল। মায়েরা তাদের রান্নাঘরের উনুন নিভিয়ে দিয়ে জানালার গ্রিল ধরে তাকাল আকাশের দিকে। সেই আকাশে তখন মেঘ ছিল না, ছিল কেবল হাজারো যুবকের চোখের মণি থেকে ছিটকে পড়া স্ফুলিঙ্গ।

"ওরা ভেবেছিল লোহার বুট দিয়ে পিষে দেবে যে ঘাস,
সেই ঘাসই আজ উপড়ে ফেলেছে তাদের প্রাসাদের ভিত্তিপ্রস্তর।"

৩.
শহরের দেয়ালে দেয়ালে তখন নতুন এক ভাষার জন্ম হচ্ছে। যুবকেরা চুন আর রঙের কৌটো নিয়ে মেতে উঠেছে এক মহাজাগতিক উৎসবে। যে দেয়ালে লেখা ছিল লাঞ্ছনার ইতিহাস, সেখানে তারা ফুটিয়ে তুলল মুক্তির জ্যামিতি। কোনো নোবেলজয়ী কবি যা কখনো ভাবেননি, এই দেশের সাধারণ ঘরের ছেলেরা সেই কবিতার লাইনগুলো স্প্রে পেইন্ট দিয়ে লিখে দিল পিচঢালা রাস্তার বুকে—"বিকল্প কে? বিকল্প এই জনতা।"

একটি ছেলে তৃষ্ণার্ত গলার আকুতি নিয়ে ধাবমান বুলেটের সামনে পানির বোতল বাড়িয়ে দিয়েছিল। সে হয়তো জানত না, তার সেই শেষ তৃষ্ণা এই গোটা জাতির শতাব্দীর তৃষ্ণাকে এক নিমেষে মিটিয়ে দেবে। তার নিথর দেহটা যখন ধুলোয় লুটিয়ে পড়ল, তখন বাতাস থমকে গিয়েছিল, মেঘেরা পথ হারিয়েছিল, আর দূর সমুদ্রের ঢেউয়েরা এসে এই পললভূমির পায়ে চুমু খেয়েছিল।

৪.
এখন মধ্যরাত। কারফিউর খাঁচা ভেঙে, সাঁজোয়া যানের লোহাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এক বিশাল সমুদ্র হেঁটে আসছে শহরের কেন্দ্রস্থলের দিকে। এই সমুদ্রের কোনো জোয়ার-ভাটা নেই, এর নাম—জনতা। স্বৈরাচারী শাসক যখন তার হেলিকপ্টারে চড়ে মেঘের আড়ালে পালিয়ে যাচ্ছে, তখন এই দেশের মাটির কণাগুলো একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ফিসফিস করে বলছিল: 'আমরা মুক্ত। আমরা আবারও আমাদের নিজস্ব নিঃশ্বাসের মালিক।'

জুলাইয়ের কংক্রিট ও নক্ষত্রের ইশতেহার

পানি লাগবে পানি

মাটির খাঁচায় অচিন পাখি কদিন বা আর রবে?
মিথ্যে মায়ায় কাঁদছ বসে, কারে আপন ভেবে?
আজকে তুমি হাসছ বটে, অহংকারের গিরি,
কালকে তোমার ঠিকানা ঐ মাটির বুকেই হবে।

বুকের ভেতর পাথর চেপে হাসো কেন ভাই?
পরের তরে কাঁদলো না যে, তার তো মুক্তি নাই।
পোশাক আশাক যতই দামি, সবি তো বাহানা,
মন না গললে খোদা পাবার রাস্তা কোথায় পাই?

চোখের জলে ধুয়ে নাও এই মনের যত ভুল,
প্রেমানলে পুড়লে তবেই ফুটবে চেনা ফুল।
আকাশ-পাতাল খুঁজছ যারে মক্কা-কাশি-গয়া-
তারে ছুঁতে চাইলে আগে ছাড়ো জাতি-কুল!

