কবি ও কাব্য — বাংলা কবিতার অনলাইন সংগ্রহশালা

যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পারো নাই

জীবন থেকে কিছু স্বপ্ন হারাই, দুঃখ করি বিয়োগ,
নতুন পথের সমীকরণে মেলে নতুন যোগ।
অজানা এক চলকের মান বুকে নিয়ে চলি,
নতুন আলোর সন্ধানেতে এগিয়ে যাই বলি।

সংখ্যা ছাড়া গণিত যেমন হয় যে অসহায়,
তোমাকে ছাড়া এই জীবনে আমি পথ হারাই।
শূন্যের মতো খুঁজে পাই তোমায় বারে বার,
তোমাকে ঘিরে সংখ্যাজগৎ পায় অস্তিত্ব তার।

আমাদের এই সম্পর্ক যেন ভগ্নাংশের মেলা,
তুমি হলে লব, আমি হর, চিরন্তন এই খেলা।
চলার পথে কখনো হই প্রকৃত, কখনো হই
অপ্রকৃত রূপ নিয়েও পাশাপাশি রই।

তোমার বৃত্তে কেন্দ্র না হই, ক্ষতি নেই তাতে,
ব্যাসার্ধ হয়ে মিশে থাকব তোমার সাথে সাথে।
জ্যা-র মতো বিস্তৃত হব তোমার মাঝে আমি,
তোমার প্রতিটি কোণে কোণে হব অন্তর্যামী।

পাই-এর মতো ভালোবাসা হোক অফুরন্ত,
যে প্রেমের নেই শেষ, নেই কোনো অন্ত।
এই জীবনের গণিতে তুমি থেকো ধ্রুবক হয়ে,
অসীম পথে বহে যাক প্রেম অনন্ত বেয়ে।

"অনন্ত ধ্রুবক" আমার লেখা প্রথম গণিত বিষয়ক কবিতা।

২৭/৪/২০২৬

অনন্ত ধ্রুবক

তোমাদের গোলটেবিল,
সাজানো সন্ধিপত্র আর সুশীল ক্ষমার খসড়ায়
আমরা একদলা থুতু ফেলে দিলাম!
যে রক্ত শুকিয়ে কালো অ্যাসফল্টকে
পাথরের মতো শক্ত করে ফেলেছে,
সেই রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে
কোনো আপসের বৈঠক বসে না।

তোমরা ভেবেছ একটা গদি বদল,
কিছু কাগুজে বিবৃতি
আর টেলিভিশনের পর্দায়
দুটো কুমিরের চোখের জলের বিনিময়ে
মুছে ফেলা যাবে গুমঘরের নোনা দেয়ালে
লেগে থাকা নখের আঁচড়?
ভেবেছ শহীদের লাশের ওপর মাখনের প্রলেপ দিলে
কবর থেকে ফেটে বেরোনো
কঙ্কালের চিৎকার স্তব্ধ হয়ে যাবে?

না!
আমরা সমঝোতার সাদা পতাকা ওড়াতে আসিনি,
আমরা এসেছি বধ্যভূমির প্রতিটি ফোঁটা রক্তের
পাই-টু-পাই হিসেব বুঝে নিতে।
যে বুলেটে এফোঁড়-ওফোঁড় হয়েছিল
আমাদের ভাইয়ের পাঁজরের হাড়,
সেই গলিত সীসার উত্তাপ ফিরিয়ে দেওয়া হবে
তোদের অহংকারের মুখে!

শোনো হে ক্ষমতার উচ্ছিষ্টভোগী মধ্যস্থতাকারীর দল,
শোনো হে আইনের নামাবলি পরা প্রকাশ্য কসাইশ্রেণী—
যে মা আজও চৌকাঠে বসে থাকে
না-ফেরা সন্তানের অপেক্ষায়,
সেই মায়ের একটা শুকিয়ে যাওয়া দীর্ঘশ্বাসের দাম
তোমাদের গোটা সাতপুরুষের চৌদ্দ সাম্রাজ্য
বেচে দিলেও শোধ হবে না!

আমাদের ক্রোধ কোনো ক্ষণস্থায়ী ধোঁয়া নয়—
এটা মাটির তলায় ফুটতে থাকা গনগনে ম্যাগমা।
তোমাদের আদালত বিক্রি হতে পারে,
তোমাদের সংবিধানের পাতা ছিঁড়ে
তোমরা ঠোঙা বানাতে পারো,
কিন্তু রাজপথের ইট-কংক্রিটে
দাঁড়িয়ে থাকা জনতার রুদ্র আদালত
কোনো আপস চেনে না।

এখানে প্রতিটি পড়ে থাকা
ছেঁড়া জুতো একেকটা অলিখিত রায়,
প্রতিটি বুলেটবিদ্ধ বুক একেকটা
জলন্ত ফাঁসির দড়ি!

ইতিহাসের তপ্ত চামড়া চিরে আজ
শেষ বাক্যটি খোদাই করে দিলাম:
জল্লাদের কোনো পুনর্বাসন নেই,
খুনির কোনো ক্ষমা নেই,
শহীদের রক্তের ওপর
কোনোদিন কোনো সমঝোতা হয় না!
হয় অধিকারের পূর্ণ প্রতিষ্ঠা,
নয় স্বৈরাচারের চিরন্তন ধ্বংস—
বাইরে কোনো তৃতীয় পথ নেই!

রক্তের কোনো সমঝোতা হয় না

হেলিকপ্টারের পাখা ঘুরছে,
কন্ট্রোল রুমে বাজছে শেষ সতর্কবার্তা—
স্যুটকেসে গোছানো লুটেরা ডলার আর
মিথ্যের কাগুজে পাসপোর্ট!
পালাবি কোথায়?
নীচে চেয়ে দেখ, রানওয়ে থেকে রাজপথ—
চারিদিক থেকে তোদের ঘিরে ধরেছে
কোটি ক্ষুধার্ত চোখের জ্বলন্ত মশাল!

যে রক্ত দিয়ে তোরা এতকাল
মসনদের সিঁড়ি ধুয়েছিলি,
যে তরুণদের গুম করে তোরা ভেবেছিলি
চিরকাল অমর হয়ে থাকবি,
আজ সেই রক্তের স্রোত
কালবোশেখী হয়ে আছড়ে পড়েছে
তোদের প্রাসাদের তোরণে!
তোদের পোষা জল্লাদেরা আজ অস্ত্র ফেলে পালাচ্ছে,
তোদের অহংকারী সাঁজোয়া গাড়ি
অচল হয়ে মুখ থুবড়ে পড়েছে এই জনসমুদ্রে!

শুন হে অন্ধ স্বৈরাচার,
শুন হে ইতিহাসের ঘৃণ্য ঘাতক—
অস্ত্র আর রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস দিয়ে
আর একটা মুহূর্তও কেনা যাবে না!
এতদিন তোরা জারি করেছিস কারফিউ,
দিয়েছিস বেপরোয়া মৃত্যুর পরোয়ানা;
আজ এই উন্মুক্ত রাজপথে জনতা জারি করেছে
তোদের চূড়ান্ত পতনের রায়!

কোনো সীমান্ত তোদের আশ্রয় দেবে না,
কোনো গোপন বাঙ্কার
তোদের এই গণরোষ থেকে বাঁচাতে পারবে না!
আজ বিচার হবে প্রকাশ্য রাজপথে,
বধ্যভূমির প্রতিটি ধূলিকণায়—
যেখানে বিচারক কোনো বিক্রি হয়ে যাওয়া
মেরুদণ্ডহীন মেরুদণ্ড নয়;
বিচারক আজ সন্তানহারা মা,
বিচারক আজ বুলেটবিদ্ধ শহীদের রক্তমাখা জামা!

ভেঙে গুঁড়িয়ে দাও অহংকারের শেষ প্রাচীর!
ইতিহাসের লৌহকপাট আজ খুলে গেছে—
আজ আর কোনো আপস নেই,
কোনো করুণা নেই, কোনো মধ্যস্থতা নেই!
আজ জনতার রুদ্র আদালত দাঁড়িয়েছে
স্বৈরাচারের মুখোমুখি—
রক্তের শেষ পাই-টু-পাই হিসেব বুঝিয়ে দিয়ে
তবেই মুক্ত হবে এই স্বদেশ!

পালাবার পথ নেই

অ্যাসফল্টের ওপর পড়ে আছে একটা সস্তা কাগজের খাতা—
মলাট চিরে ভেতরে ঢুকে গেছে জল্লাদের তপ্ত বুলেট,
পৃষ্ঠা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে তাজা লাল রক্ত আর নীল কালির দাগ।
গণিতের অসমাপ্ত সূত্র, অর্থনীতির খসড়া, আর এক কোণে লেখা কয়েক ছত্র দ্রোহের কবিতা—
সবকিছু এক নিমেষে জট পাকিয়ে গেল একখণ্ড সীসার আঘাতে!

তোমরা ভেবেছ একটা দেহকে রাজপথে এফোঁড়-ওফোঁড় করে দিলেই
স্তব্ধ করে দেওয়া যায় তারুণ্যের স্বপ্ন আর জিজ্ঞাসা?
তোমরা ভেবেছ রক্তের স্রোতে ধুয়ে মুছে সাফ করে দেবে
বুকের ভেতর জ্বলতে থাকা অধিকারের অমোঘ ইশতেহার?

খুলে দেখো ওই রক্তাক্ত পাতার প্রতিটি ভাঁজ!
যেখানে লেখা ছিল শিক্ষার দাবি, যেখানে লেখা ছিল ভাতের অধিকার,
সেখানে আজ জমাট বেঁধেছে গোটা একটা জাতির অলিখিত সংবিধান!
তোমাদের স্বৈরাচারী ফরমান, তোষামোদে ভরা সিলেবাস আর কাগুজে উন্নয়ন—
সবকিছুকে ধিক্কার জানিয়ে ওই বুলেটবিদ্ধ অক্ষরগুলো আজ জীবন্ত স্ফুলিঙ্গ হয়ে জ্বলছে।

শোনো হে ক্ষমতার অন্ধ পাহারাদার, শোনো হে ইতিহাসের নিকৃষ্ট ঘাতক—
তোমরা একটা শরীরকে মাটিতে লুটিয়ে দিতে পারো,
কিন্তু কাগজের বুকে রক্ত দিয়ে লেখা সত্যকে হত্যা করার অস্ত্র আজ পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি!
সেই রক্তে ভেজা প্রতিটি পৃষ্ঠা আজ বাতাসে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে বারুদের মতো,
ক্লাসরুম থেকে রাজপথ, কারখানা থেকে বস্তির অলিগলিতে
লক্ষ কোটি তরুণ আজ সেই রক্তাক্ত খাতার প্রতিটি শব্দ মুখস্থ করে নিচ্ছে!

যেদিন ওই খাতার প্রতিটি অক্ষরের হিসেব চাইতে রাজপথে নামবে অবাধ্য মিছিল,
সেদিন তোমাদের বন্দুকের নল গলে জল হয়ে যাবে,
ধূলিসাৎ হবে অহংকারের দুর্গ!
আর সেই বুলেটবিদ্ধ খাতার শেষ পৃষ্ঠাতেই
বুকের রক্ত ঢেলে জনতা লিখে দিয়ে যাবে
স্বৈরশাসনের চূড়ান্ত পতন!

বুলেটবিদ্ধ খাতা

বাছাইকৃত কবিতা

যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পারো নাই

- কাজী নজরুল ইসলাম

যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পারো নাই,
কেন মনে রাখো তারে।
ভুলে যাও মোরে ভুলে যাও একেবারে।

আমি গান গাহি আপনার সুখে,
তুমি কেন এসে দাড়াও সম্মুখে।
আলেয়ার মত ডাকিও না আর
নিশীথ অন্ধকারে
ভুলে যাও মোরে ভুলে যাও একেবারে।।

যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পারো নাই
কেন মনে রাখো তারে।

দয়া করো
দয়া করো আর আমারে লইয়া
খেলো না নিঠুর খেলা।
শত কাঁদিলেও ফিরিবে না সেই
শুভ লগনের বেলা
প্রিয় শুভ লগনের বেলা।

আমি ফিরি পথে তাহে কার ক্ষতি,
তব চোখে কেন সজল মিনতী।
আমি কি ভুলেও কোন দিনও
এসে দাড়ায়েছি তব দ্বারে
ভুলে যাও মোরে ভুলে যাও একেবারে।।

যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পারো নাই,
কেন মনে রাখো তারে।
বিস্তারিত...

অনন্ত ধ্রুবক

- মোছাঃ লুবা আক্তার

জীবন থেকে কিছু স্বপ্ন হারাই, দুঃখ করি বিয়োগ,
নতুন পথের সমীকরণে মেলে নতুন যোগ।
অজানা এক চলকের মান বুকে নিয়ে চলি,
নতুন আলোর সন্ধানেতে এগিয়ে যাই বলি।

সংখ্যা ছাড়া গণিত যেমন হয় যে অসহায়,
তোমাকে ছাড়া এই জীবনে আমি পথ হারাই।
শূন্যের মতো খুঁজে পাই তোমায় বারে বার,
তোমাকে ঘিরে সংখ্যাজগৎ পায় অস্তিত্ব তার।

আমাদের এই সম্পর্ক যেন ভগ্নাংশের মেলা,
তুমি হলে লব, আমি হর, চিরন্তন এই খেলা।
চলার পথে কখনো হই প্রকৃত, কখনো হই
অপ্রকৃত রূপ নিয়েও পাশাপাশি রই।

তোমার বৃত্তে কেন্দ্র না হই, ক্ষতি নেই তাতে,
ব্যাসার্ধ হয়ে মিশে থাকব তোমার সাথে সাথে।
জ্যা-র মতো বিস্তৃত হব তোমার মাঝে আমি,
তোমার প্রতিটি কোণে কোণে হব অন্তর্যামী।

পাই-এর মতো ভালোবাসা হোক অফুরন্ত,
যে প্রেমের নেই শেষ, নেই কোনো অন্ত।
এই জীবনের গণিতে তুমি থেকো ধ্রুবক হয়ে,
অসীম পথে বহে যাক প্রেম অনন্ত বেয়ে।

"অনন্ত ধ্রুবক" আমার লেখা প্রথম গণিত বিষয়ক কবিতা।

২৭/৪/২০২৬
বিস্তারিত...

সাম্প্রতিক সংযোজন

শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে
রাধা-কৃষ্ণ মোঃ আবু তালেব 4658
চোখের নেশার ভালবাসা মোঃ আবু তালেব 1722
পল্লী স্মৃতি সুফিয়া কামাল 1673
চোখের কাজল মোঃ আবু তালেব 1598
তবে কেন আমি অপরাধী মোঃ আবু তালেব 1587
তোকে নিয়ে… এলোমেলো হাবীব কাশফি 1529
কর্মফল মোঃ আবু তালেব 1522
নবী দ্বীনের রাসুল মোঃ আবু তালেব 1479
রমণী মোঃ আবু তালেব 1452
চাঁদবদনী মোঃ আবু তালেব 1425
জন্মান্তর মোঃ আবু তালেব 1424
পার্থক্য মোঃ আবু তালেব 1423
তোমাকে ভালোবেসে জীবনানন্দ দাশ 1378
ঘুঙুরটা আজ বাজুক জোরে মোঃ আবু তালেব 1377
জরুরী বিষয় মোঃ আবু তালেব 1377
করিব আজ রঙ্গ লীলা মোঃ আবু তালেব 1372
অবিলাষ মোঃ আবু তালেব 1370
রাধা প্রেমের প্রেমিক মোঃ আবু তালেব 1353
 সুপ্ত-প্রিয়া মোঃ আবু তালেব 1346
শ্যাম তোমারে ভালবেসে মোঃ আবু তালেব 1339
শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে
যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পারো নাই কাজী নজরুল ইসলাম 2
রক্তের কোনো সমঝোতা হয় না মো: আবু তালেব 15
পালাবার পথ নেই মোঃ আবু তালেব 17
বুলেটবিদ্ধ খাতা মো: আবু তালেব 26
টং দোকানের বাংলাদেশ মো: আবু তালেব 29
কাফন ছাড়া লাশ মো: আবু তালেব 28
চেয়ারের কোন ধর্ম নেই মো: আবু তালেব 41
একটি নিখোঁজ জুতো মো: আবু তালেব 35
পোস্টারে ঢাকা দেয়াল মো: আবু তালেব 42
চুপ কর, রাজা শুনছে মোঃ আবু তালেব 41
ক্ষিদে মো: আবু তালেব 43
রাজপথের থুতু মো: আবু তালেব 61
নগরীর নীরব মানুষ মো: আবু তালেব 41
যে সত্য বলা যায় না মো: আবু তালেব 46
মুখোশের ভিতরে মুখ মোঃ আবু তালেব 45
অন্যের চোখে আমি মোঃ আবু তালেব 44
সবাই আমাকে চেনে মোঃ আবু তালেব 47
পরিচয়ের কারাগার মোঃ আবু তালেব 64
যে মানুষটি হাসছিল মোঃ আবু তালেব 49
দরিদ্রের জামা মোঃ আবু তালেব 64
শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে
অনন্ত ধ্রুবক মোছাঃ লুবা আক্তার 4
বৃষ্টি ও ছাতার কথোপকোথন Md. Mustafizur Rahman 31
কর্পোরেট কালচার Md. Mustafizur Rahman 52
শব্দের সুনামি Md. Mustafizur Rahman 45
এ শহর আমার নয় Md. Mustafizur Rahman 47
বায়তুল মাক্বদিস ফেরদাউস সরকার 59
কবির কলমে নবির ছবি কবি ফেরদাউস সরকার 71
প্রত্যাবর্তন রাফাত আহমেদ 64
মৃত্যুদিন শ্রীমল্লার 91
কাঁটাতার ফেরদাউস সরকার 106
তোমাকেই বলছি হে ভারত! ফেরদাউস সরকার 80
হাসান বলছি আল আমিন ইসলাম 97
নীল নিঃশব্দের ভেতর আল আমিন ইসলাম 98
চাঁদ হয়ে তুমি আসো মুহিববুল্লাহ আল মামুন 99
পানি লাগবে পানি ফেরদৌস রায়হান 139
মোরা বাংলাদেশী আজহারুল ইসলাম তালহা 155
নিজের শত্রু নিজেই আজহারুল ইসলাম তালহা 171
ভালো মানুষ ইবনে আলী 281
দুনিয়া তো ক্ষণিকের ইবনে আলী 160
শিকল ইবনে আলী 253
শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে