কবি ও কাব্য — বাংলা কবিতার অনলাইন সংগ্রহশালা

দূরত্ব মাপতে গিয়ে মানুষ সমুদ্রের গভীরতা মাপে,
মাপে উড়োজাহাজের ডানার ক্লান্তি।
অথচ মানুষ সবচেয়ে বড় পরবাসী হয়ে যায় নিজেরই স্মৃতির ভেতর—
যেখানে বর্তমানের কোনো অধিকার নেই,
যেখানে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটা আসলে
আজকের এই পৃথিবীতেই বাস করে না।

হাতঘড়িতে এখন বাজে স্থানীয় সময়,
কিন্তু বুকের ভেতরে যে ঘড়িটা নিঃশব্দে টিকটিক করছে—
সেখানে এখনও সেই বৃষ্টিভেজা গোধূলি,
যেখানে চায়ের কাপে চিনি বেশি দেওয়ার অভিযোগ ছিল,
যেখানে একটা রিকশার হুড ফেলে দিয়ে
ভিজে যাওয়ার বোকামিটুকু ছিল সবচেয়ে বড় আশ্রয়।

স্মৃতি কোনো ছবি নয় যা দেওয়ালে টাঙিয়ে রাখা যায়;
স্মৃতি হলো এক নিষ্ঠুর নির্বাসনকেন্দ্র।
সেখানে বর্তমানের সব বাস্তবতা—
অফিসের ফাইল, বাড়িভাড়ার রসিদ, চেনা শহরের ট্রাফিক—
সব ঝাপসা হয়ে যায় এক লহমায়।
মানুষ শুধু দেখতে পায় সেই দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা মুখটি,
যা বহু বছর আগে চিরতরে বন্ধ হয়ে গেছে।

আমরা নতুন শহর গড়ি, নতুন সম্পর্কে নাম লেখাই,
ভাবি—এবার হয়তো সব শূন্যতা ভরাট হয়ে যাবে।
কিন্তু মাঝরাতে যখন নিজের নিঃশ্বাসের শব্দ স্পষ্ট শোনা যায়,
তখন টের পাওয়া যায়—
দেহটা কেবল হেঁটে বেড়াচ্ছে এই নতুন মাটির ওপর,
আর আসল মানুষটি বন্দি হয়ে আছে
দশ বছর আগের এক বিকেলবেলার ছায়ায়।

স্মৃতির এই পরবাস থেকে কোনোদিন দেশে ফেরা যায় না।
কারণ যে দেশে মানুষ ফিরতে চায়,
সেই দেশ, সেই মানুষ, আর সেই সময়টা—
পৃথিবীর কোনো মানচিত্রেই আর অবশিষ্ট নেই।

স্মৃতির প্রবাস

দিনের আলোর সামনে মানুষ বড় হিসেবি অভিনেতা।
সে নিখুঁতভাবে টাই বাঁধে, বাসের ভিড়ে লড়াই করে,
সহকর্মীর কৌতুক শুনে সশব্দে হাসে,
আর প্রমাণ করতে চায়—সে কত দৃঢ়, কত অপ্রতিরোধ্য।
পৃথিবী তাকে সফল ভাবে, সাহসী ভাবে, সংসারী ভাবে।

কিন্তু দিন ফুরিয়ে যখন রাত নামে,
দরজার ছিটকিনিটা আটকে যাওয়ার পর
মানুষের সেই দীর্ঘ লড়াইয়ের সমস্ত প্রতিরক্ষা চূর্ণ হয়ে যায়।
অন্ধকারে কোনো দর্শক থাকে না।
সেখানে একা একলা মানুষটি
নিজের মুখোমুখি এসে দাঁড়ায়—সম্পূর্ণ নিরস্ত্র, রক্তাক্ত।

যে জল চোখ বেয়ে গড়ায়,
তার জন্য কোনো টিস্যু পেপার খরচ হয় না।
সে নিঃশব্দে শুষে নেয় তোশক আর তুলোর একটা নিস্তব্ধ বালিশ।
কোনো শব্দ হয় না, কোনো আর্তনাদ বাইরে যায় না;
শুধু বুকের গভীরে জমে থাকা বছরের পর বছর না-বলা অপমান,
অসহায় আপস আর একা বেঁচে থাকার ক্লান্তি
নোনা স্বাদ হয়ে কাপড়ের ভাঁজে জমাট বাঁধে।

বালিশ হলো মানুষের জীবনের সবচেয়ে বিশ্বস্ত গোপন সাক্ষী।
সে কোনোদিন কাউকে বলে দেয় না—
দিনের বেলার সেই সিংহপুরুষটি
রাতের অন্ধকারে কতটা অসহায় শিশুর মতো কাঁপছিল।
সে নীরবে ভিজে ওঠে,
আর মানুষের বুকের ভেতরের আগুনটাকে
ধীরে ধীরে ঠান্ডা করে দেয়।