হারিয়ে গেলাম নিজেই আমি আমার চেনা গানে,
ক্লান্ত হৃদয় সঁপে দিলাম মনের মানুষ পানে।
বাইরে শুধু দৃষ্টি যাহার, অন্ধ সে চিরকাল,
নিজের মাঝে ডুব দিলেই শান্তি মেলে প্রাণে।

ভাঙা মাটির খেলা

১.
তুমি তোমার স্বৈরাচারী কলমের এক আঁচড়ে
দুই প্রাচীন দেশের সীমান্ত ভেংগে এক করার হুমকি দাও!
তুমি ভাবো, তোমার পেশীর জোরে, তোমার একনায়কতান্ত্রিক হুকুমে
মানচিত্রের কাঁটাতারগুলোকে উপড়ে একাকার করে দেবে?
কিন্তু শুনে রাখো শাসক, যে মাটির গভীরে মিশে আছে শহীদের রক্ত,
যে বাতাস প্রতিদিন বুক ভরে নেয় মুক্ত মানুষের নিশ্বাস—
তাকে তুমি কোনো মান্ধাতার আমলের শৃঙ্খলে বাঁধতে পারো না।
আমরা স্বাধীন ছিলাম, আমরা স্বাধীনই আছি এবং স্বাধীনই থাকব।

২.
তোমার চোখে পৃথিবী দেখার কোনো দাসখত আমরা দিইনি;
আমাদের নিজস্ব একটা আকাশ আছে, নিজস্ব একটা স্লোগান আছে।
তুমি যদি দেওয়াল তোলো, আমরা সেই দেওয়ালে লিখব প্রতিরোধের মহাকাব্য।
আমরা আজ সমস্বরে চাই—**ইনকিলাব**!
আমাদের শিরায় শিরায় আজ একটাই তীব্র চিৎকার—**আজাদ**!
কোনো বুট জুতো, কোনো বোমার গর্জন এই কন্ঠকে স্তব্ধ করতে পারবে না,
কারণ শৃঙ্খল ভাঙার এই আদিম স্পৃহা আমাদের মজ্জাগত।

৩.
আমরা কোনো অতীত বা ভবিষ্যতের কাল্পনিক প্রজা নই,
আমরা এই বর্তমানের এক স্বাধীন, সার্বভৌম দেশ!
তোমার দুই দেশ এক করার ভূরাজনৈতিক অহংকার বা হুমকি—
আমাদের এই রক্তে কেনা পতাকার নিচে এসে থমকে দাঁড়াতে বাধ্য।
তুমি তোমার স্বপ্ন নিয়ে তোমার রাজপ্রাসাদেই বন্দি থাকো,
আমাদের রাজপথ আজ মুক্ত, আমাদের বিপ্লব আজ জাগ্রত।
আমরা স্বাধীন, আমরা মুক্ত—আর এটাই এই বর্তমানের পরম সত্য।

মানচিত্রের কাটা দাগ

বাছাইকৃত কবিতা

জুলাইয়ের কংক্রিট ও নক্ষত্রের ইশতেহার

- মো: আবু তালেব

১.
গ্রীষ্মের বাতাস তখন কেবল তপ্ত হতে শুরু করেছে, কিন্তু বাতাস নয়—মানুষের হাড়ের ভেতর জমে থাকা এক শতাব্দী প্রাচীন নীরবতা প্রথম ভাঙতে শুরু করল। আমরা যারা প্রতিদিন ট্রাফিকের জ্যামে, বাজারের ফর্দ হাতে আর কেরানির টেবিলের কোণে নিজেদের যৌবনকে সস্তা কয়েনের মতো খরচ করে ফেলছিলাম, আমরাই হঠাৎ আবিষ্কার করলাম—আমাদের মেরুদণ্ডের ভেতর একটা করে প্রাচীন তরবারি লুকানো ছিল।

জলকামান থেকে যখন প্রথম বিষাক্ত নীল জল ছিটকে এলো, তখন মনে হলো ওটা কোনো সাধারণ তরল নয়; ওটা আসলে এক স্বৈরাচারের জমাট বাঁধা অহংকার, যা আমাদের পবিত্র চামড়াকে কলঙ্কিত করতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা জানত না, এই মাটির গভীরে এমন এক শিকড় আছে যা রক্তের স্বাদ পেলে আরও তীব্রভাবে জেগে ওঠে।

২.
তারপর একটি দুপুর এলো। সেই দুপুরটি আর কোনোদিন ঘড়ির কাঁটায় ফিরে আসবে না। উত্তরবঙ্গের এক ধূসর রাজপথে একটা ছেলে দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে গেল। তার কোনো বর্ম ছিল না, কোনো ঢাল ছিল না; শুধু বুকের ভেতর ছিল এক বিশাল আকাশের সমান সাহস। ঝাঁক ঝাঁক বুলেট যখন তার বুক চিরে চলে গেল, তখন মনে হলো একঝাঁক পরিযায়ী পাখি কেবল তার ডানা পাল্টে নক্ষত্রের দিকে উড়ে গেল।

