কবি ও কাব্য — বাংলা কবিতার অনলাইন সংগ্রহশালা

শহরের সবচেয়ে জনবহুল মোড়ে
খুব পরিপাটি কাচের শোকেস নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই দোকান।
এর কোনো আলাদা সাইনবোর্ডের প্রয়োজন হয় না;
কোনো চটকদার লিফলেট বিলি করতে হয় না।
মানুষ খুব ভোরবেলা নিজের গরজেই এখানে লাইন দেয়।

তাকের ওপর অত্যন্ত যত্নে সাজানো আছে নানা মাপের মুখ—
অফিসের বসের সামনে দাঁড়ানোর জন্য খাঁটি আনুগত্যের মুখ,
ক্যামেরার ঝলকানিতে পরার মতো মানবিক সমাজসেবকের মুখ,
ড্রয়িংরুমে অতিথিদের চা দেওয়ার সময় ঝুলিয়ে রাখার মতো সুখী মানুষের মুখ,
আর পাওনাদারের মুখোমুখি হলে পরার জন্য অসহায় দীনতার মুখ।

এখানে সব ধরনের আয়োজন আছে।
শুধু নিজের আসল মুখটা লুকিয়ে রাখার জন্য
যে মাপের আবরণ দরকার, তা আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেই হলো।

এই দোকানে কোনো কাগুজে নোটের লেনদেন হয় না।
দোকানি খুব শান্ত গলায় দামের হিসাব চায়—
একটুখানি আত্মমর্যাদা, কিছুটা সততা,
আর বুকের ভেতরে লুকিয়ে রাখা শৈশবের সেই নিষ্কলুষ লজ্জা।

মানুষ নির্দ্বিধায় সেই দাম চুকিয়ে দেয়।
তারপর টাই বাঁধার মতো, কিংবা জুতোর ধুলো ঝাড়ার মতো—
মুখোশটা মুখের চামড়ার ওপর নিখুঁতভাবে এঁটে নিয়ে রাস্তায় নামে।

কেউ যদি কোনোদিন ভুলবশত নিজের আসল মুখ নিয়ে বাইরে বেরিয়ে পড়ে,
এই শহর তার দিকে আতঙ্কের চোখে তাকায়।
ট্রাফিকের মানুষ তাকে উন্মাদ ভাবে,
প্রতিবেশীরা দ্রুত ঘরের কপাট আটকে দেয়;
কারণ সভ্যতার এই বাজারে নগ্ন সত্য মুখের চেয়ে
ভয়ংকর কোনো অপরাধ আর হতে পারে না।

মুখোশ পরে থাকতে থাকতে মানুষের এক অদ্ভুত আরাম হয়।
তাকে আর সত্যি বলে বিপদে পড়তে হয় না,
ক্ষতের রক্তক্ষরণ নিয়ে কারও কাছে জবাবদিহি করতে হয় না।

কিন্তু আসল বিভীষিকাটা শুরু হয় বহু বছর পর।

একদিন মধ্যরাতে, যখন সব কোলাহল নিভে যায়,
মানুষ যখন নিজের একলা ঘরের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে
মুখোশটা খুলে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে চায়—
তখন সে শিউরে উঠে আবিষ্কার করে,
মুখোশের আঠা আর কৃত্রিম রং তার রক্ত-মাংসের চামড়ার সঙ্গে মিশে একাকার হয়ে গেছে।
টান দিলে মাংস ছিঁড়ে আসে, কিন্তু মুখোশ আর আলগা হয় না।

ঠিক তখনই মানুষের জীবনে নেমে আসে ‘প্রথম নিরবতা’।

আয়নার ওপারে যে অচেনা অবয়বটি দাঁড়িয়ে থাকে,
সে কাঁদতে পারে না; কারণ তার চোখের জল বহু আগেই প্লাস্টিক হয়ে গেছে।
সে নিজের দিকে তাকিয়ে শুধু এক অসীম আতঙ্কে থমকে থাকে—

সে বুঝতে পারে, এই সমাজে বেঁচে থাকার সামান্য সুবিধা কিনতে গিয়ে
সে আসলে নিজের সমস্ত মানবিক অস্তিত্বই খুইয়ে ফেলেছে;
আর আয়নায় এখন যা দাঁড়িয়ে আছে—
তা কোনো মানুষ নয়,
একটি বিক্রি হয়ে যাওয়া মুখোশের ভেতর আটকে থাকা
অনন্তকালের এক বিকলাঙ্গ, অসমাপ্ত বাক্য।

মুখোশের দোকান

যে প্রেম খুব জোর গলায় নিজের দাবি ঘোষণা করেছিল,
সে তো একদিন সামাজিক স্বীকৃতির খাতায় সই করল;
তারপর সংসারের কিস্তির হিসাবে, বাজারের ব্যাগের ওজনে,
আর ছোটখাটো অভ্যাসের ঘর্ষণে একসময় ক্লান্ত হয়ে ফুরিয়ে গেল।

উচ্চারিত প্রেম শেষ পর্যন্ত এই পৃথিবীর নিয়মের কাছে ধরা দেয়।
সে দরদাম করে, আপস শেখে, আর বয়স বাড়লে বেঁচে থাকে কেবল দায়িত্বের খাতিরে।

কিন্তু সেই প্রেমটার কথা একবার ভাবো—
যে জীবনে কোনোদিন একটা শব্দও খরচ করেনি।

যার কোনো স্বাক্ষরিত চিঠি ছিল না,
মুঠোফোনের কোনো ইনবক্সে যার কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ জমা নেই।
তার কোনো আনুষ্ঠানিক জন্মদিন ছিল না,
কোনো ক্যাফের টেবিলে বসে অধিকার জাহির করার দৃশ্য ছিল না।

সে শুধু বেঁচে ছিল অত্যন্ত সামান্য কিছু ইঙ্গিতে—
ভিড় বাসের দরজায় অন্য কারও ধাক্কা থেকে বাঁচাতে গিয়ে
এক মুহূর্তের জন্য নিজের শরীরটাকে প্রাচীর বানিয়ে নেওয়া;
বৃষ্টির রাতে নিজের কাঁধ ভিজিয়ে দিয়ে
ছাতার সামান্য ছায়াটা অন্যজনের দিকে একটু বাড়িয়ে ধরা;
কিংবা রাস্তার ওপারে দাঁড়িয়ে
ট্রাফিকের সবুজ বাতি জ্বলে ওঠার আগের তিন সেকেন্ড
এক অচেনা মানুষের মতো কেবল চোখ তুলে তাকিয়ে নেওয়া।

সে কেন কথা বলেনি?
সে কি ভীরু ছিল?
হয়তো সমাজ তাকে কাপুরুষ বলবে।
কিন্তু যে জানত নিজের পকেটে নড়বড়ে একজোড়া চটি জুতো ছাড়া আর কিছুই নেই,
যে জানত তার ভবিষ্যৎ বলতে অনিশ্চিত এক অন্ধকার পথ—
সে অন্য কারও সাজানো আকাশকে নিজের দারিদ্র্য দিয়ে ঢেকে দিতে চায়নি।

কথা না বলাটা কোনো দুর্বলতা ছিল না;
ওটা ছিল ভালোবাসার চরমতম আত্মমর্যাদা।
সে চেয়েছিল, যা সুন্দর—তা যেন এই নির্মম পৃথিবীর নোংরা দরদামে কোনোদিন না নামে।

সেই প্রেমই মানুষের জীবনে নামিয়ে আনে ‘প্রথম নিরবতা’।
যে নিরবতা কোনোদিন কাউকে অভিযুক্ত করে না,
কোনোদিন কোনো কৈফিয়ত দাবি করে না।
সে কেবল নিজের রক্তক্ষরণটুকু নিজের ভেতরেই গোপন রেখে
দূর থেকে অন্য মানুষের সুখ দেখে নিঃশব্দে এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে।

পৃথিবী শুধু তাদেরই হিসাব রাখে—যারা দখল করতে পেরেছে,
যারা উল্লাস করেছে, উৎসবের আলো জ্বেলেছে।
কিন্তু মানুষ একা হলে নিজের বুকের নিভৃতে হাত দিয়ে যাকে স্পর্শ করে,
সে কোনো দখল করা সাম্রাজ্য নয়।

যে প্রেম কোনোদিন কথা বলেনি, সে আসলে হারায়নি;
সে এই হিসেবি পৃথিবীর সমস্ত কলুষতা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে
চিরদিনের মতো সংরক্ষিত হয়ে রইল—
মানুষের বুকের গভীরতম ক্ষতের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা
এক অবিনশ্বর, পবিত্র অসমাপ্ত বাক্য হয়ে।

নিরব প্রেম

সূর্য ডোবার পর যে অন্ধকার নামে,
তার জন্য তো প্রকৃতির একটা নিয়ম বরাদ্দ আছে।
পাখিরা কুলায়ে ফেরে, রাজপথের তীব্র হর্ন স্তিমিত হয়,
আর ঘরের জানালায় একে একে জ্বলে ওঠে হলুদ আলোর বিন্দু।

কিন্তু যে রাতটা আজ আমাদের দুজনের মাঝখানে এসে দাঁড়িয়েছে—
তার কোনো ক্যালেন্ডার নেই, কোনো ভোরের প্রতিশ্রুতি নেই।

একই ঘরের ভেতর আমরা দুজন।
মাঝখানের দূরত্বটুকু মাপলে হয়তো এক হাতও হবে না।
অথচ এই সামান্য মেঝের ওপর
কে যেন নিঃশব্দে বিছিয়ে দিয়ে গেছে অনন্ত এক মরুভূমি।

তোমার মুখের ওপর কাঁপছে তোমার মুঠোফোনের ঠান্ডা নীল আলো,
আমার মুখের ওপর আমারটা।
আমাদের চোখ দুটো স্ক্রিনের ভেতর দিয়ে
হাজার মাইল দূরের পৃথিবীর খবর নিখুঁতভাবে পড়ে নিচ্ছে;
অথচ মাঝখানের এই এক বিঘত আঁধার পার হওয়ার মতো
কোনো সহজ রাস্তা আমাদের জানা নেই।

আমাদের মধ্যে কোনো বড় ধরনের রক্তপাত ঘটেনি।
কোনো জিনিসপত্র ভাঙচুর হয়নি, কোনো কটু শব্দ বাতাসে ছিটকে পড়েনি।
আমরা দুজনই অত্যন্ত ভদ্র, পরিপাটি এবং সামাজিক।
অথচ এই নিপুণ ভদ্রতার ছায়াতেই
একটু একটু করে জমে উঠেছে এমন এক পাথর—
যা কোনো হাতুড়ি দিয়ে ভাঙা যায় না।

এই রাতটা আসলে কোনো অন্ধকার নয়।
এই রাতটা তৈরি হয়েছে আমাদের প্রতিদিনের ছোট ছোট আপস দিয়ে,
সংসার টিকিয়ে রাখার নামে গিলে ফেলা না-বলা ক্ষোভ দিয়ে,
আর সবচেয়ে বড়—সেই তীব্র ভীতি দিয়ে,
যেখানে সত্যি কথাটা একবার উচ্চারণ করলেই
আমাদের এতদিনের সাজানো সুরক্ষার দেওয়ালটা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে।

মানুষ যখন কোলাহলের ভেতর একা হয়, তখন সে কষ্ট পায়।
কিন্তু মানুষ যখন সবচেয়ে কাছের মানুষটার পাশে বসেও
নিজের ভেতরের নিঃসঙ্গতাকে ঢাকতে পারে না—
তখন সেখানে জন্ম নেয় ‘প্রথম নিরবতা’।

এই নিরবতার কোনো ভাষা নেই।
সে শুধু বুকের মাঝখানে একটা বরফের টুকরোর মতো চেপে বসে থাকে।

আমরা হয়তো কাল সকালে আবার জেগে উঠব,
নিয়ম মেনে চায়ের কাপ এগিয়ে দেব, ট্রাফিকের হিসাব করব,
বাইরের পৃথিবীর কাছে প্রমাণ করব—আমাদের কোনো কমতি নেই।

কিন্তু আমরা দুজনই ভেতর থেকে জেনে গেছি—
আমাদের মাঝখানে যে রাত নেমে এসেছে, তার আর কোনো সূর্যোদয় হবে না।

আমরা পাশাপাশি শুয়ে থাকব ঠিকই,
কিন্তু আমরা আর কোনো পূর্ণ গল্প হতে পারব না;
আমরা কেবল একই ছাদের নিচে পাশাপাশি পড়ে থাকা
দুটো বিপরীতমুখী, অসমাপ্ত বাক্য।

তুমি-আমি ও রাত

দেওয়ালের চুন খসে পড়ছে বেশ কিছুদিন ধরে।
কোণের দেওয়ালঘড়িটার ব্যাটারি ফুরিয়ে গেছে বহু আগে,
তার কাঁটাটা আজও নিথর হয়ে আটকে আছে ঠিক বিকেল চারটে কুড়িতে।
এই ঘরে সময়ের কোনো প্রবাহ নেই;
এখানে সময় বরফের মতো জমে থাকে মেঝেতে।

বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে, এটা একটা অতি সাধারণ ঘর—
একটি কাঠের চৌকি, ধুলো জমা একখানা পুরোনো টেবিল,
আর জানালার গ্রিলে ঝুলিয়ে রাখা এক চিলতে বিবর্ণ পর্দা।
কিন্তু যে মানুষটা এই মেঝের ওপর খালি পায়ে হেঁটে বেড়ায়,
সে জানে—এই চার দেওয়াল কোনো বাসস্থান নয়;
এটা আসলে এক অদৃশ্য কারাগার, যার কোনো পাহারা নেই।

অপেক্ষা কোনো সহজ কাজ নয়।
অপেক্ষা হলো নিজের বেঁচে থাকার আয়ু দিয়ে
অন্য কারও অনুপস্থিতিকে আজীবন পাহারা দেওয়া।

দরজাটা খোলাই থাকে সারাদিন।
সিঁড়িতে সামান্য কোনো খসখস আওয়াজ হলেই
বুকের ভেতরটা হঠাৎ থমকে দাঁড়ায়;
কান খাড়া হয়ে ওঠে—কেউ কি এলো?
নাকি ওটা কেবল অন্য কোনো ভাড়াটিয়ার ক্লান্ত পায়ের শব্দ,
কিংবা বাতাসে নড়ে ওঠা কোনো পুরনো কপাটের দীর্ঘশ্বাস?

বাইরে পৃথিবী কত দ্রুত বদলে যাচ্ছে।
রাস্তায় নতুন নতুন ফ্লাইওভার হচ্ছে, শহরের নাম বদলে যাচ্ছে,
মানুষ কত সহজে পুরনো মুখ মুছে ফেলে নতুন ঠিকানা খুঁজে নিচ্ছে।
অথচ এই ঘরের মানুষটা কোনোদিন নিজের অবস্থান বদলাতে পারল না।
সে শুধু দাঁড়িয়ে রইল জানালার ওপারে চোখ রেখে—
যেন এই শহর থেকে সমস্ত কোলাহল মুছে গেলে
একমাত্র এই জানালার কাচেই ভেসে উঠবে কোনো এক চেনা মুখ।

অপেক্ষা করতে করতে মানুষ আসলে কী হারায়?
সে শুধু যৌবন হারায় না, সে শুধু দৃষ্টির ধার হারায় না;
সে ধীরে ধীরে নিজের নামটাও ভুলে যেতে থাকে।
কারণ যে ঘরে কোনো দ্বিতীয় মানুষের প্রবেশ নেই,
সে ঘরে কাউকে নাম ধরে ডাকার কোনো প্রয়োজন অবশিষ্ট থাকে না।

তারপর এক গভীর রাতে,
যখন সমস্ত বিভ্রান্তি কেটে যায়,
তখন এই ঘরের প্রতিটি কোণ জুড়ে নেমে আসে এক গাঢ়, আদিম নিস্তব্ধতা—
প্রথম নিরবতা।

সেই নিরবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে মানুষ অবশেষে আবিষ্কার করে—
কেউ কোনোদিন আসবে না।
যে চলে গেছে, সে কোনোদিন পেছন ফিরে তাকানোর জন্য জন্মায়নি।

তবু মানুষ এই ঘর ছেড়ে কোনোদিন বের হতে পারে না।
কারণ সে তখন আর মানুষ থাকে না;
সে পরিণত হয় মাঝপথে থেমে যাওয়া এক অসমাপ্ত বাক্যে—
যা অনন্তকাল ধরে একাই পাহারা দিয়ে যায়
তার নিজেরই নিঃশব্দ সমাধি।

অপেক্ষার ঘর

বাছাইকৃত কবিতা

সাম্প্রতিক সংযোজন

শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
রাধা-কৃষ্ণ কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 4854
চোখের নেশার ভালবাসা অবিনব মোঃ আবু তালেব 1889
পল্লী স্মৃতি পল্লী সুফিয়া কামাল 1812
চোখের কাজল কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1759
তবে কেন আমি অপরাধী অবিনব মোঃ আবু তালেব 1709
তোকে নিয়ে… এলোমেলো তোকে নিয়ে হাবীব কাশফি 1689
কর্মফল চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1653
নবী দ্বীনের রাসুল অন্তরে ইসলাম মোঃ আবু তালেব 1624
রমণী চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1576
চাঁদবদনী অবিনব মোঃ আবু তালেব 1563
তোমাকে ভালোবেসে তোমাকে ভালোবেসে জীবনানন্দ দাশ 1554
জন্মান্তর অবিনব মোঃ আবু তালেব 1552
পার্থক্য চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1541
ঘুঙুরটা আজ বাজুক জোরে অবিনব মোঃ আবু তালেব 1513
জরুরী বিষয় অন্তরে ইসলাম মোঃ আবু তালেব 1507
অবিলাষ চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1504
করিব আজ রঙ্গ লীলা কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1493
রাধা প্রেমের প্রেমিক কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1489
শ্যাম তোমারে ভালবেসে কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1488
 সুপ্ত-প্রিয়া অবিনব মোঃ আবু তালেব 1471
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
মুখোশের দোকান প্রথম নিরবতা মোঃ আবু তালেব 3
নিরব প্রেম প্রথম নিরবতা মোঃ আবু তালেব 3
তুমি-আমি ও রাত প্রথম নিরবতা মোঃ আবু তালেব 5
অপেক্ষার ঘর প্রথম নিরবতা মোঃ আবু তালেব 0
মানুষ (Human) অবিনব মো: আবু তালেব 17
ভুল মানুষের প্রেমে পড়া বারণ অবিনব মোঃ আবু তালেব 17
ঢাকা শহরের কোনো এক গলিতে শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 17
শহর (The City) শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 17
স্মৃতি অবিনব মোঃ আবু তালেব 21
অভিমান (oviman) অবিনব মোঃ আবু তালেব 21
নিখোঁজ শব্দগুলো অবিনব মোঃ আবু তালেব 43
অচিন গলি শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 43
জীবনের শেষ মুহুর্তের পর প্রথম নিরবতা মো: আবু তালেব 46
জীবন প্রথম নীরবতা মোঃ আবু তালেব (Md. Abu Taleb) 61
মৃত্যুর আগে মানুষ কতবার মরে শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 93
রাষ্ট্রের কাছে একটি শিশুর প্রশ্ন অবিনব মোঃ আবু তালেব 83
পৃথিবী, তুমি কি আমাকে মনে রাখবে অবিনব মোঃ আবু তালেব 87
স্মৃতির প্রবাস প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 96
বালিশ ভেজা রাত প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 107
পরবাস প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 87
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
বসন্ত আসেনি ফিরে বসন্ত আসেনি ফিরে আব্দুল্লাহ আল নোমান 81
আমরা নবীন বসন্ত আসেনি ফিরে আব্দুল্লাহ আল নোমান 25
দম্ভের দশ হাজার বাস্তব জীবন দরবেশ আল আমিন 72
আই ডোন্ট হ্যাভ অ্যা প্ল্যান অপ্রকাশিত মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা 81
নীরব যোদ্ধা জীবনের পান্ডুলিপি পুলক সরকার দীপ্ত 100
শরৎ এর আগমন জীবনের পান্ডুলিপি পুলক সরকার দীপ্ত 118
শারদীয় উৎসব জীবনের পান্ডুলিপি পুলক সরকার দীপ্ত 89
একুশ জীবনের পান্ডুলিপি পুলক সরকার দীপ্ত 73
প্রেম চোখের জলে নদী মাজেদুল হক 91
নাফা নাফা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 115
শালা শালা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 135
অথচঃ কেউ জানেনা। অথচঃ কেউ জানেনা। মেহেদী হাসান আইয়ুশ 104
দীর্ঘশ্বাস দীর্ঘশ্বাস মেহেদী হাসান আইয়ুশ 109
তোমার নেশা তোমার নেশা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 116
ভালোবাসার বিদ্যে.. ভালোবাসার বিদ্যে.. মেহেদী হাসান আইয়ুশ 100
একটা তুমি হোক তুমি মেহেদী হাসান আইয়ুশ 103
মেয়ে, আমার সাথে সমুদ্রে যাবে? সমুদ্র মেহেদী হাসান আইয়ুশ 113
অর্জন অর্জন মেহেদী হাসান আইয়ুশ 116
অভিমান অভিমান মেহেদী হাসান আইয়ুশ 138
ঋণ ঋণ মেহেদী হাসান আইয়ুশ 133
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ< কবি পঠিত হয়েছে
No poem found