ভোরের আলো ফুটলে বালিশের সেই আর্দ্রতা শুকিয়ে যায়।
দাগ মুছে যায় বাতাসের পরশে।
মানুষটি আবার উঠে দাঁড়ায়, চোখে মুখে জলের ঝাপটা দেয়,
আর আয়নায় তাকিয়ে ঠোঁটের কোণে ঝুলিয়ে নেয়
সেই চিরচেনা কৃত্রিম হাসি।

কেউ কোনোদিন জানতে পারে না—
আজকের এই সুস্থ, স্বাভাবিক মানুষটাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য
গত রাতে
একটি বালিশের ভেতর কতটা মৃত্যুর মতো অন্ধকারকে ডুবিয়ে দিতে হয়েছিল।

বালিশ ভেজা রাত

পরবাস কোনো ভৌগোলিক দূরত্ব নয়।
পরবাস হলো এমন এক মানসিক নির্বাসন—
যেখানে মানুষ সব পেয়েও
নিজের আসল ঠিকানাটা চিরতরে হারিয়ে ফেলে।

এই শহরের রাজপথগুলো মসৃণ, কাচের দেয়ালগুলো চকচকে,
ট্রেনগুলো এক সেকেন্ডও দেরি করে না।
আইন আছে, শৃঙ্খলা আছে, অধিকারের দীর্ঘ তালিকা আছে।
তবু এই সুবিশাল ব্যবস্থার ভেতর হেঁটে যাওয়ার সময়
মনে হয়—আমি কোনো মানুষ নই,
আমি কেবল এই ভিড়ের ভেতর দিয়ে হেঁটে যাওয়া একটি অস্তিত্বহীন ছায়া।

এখানে ভাষা আছে, কিন্তু সে ভাষায় মনের কথা বলা যায় না।
প্রতিটি শব্দ মেপে উচ্চারণ করতে হয়,
ভদ্রতার নিখুঁত হাসি হাসতে হয় নিয়ম করে।
অথচ যে ভাষায় রাগ করা যেত,
যে ভাষায় নিজের ভেতরের সমস্ত হাহাকার এক নিমিষে উগরে দেওয়া যেত—
সেই মাতৃভাষাটি বুকের ভেতর বোবা হয়ে বসে থাকে।

সবচেয়ে অদ্ভুত রোগটির নাম—গৃহকাতরতা।
বিদেশে থাকলে মনে হয়, কবে দেশে ফিরব;
আর বহু বছর পর যখন সত্যিই দেশে ফেরা হয়,
তখন দেখা যায়—নিজের চেনা ঘরটাও কেমন বদলে গেছে।
বন্ধুগুলো অন্যরকম চোখে তাকায়,
স্বজনরা হিসেব কষে প্রবাসীর ব্যাগে কী আছে।
মানুষ তখন বুঝতে পারে—
সে বিদেশের মাটিতেও পরবাসী ছিল,
আর নিজের দেশে ফিরেও সে আজ এক অচেনা অতিথি।

এই হলো পরবাসের আসল অভিশাপ।
সে মানুষকে কোনো একক মাটির হতে দেয় না।
সে তাকে ঝুলিয়ে রাখে দুই জগতের ঠিক মাঝখানে—
যেখান থেকে পেছনের ঘরে আর পুরোপুরি ফেরা যায় না,
আর সামনের ঘরটা কোনোদিন নিজের বলে চেনা যায় না।

পরবাস

চাকা ঘুরলে পথ কমে,
দূরত্ব ছোট হয়ে আসে—বিজ্ঞানের বইয়ে এই নিয়ম লেখা আছে।
কিন্তু এই শহরের যে অদৃশ্য চাকাটি প্রতিদিন ঘোরে,
তা মানুষকে কোথাও পৌঁছে দেয় না;
বরং প্রতি মুহূর্তে তাকে এক অনন্ত শূন্যতার ভেতরে ছুড়ে দেয়।

ভোরের অ্যালার্ম বাজার সাথে সাথে
মানুষ লাফিয়ে ওঠে বিছানা থেকে।
চোখে কোনো স্বপ্ন থাকে না, থাকে কেবল একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের তাড়া।
বাড়িভাড়া, চালের দাম, স্কুলের বেতন, প্রেসক্রিপশনের ওষুধ—
প্রতিটি দিনের গায়ে যেন এক-একটি মূল্যতালিকা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মানুষের নিঃশ্বাস নেওয়ার অধিকারটুকুও
আজকাল ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্সের ওপর নির্ভর করে।

আমরা বলি—টাকা দিয়ে সব কেনা যায় না।
কী অদ্ভুত আত্মপ্রবঞ্চনা!
যে লোকটির পকেটে শেষ বাসের ভাড়া নেই,
যে মা হাসপাতালের বিল দিতে না পেরে সন্তানের মুখের দিকে তাকাতে পারে না—
তাদের সামনে এই বড় বড় দর্শনের কোনো অর্থ থাকে না।
টাকা শুধু কাগজের টুকরো নয়;
টাকা হলো এই নিষ্ঠুর সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর একমাত্র অনুমতিপত্র।

এই চাকাটির কোনো বিরতি নেই।
যে একবার এর ঘূর্ণিতে পা দিয়েছে, সে আর নামতে পারে না।
অসুস্থ শরীরেও ওভারটাইমের টেবিলে বসে থাকা যুবকটি জানে—
একটু থামলেই সে ছিটকে পড়ে যাবে রাস্তার নর্দমায়।
এখানে দয়া নেই, ক্ষমা নেই;
এখানে যে ছুটতে পারে না, তাকে এই চাকা পিষে ফেলে এগিয়ে যায়।

সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো—
মানুষ ভাবে সে টাকার পেছনে ছুটছে।
অথচ সত্যটা উল্টো;
টাকাই মানুষকে একটি লাঠির মতো তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে আজীবন।
সব হিসেব মেলাতে মেলাতে
একদিন মানুষটার আয়ু ফুরিয়ে যায়।
ব্যাংকের খাতাটা হয়তো বেঁচে থাকে,
কিন্তু যে মানুষটি সেই সংখ্যাগুলোর জন্য নিজের সমগ্র জীবন বিলিয়ে দিয়েছিল,
তার জন্য মাটিতে কেবল সাড়ে তিন হাত অন্ধকারের বেশি কোনো জায়গা থাকে না।

টাকার চাকা

গাছের শেকড় মাটির নিচে থাকে।
তাকে দেখা যায় না,
কিন্তু ঝড় উঠলে বোঝা যায়—সে কতটা আঁকড়ে ধরেছিল বুক।
মানুষ ভাবে সে স্বাধীন;
সে দেশ ছাড়তে পারে, ভাষা বদলাতে পারে,
বদলে ফেলতে পারে পরনের পোশাক আর চশমার ফ্রেম।
কিন্তু রক্তের ভেতরে যে আদিম মাটির গন্ধ ঘুমিয়ে থাকে,
তাকে কোনো দিন মুছে ফেলা যায় না।

বিদেশের সাজানো সুপারমার্কেটে দাঁড়িয়ে
হঠাৎ যদি কচি লেবুপাতার ঘ্রাণ নাকে লাগে,
মুহূর্তে সমস্ত সাজানো পরিপাটি জীবন চুরমার হয়ে যায়।
চোখের সামনে ভেসে ওঠে—
বর্ষার দিনে ভিজে যাওয়া টিনের চালের অবিরাম ঝমঝম সুর,
উঠোনের কাদায় পিছলে পড়া ভাইবোনের হাসি,
আর গোধূলির আলোয় খড়ের ধোঁয়ায় মিলিয়ে যাওয়া গ্রামের পথ।

এই টান কোনো যুক্তির ধার ধারে না।
যে দেশ তাকে কিছুই দিতে পারেনি—
না নিরাপত্তা, না কাজ, না সম্মানের নিশ্চয়তা;
যে দেশ তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছিল পরদেশের রাস্তায়—
মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে গেলে
মানুষ অবুঝের মতো সেই দেশের জন্যই কাঁদে।

আমরা কত টাকা খরচ করি আরাম কিনতে।
স্প্রিংয়ের নরম তোশক, সেন্ট্রাল হিটিং, নিখুঁত শীতাতপ।
তবু বুকের কোথাও একটা তীব্র খরা থেকে যায়।
মনে হয়—একটিবার যদি খালি পায়ে
সেই ভাঙা ঘাটের সিঁড়িতে বসা যেত,
যদি একটিবার সেই নদীর পলিমাটি মাখা জল দিয়ে ধুয়ে নেওয়া যেত
এই দীর্ঘ নির্বাসনের সমস্ত ক্লান্তি!

শেকড় কখনো চিৎকার করে না।
সে কেবল গোপনে ভেতরের মানুষকে টানতে থাকে পেছনের দিকে।
মানুষ যত দূরে যায়,
টান তত তীব্র হয়।
আমরা উড়াল দিই ডানায় আকাশ মেপে,
ভাবি কত দূর চলে এসেছি;
অথচ শেষ নিঃশ্বাস নেওয়ার আগে প্রতিটি মানুষ
নিজের অজান্তেই
জন্মের সেই প্রথম ধুলোটুকুর জন্যই হাত বাড়িয়ে দেয়।

শেকড়ের টান

বাছাইকৃত কবিতা

সাম্প্রতিক সংযোজন

শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
রাধা-কৃষ্ণ কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 4783
চোখের নেশার ভালবাসা অবিনব মোঃ আবু তালেব 1825
পল্লী স্মৃতি পল্লী সুফিয়া কামাল 1753
চোখের কাজল কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1679
তবে কেন আমি অপরাধী অবিনব মোঃ আবু তালেব 1657
তোকে নিয়ে… এলোমেলো তোকে নিয়ে হাবীব কাশফি 1612
কর্মফল চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1596
নবী দ্বীনের রাসুল অন্তরে ইসলাম মোঃ আবু তালেব 1565
রমণী চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1516
চাঁদবদনী অবিনব মোঃ আবু তালেব 1509
জন্মান্তর অবিনব মোঃ আবু তালেব 1489
পার্থক্য চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1487
তোমাকে ভালোবেসে তোমাকে ভালোবেসে জীবনানন্দ দাশ 1467
জরুরী বিষয় অন্তরে ইসলাম মোঃ আবু তালেব 1453
ঘুঙুরটা আজ বাজুক জোরে অবিনব মোঃ আবু তালেব 1450
করিব আজ রঙ্গ লীলা কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1439
অবিলাষ চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1438
রাধা প্রেমের প্রেমিক কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1426
শ্যাম তোমারে ভালবেসে কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1419
 সুপ্ত-প্রিয়া অবিনব মোঃ আবু তালেব 1413
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
স্মৃতির প্রবাস প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 42
বালিশ ভেজা রাত প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 45
পরবাস প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 39
টাকার চাকা প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 49
শেকড়ের টান প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 43
Where The Mind Is Without Fear (চিত্ত যেথা ভয়শূন্য) গীতাঞ্জলি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 50
Hope' is the thing with feathers (আশা) Hope is the thing with feathers Emily Dickinson 47
The Road Not Taken (যে পথটি নেওয়া হয়নি) The Road Not Taken Robert Frost 41
Desiderata (জীবনের জন্য কিছু কথা) Words for Life Max Ehrmann 47
Still I Rise (তবুও আমি উঠব) Still I Rise Maya Angelou 43
If (যদি) if Rudyard Kipling 46
Invictus (অপরাজেয়) Invictus William Ernest Henley 39
বিদ্রোহী অগ্নীবীনা কাজী নজরুল ইসলাম 49
ভিসার কাগজে বন্দি জীবন প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 38
পাসপোর্টে ভেজা মানচিত্র প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 41
অচিনপুরে জমানো কান্না প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 78
ভিডিও কলের মনখারাপ প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 54
এয়ারপোর্টের কাচের দেয়াল প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 60
প্রবাসীর ঘামে ভেজা নোট প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 54
বিদেশের ঘরে মায়ের গন্ধ প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 52
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
নাফা নাফা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 67
শালা শালা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 72
অথচঃ কেউ জানেনা। অথচঃ কেউ জানেনা। মেহেদী হাসান আইয়ুশ 55
দীর্ঘশ্বাস দীর্ঘশ্বাস মেহেদী হাসান আইয়ুশ 61
তোমার নেশা তোমার নেশা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 65
ভালোবাসার বিদ্যে.. ভালোবাসার বিদ্যে.. মেহেদী হাসান আইয়ুশ 64
একটা তুমি হোক তুমি মেহেদী হাসান আইয়ুশ 50
মেয়ে, আমার সাথে সমুদ্রে যাবে? সমুদ্র মেহেদী হাসান আইয়ুশ 60
অর্জন অর্জন মেহেদী হাসান আইয়ুশ 63
অভিমান অভিমান মেহেদী হাসান আইয়ুশ 65
ঋণ ঋণ মেহেদী হাসান আইয়ুশ 75
মৃত্যুর পরও তুমি মৃত্যুর পরও তুমি মেহেদী হাসান আইয়ুশ 62
অনুভূতির স্পর্শ স্পর্শ মেহেদী হাসান আইয়ুশ 63
লিখিত, অলিখিত ঋণ লিখিত, অলিখিত ঋণ মেহেদী হাসান আইয়ুশ 62
অশ্রু অশ্রু মেহেদী হাসান আইয়ুশ 72
কাটাবিহীন ঘড়ি কাটাবিহীন ঘড়ি মেহেদী হাসান আইয়ুশ 61
স্টেজ ফোর স্টেজ ফোর মেহেদী হাসান আইয়ুশ 64
তবুও তুমি আছো তবুও তুমি আছো মেহেদী হাসান আইয়ুশ 62
মুগ্ধ বিষন্নতা মুগ্ধ বিষন্নতা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 71
ভুলে যাবো ভুলে যাবো মেহেদী হাসান আইয়ুশ 97
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ< কবি পঠিত হয়েছে
No poem found