তার পতনের শব্দে এই উপত্যকার প্রতিটি পাথর কেঁদে ওঠেনি, বরং প্রতিটি পাথর একেকটি কামাখ্যা হয়ে উঠল। মায়েরা তাদের রান্নাঘরের উনুন নিভিয়ে দিয়ে জানালার গ্রিল ধরে তাকাল আকাশের দিকে। সেই আকাশে তখন মেঘ ছিল না, ছিল কেবল হাজারো যুবকের চোখের মণি থেকে ছিটকে পড়া স্ফুলিঙ্গ।

"ওরা ভেবেছিল লোহার বুট দিয়ে পিষে দেবে যে ঘাস,
সেই ঘাসই আজ উপড়ে ফেলেছে তাদের প্রাসাদের ভিত্তিপ্রস্তর।"

৩.
শহরের দেয়ালে দেয়ালে তখন নতুন এক ভাষার জন্ম হচ্ছে। যুবকেরা চুন আর রঙের কৌটো নিয়ে মেতে উঠেছে এক মহাজাগতিক উৎসবে। যে দেয়ালে লেখা ছিল লাঞ্ছনার ইতিহাস, সেখানে তারা ফুটিয়ে তুলল মুক্তির জ্যামিতি। কোনো নোবেলজয়ী কবি যা কখনো ভাবেননি, এই দেশের সাধারণ ঘরের ছেলেরা সেই কবিতার লাইনগুলো স্প্রে পেইন্ট দিয়ে লিখে দিল পিচঢালা রাস্তার বুকে—"বিকল্প কে? বিকল্প এই জনতা।"

একটি ছেলে তৃষ্ণার্ত গলার আকুতি নিয়ে ধাবমান বুলেটের সামনে পানির বোতল বাড়িয়ে দিয়েছিল। সে হয়তো জানত না, তার সেই শেষ তৃষ্ণা এই গোটা জাতির শতাব্দীর তৃষ্ণাকে এক নিমেষে মিটিয়ে দেবে। তার নিথর দেহটা যখন ধুলোয় লুটিয়ে পড়ল, তখন বাতাস থমকে গিয়েছিল, মেঘেরা পথ হারিয়েছিল, আর দূর সমুদ্রের ঢেউয়েরা এসে এই পললভূমির পায়ে চুমু খেয়েছিল।

৪.
এখন মধ্যরাত। কারফিউর খাঁচা ভেঙে, সাঁজোয়া যানের লোহাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এক বিশাল সমুদ্র হেঁটে আসছে শহরের কেন্দ্রস্থলের দিকে। এই সমুদ্রের কোনো জোয়ার-ভাটা নেই, এর নাম—জনতা। স্বৈরাচারী শাসক যখন তার হেলিকপ্টারে চড়ে মেঘের আড়ালে পালিয়ে যাচ্ছে, তখন এই দেশের মাটির কণাগুলো একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ফিসফিস করে বলছিল: 'আমরা মুক্ত। আমরা আবারও আমাদের নিজস্ব নিঃশ্বাসের মালিক।'
বিস্তারিত...

পানি লাগবে পানি

- ফেরদৌস রায়হান

যে জাতি অন্যায় রুখতে অটুট
মুক্ত ভাবে সরল প্রতিবাদের আত্মপ্রকাশ
পানি লাগবে? পানি।
এখন নির্ঘাত সর্বনাশের বৃত্তের অন্তরালে যার বসবাস

বিদ্রোহের শিরে যার ন্যাযের মুকুট
বিধবস্ত চৌচির ভূ-স্বর্গ
রুখে দাঁড়াবার মতো কেউ নেই
জেগে উঠেছে গুমন্ত তিতুমীর মুক্তির রণাঙ্গনে
পানি লাগবে ভাই? পানি ।

জুলুমের দাবদাহে জলে -পুড়া নিপীড়িত জাতী
গর্জে উঠেছে স্বৈরাচারের ত্রাস হয়ে রাজ পথে
শহীদি মিছিলে স্লোগানে স্লোগানে
শপথে খালিদের সমশীর
রক্তে আগুন জ্বলে দুরন্ত জঙ্গীর
তাই রক্তে রঞ্জিত রাজপথে পানি নিয়ে মুগ্ধ করে
আহাজারি
পানি লাগবে? পানি
বিস্তারিত...

সাম্প্রতিক সংযোজন

শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে
রাধা-কৃষ্ণ মোঃ আবু তালেব 4505
চোখের নেশার ভালবাসা মোঃ আবু তালেব 1599
পল্লী স্মৃতি সুফিয়া কামাল 1574
চোখের কাজল মোঃ আবু তালেব 1497
তবে কেন আমি অপরাধী মোঃ আবু তালেব 1497
তোকে নিয়ে… এলোমেলো হাবীব কাশফি 1425
মানুষ মোঃ আবু তালেব 1396
নবী দ্বীনের রাসুল মোঃ আবু তালেব 1382
রমণী মোঃ আবু তালেব 1361
পার্থক্য মোঃ আবু তালেব 1326
চাঁদবদনী মোঃ আবু তালেব 1323
জন্মান্তর মোঃ আবু তালেব 1318
ঘুঙুরটা আজ বাজুক জোরে মোঃ আবু তালেব 1290
করিব আজ রঙ্গ লীলা মোঃ আবু তালেব 1288
জরুরী বিষয় মোঃ আবু তালেব 1287
অবিলাষ মোঃ আবু তালেব 1283
তোমাকে ভালোবেসে জীবনানন্দ দাশ 1281
রাধা প্রেমের প্রেমিক মোঃ আবু তালেব 1258
 সুপ্ত-প্রিয়া মোঃ আবু তালেব 1254
শ্যাম তোমারে ভালবেসে মোঃ আবু তালেব 1250
শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে
জুলাইয়ের কংক্রিট ও নক্ষত্রের ইশতেহার মো: আবু তালেব 22
ভাঙা মাটির খেলা মো: আবু তালেব 84
মানচিত্রের কাটা দাগ মো: আবু তালেব 97
মহাজাগতিক ইশতেহার ও এক নশ্বরের চিৎকার মো: আবু তালেব 114
মৃণ্ময়ী মোঃ আবু তালেব 213
ইশকের তুফান মোঃ আবু তালেব 256
আদিকথা মো: আবু তালেব 145
রূহের তৃষা মো: আবু তালেব 231
মায়ার নদী মো: আবু তালেব 246
মায়ার বাঁধন মো: আবু তালেব 251
অগ্নিজল ও ছায়ার কারুকাজ মো: আবু তালেব 201
বিবেকের অবশ প্রহর মো: আবু তালেব 318
লোহিতের নীল বিষ মো: আবু তালেব 373
মুকুরে তোমার রূপ মো: আবু তালেব 402
বাউন্ডেলে জীবন মো: আবু তালেব 387
শহর সন্ধ্যার বিপ্রতীপ মোঃ আবু তালেব 519
মেট্রোরঙ মোঃ আবু তালেব 651
সময় ও অনুতাপ (সনেট) মোঃ আবু তালেব 886
পঁচিশ বছর পর মোঃ আবু তালেব 748
কঠোর পথের যাত্রী মোঃ আবু তালেব 754
শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে
পানি লাগবে পানি ফেরদৌস রায়হান 25
মোরা বাংলাদেশী আজহারুল ইসলাম তালহা 88
কিংবদন্তির বাহন আজাহার রাজা 77
নিজের শত্রু নিজেই আজহারুল ইসলাম তালহা 72
ভালো মানুষ ইবনে আলী 147
দুনিয়া তো ক্ষণিকের ইবনে আলী 89
শিকল ইবনে আলী 149
পৃথিবীতে কেবল ক্ষুধাই সত্য আজাহার রাজা 147
নতুন দিনের পৃথিবী যে তোমার অপেক্ষায় ক্ষুদ্রলেখক মোঃ রাকিবুল হাসান 163
জাগরণের ডাক শাহ্ আলম আল মুজাহিদ 169
বসন্ত জয়দীপ রায় 168
বসন্ত হবো মানব মন্ডল 108
তাহাদের প্রতি শাহ্ আলম আল মুজাহিদ 245
জীবন ও বৃক্ষ শাহ্ আলম আল মুজাহিদ 221
মানবতা বনাম স্বার্থপরতা: এক যুদ্ধাহত পৃথিবীর আর্তনাদ! শাহ্ আলম আল মুজাহিদ 228
সোনার দেশ শাহ্ আলম আল মুজাহিদ 254
মুসলিম সংখ্যালঘু শাহ্ আলম আল মুজাহিদ 205
বাদলের দিন শাহ্ আলম আল মুজাহিদ 261
তুমি হীনা জান্নাত চাইনা কবি মোঃ নিজাম গাজী 250
প্রশ্নমালার কাঠগড়ায় আজাহার রাজা 227
শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে