কবি ও কাব্য — বাংলা কবিতার অনলাইন সংগ্রহশালা

চাকা ঘুরলে পথ কমে,
দূরত্ব ছোট হয়ে আসে—বিজ্ঞানের বইয়ে এই নিয়ম লেখা আছে।
কিন্তু এই শহরের যে অদৃশ্য চাকাটি প্রতিদিন ঘোরে,
তা মানুষকে কোথাও পৌঁছে দেয় না;
বরং প্রতি মুহূর্তে তাকে এক অনন্ত শূন্যতার ভেতরে ছুড়ে দেয়।

ভোরের অ্যালার্ম বাজার সাথে সাথে
মানুষ লাফিয়ে ওঠে বিছানা থেকে।
চোখে কোনো স্বপ্ন থাকে না, থাকে কেবল একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের তাড়া।
বাড়িভাড়া, চালের দাম, স্কুলের বেতন, প্রেসক্রিপশনের ওষুধ—
প্রতিটি দিনের গায়ে যেন এক-একটি মূল্যতালিকা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মানুষের নিঃশ্বাস নেওয়ার অধিকারটুকুও
আজকাল ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্সের ওপর নির্ভর করে।

আমরা বলি—টাকা দিয়ে সব কেনা যায় না।
কী অদ্ভুত আত্মপ্রবঞ্চনা!
যে লোকটির পকেটে শেষ বাসের ভাড়া নেই,
যে মা হাসপাতালের বিল দিতে না পেরে সন্তানের মুখের দিকে তাকাতে পারে না—
তাদের সামনে এই বড় বড় দর্শনের কোনো অর্থ থাকে না।
টাকা শুধু কাগজের টুকরো নয়;
টাকা হলো এই নিষ্ঠুর সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর একমাত্র অনুমতিপত্র।

এই চাকাটির কোনো বিরতি নেই।
যে একবার এর ঘূর্ণিতে পা দিয়েছে, সে আর নামতে পারে না।
অসুস্থ শরীরেও ওভারটাইমের টেবিলে বসে থাকা যুবকটি জানে—
একটু থামলেই সে ছিটকে পড়ে যাবে রাস্তার নর্দমায়।
এখানে দয়া নেই, ক্ষমা নেই;
এখানে যে ছুটতে পারে না, তাকে এই চাকা পিষে ফেলে এগিয়ে যায়।

সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো—
মানুষ ভাবে সে টাকার পেছনে ছুটছে।
অথচ সত্যটা উল্টো;
টাকাই মানুষকে একটি লাঠির মতো তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে আজীবন।
সব হিসেব মেলাতে মেলাতে
একদিন মানুষটার আয়ু ফুরিয়ে যায়।
ব্যাংকের খাতাটা হয়তো বেঁচে থাকে,
কিন্তু যে মানুষটি সেই সংখ্যাগুলোর জন্য নিজের সমগ্র জীবন বিলিয়ে দিয়েছিল,
তার জন্য মাটিতে কেবল সাড়ে তিন হাত অন্ধকারের বেশি কোনো জায়গা থাকে না।

টাকার চাকা

গাছের শেকড় মাটির নিচে থাকে।
তাকে দেখা যায় না,
কিন্তু ঝড় উঠলে বোঝা যায়—সে কতটা আঁকড়ে ধরেছিল বুক।
মানুষ ভাবে সে স্বাধীন;
সে দেশ ছাড়তে পারে, ভাষা বদলাতে পারে,
বদলে ফেলতে পারে পরনের পোশাক আর চশমার ফ্রেম।
কিন্তু রক্তের ভেতরে যে আদিম মাটির গন্ধ ঘুমিয়ে থাকে,
তাকে কোনো দিন মুছে ফেলা যায় না।

বিদেশের সাজানো সুপারমার্কেটে দাঁড়িয়ে
হঠাৎ যদি কচি লেবুপাতার ঘ্রাণ নাকে লাগে,
মুহূর্তে সমস্ত সাজানো পরিপাটি জীবন চুরমার হয়ে যায়।
চোখের সামনে ভেসে ওঠে—
বর্ষার দিনে ভিজে যাওয়া টিনের চালের অবিরাম ঝমঝম সুর,
উঠোনের কাদায় পিছলে পড়া ভাইবোনের হাসি,
আর গোধূলির আলোয় খড়ের ধোঁয়ায় মিলিয়ে যাওয়া গ্রামের পথ।

এই টান কোনো যুক্তির ধার ধারে না।
যে দেশ তাকে কিছুই দিতে পারেনি—
না নিরাপত্তা, না কাজ, না সম্মানের নিশ্চয়তা;
যে দেশ তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছিল পরদেশের রাস্তায়—
মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে গেলে
মানুষ অবুঝের মতো সেই দেশের জন্যই কাঁদে।

আমরা কত টাকা খরচ করি আরাম কিনতে।
স্প্রিংয়ের নরম তোশক, সেন্ট্রাল হিটিং, নিখুঁত শীতাতপ।
তবু বুকের কোথাও একটা তীব্র খরা থেকে যায়।
মনে হয়—একটিবার যদি খালি পায়ে
সেই ভাঙা ঘাটের সিঁড়িতে বসা যেত,
যদি একটিবার সেই নদীর পলিমাটি মাখা জল দিয়ে ধুয়ে নেওয়া যেত
এই দীর্ঘ নির্বাসনের সমস্ত ক্লান্তি!

শেকড় কখনো চিৎকার করে না।
সে কেবল গোপনে ভেতরের মানুষকে টানতে থাকে পেছনের দিকে।
মানুষ যত দূরে যায়,
টান তত তীব্র হয়।
আমরা উড়াল দিই ডানায় আকাশ মেপে,
ভাবি কত দূর চলে এসেছি;
অথচ শেষ নিঃশ্বাস নেওয়ার আগে প্রতিটি মানুষ
নিজের অজান্তেই
জন্মের সেই প্রথম ধুলোটুকুর জন্যই হাত বাড়িয়ে দেয়।

শেকড়ের টান

Where the mind is without fear and the head is held high
Where knowledge is free
Where the world has not been broken up into fragments
By narrow domestic walls
Where words come out from the depth of truth
Where tireless striving stretches its arms towards perfection
Where the clear stream of reason has not lost its way
Into the dreary desert sand of dead habit
Where the mind is led forward by thee
Into ever-widening thought and action
Into that heaven of freedom, my Father, let my country awake.

-------------------------------------------------------

চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির,
জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর
আপন প্রাঙ্গণতলে দিবসশর্বরী
বসুধারে রাখে নাই খন্ড ক্ষুদ্র করি,
যেথা বাক্য হৃদয়ের উৎসমুখ হতে
উচ্ছ্বসিয়া উঠে, যেথা নির্বারিত স্রোতে
দেশে দেশে দিশে দিশে কর্মধারা ধায়
অজস্র সহস্রবিধ চরিতার্থতায়–
যেথা তুচ্ছ আচারের মরুবালুরাশি
বিচারের স্রোতঃপথ ফেলে নাই গ্রাসি,
পৌরুষেরে করে নি শতধা; নিত্য যেথা
তুমি সর্ব কর্ম চিন্তা আনন্দের নেতা–
নিজ হস্তে নির্দয় আঘাত করি, পিতঃ,
ভারতেরে সেই স্বর্গে করো জাগরিত।

Where The Mind Is Without Fear (চিত্ত যেথা ভয়শূন্য)

“Hope” is the thing with feathers -
That perches in the soul -
And sings the tune without the words -
And never stops - at all -

And sweetest - in the Gale - is heard -
And sore must be the storm -
That could abash the little Bird
That kept so many warm -

I’ve heard it in the chillest land -
And on the strangest Sea -
Yet - never - in Extremity,
It asked a crumb - of me.

-----------------------------------------

“আশা”—পালকওয়ালা এক পাখি,
যে এসে বসে আত্মার গভীরে—
শব্দহীন এক সুর গায় সে,
আর থামে না—
কখনোই না।

আর ঝড় যত প্রবল হয়,
তার গান তত মধুর হয়ে ওঠে—
কী ভয়ংকর হতে হবে সেই ঝড়কে,
যে ক্ষুদ্র পাখিটিকে ভেঙে দিতে পারে,
যে পাখি তার উষ্ণতায়
এত মানুষকে বাঁচিয়ে রেখেছে!

আমি তাকে শুনেছি
সবচেয়ে শীতল ভূমিতেও,
শুনেছি অচেনা এক সমুদ্রের বুকে—
তবু জীবনের চরম দুর্দিনেও
সে কখনো আমার কাছে
চায়নি একটুকরো রুটিও।

আশা শুধু গান গেয়েছে—
আর আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে।


Copyright Credit: Emily Dickinson, "'Hope' is the thing with feathers - " (314) from The Poems of Emily Dickinson: Reading Edition, edited by Ralph W. Franklin, Ralph W. Franklin, ed., Cambridge, Mass: The Belknap Press of Harvard University Press, Copyright © 1998, 1999 by the President and Fellows of Harvard College. Copyright © 1951, 1955 by the President and Fellows of Harvard College. Copyright © renewed 1979, 1983 by the President and Fellows of Harvard College. Copyright © 1914, 1918, 1919, 1924, 1929, 1930, 1932, 1935, 1937, 1942 by Martha Dickinson Bianchi. Copyright © 1952, 1957, 1958, 1963, 1965 by Mary L. Hampson. Used by permission. All rights reserved.

Public domain.
Source: The Poems of Emily Dickinson Edited by R. W. Franklin (The Belknap Press of Harvard University Press, 1999)

Hope' is the thing with feathers (আশা)

Two roads diverged in a yellow wood,
And sorry I could not travel both
And be one traveler, long I stood
And looked down one as far as I could
To where it bent in the undergrowth;

Then took the other, as just as fair,
And having perhaps the better claim,
Because it was grassy and wanted wear;
Though as for that the passing there
Had worn them really about the same,

And both that morning equally lay
In leaves no step had trodden black.
Oh, I kept the first for another day!
Yet knowing how way leads on to way,
I doubted if I should ever come back.

I shall be telling this with a sigh
Somewhere ages and ages hence:
Two roads diverged in a wood, and I—
I took the one less traveled by,
And that has made all the difference.

---------------------------------------------------

হলুদ পাতার বনের মাঝে
দুটি পথ এসে গেছে আলাদা হয়ে,
আক্ষেপ হয়—
একজন পথিক হয়ে দুটো পথ
একসঙ্গে তো আর চলা যায় না।

অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলাম,
একটি পথের দিকে যতদূর সম্ভব তাকিয়ে দেখলাম—
যেখানে পথটি বাঁক নিয়ে
ঝোপঝাড়ের আড়ালে হারিয়ে গেছে।

তারপর অন্য পথটি নিলাম,
সেটিও কম সুন্দর নয়;
হয়তো তার দাবিটাই ছিল একটু বেশি—
ঘাসে ঢাকা,
পদচিহ্নের অপেক্ষায়।

যদিও সত্যি বলতে কী,
যত মানুষ হেঁটেছে
দুটো পথের ওপরই,
তাতে তাদের ব্যবধান
প্রায় মুছে গেছে।

সেদিন সকালে দুটো পথই
সমানভাবে পড়ে ছিল সামনে,
ঝরে-পড়া পাতায় ঢাকা—
কোনো পদচিহ্ন তখনও
পাতাগুলোকে কালো করে দেয়নি।

আহা, প্রথম পথটি
অন্য কোনো দিনের জন্য রেখে দিলাম!

তবু জানতাম—
এক পথ আরেক পথের জন্ম দেয়,
পথ একবার সামনে এগিয়ে গেলে
ফিরে আসা কত কঠিন।

তাই মনে মনে সন্দেহ ছিল—
আমি কি কোনোদিন
আবার এখানে ফিরে আসতে পারব?

হয়তো বহু বছর পরে,
কোনো এক দূর ভবিষ্যতে
দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলব—

এক বনের ভেতর
দুটি পথ আলাদা হয়ে গিয়েছিল,
আর আমি—

আমি সেই পথটিই বেছে নিয়েছিলাম
যে পথে মানুষ কম হেঁটেছে,

আর সেই একটি সিদ্ধান্তই
আমার জীবনের সবকিছু
বদলে দিয়েছিল।


Copyright Credit: n/a

The Road Not Taken (যে পথটি নেওয়া হয়নি)

বাছাইকৃত কবিতা

সাম্প্রতিক সংযোজন

শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
রাধা-কৃষ্ণ কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 4764
চোখের নেশার ভালবাসা অবিনব মোঃ আবু তালেব 1790
পল্লী স্মৃতি পল্লী সুফিয়া কামাল 1728
চোখের কাজল কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1648
তবে কেন আমি অপরাধী অবিনব মোঃ আবু তালেব 1640
তোকে নিয়ে… এলোমেলো তোকে নিয়ে হাবীব কাশফি 1588
কর্মফল চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1579
নবী দ্বীনের রাসুল অন্তরে ইসলাম মোঃ আবু তালেব 1535
রমণী চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1500
চাঁদবদনী অবিনব মোঃ আবু তালেব 1487
জন্মান্তর অবিনব মোঃ আবু তালেব 1474
পার্থক্য চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1469
তোমাকে ভালোবেসে তোমাকে ভালোবেসে জীবনানন্দ দাশ 1443
ঘুঙুরটা আজ বাজুক জোরে অবিনব মোঃ আবু তালেব 1432
জরুরী বিষয় অন্তরে ইসলাম মোঃ আবু তালেব 1432
করিব আজ রঙ্গ লীলা কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1424
অবিলাষ চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1421
রাধা প্রেমের প্রেমিক কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1405
শ্যাম তোমারে ভালবেসে কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1397
 সুপ্ত-প্রিয়া অবিনব মোঃ আবু তালেব 1395
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
টাকার চাকা প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 12
শেকড়ের টান প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 12
Where The Mind Is Without Fear (চিত্ত যেথা ভয়শূন্য) গীতাঞ্জলি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 14
Hope' is the thing with feathers (আশা) Hope is the thing with feathers Emily Dickinson 14
The Road Not Taken (যে পথটি নেওয়া হয়নি) The Road Not Taken Robert Frost 12
Desiderata (জীবনের জন্য কিছু কথা) Words for Life Max Ehrmann 16
Still I Rise (তবুও আমি উঠব) Still I Rise Maya Angelou 14
If (যদি) if Rudyard Kipling 12
Invictus (অপরাজেয়) Invictus William Ernest Henley 12
বিদ্রোহী অগ্নীবীনা কাজী নজরুল ইসলাম 11
ভিসার কাগজে বন্দি জীবন প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 12
পাসপোর্টে ভেজা মানচিত্র প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 11
অচিনপুরে জমানো কান্না প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 43
ভিডিও কলের মনখারাপ প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 24
এয়ারপোর্টের কাচের দেয়াল প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 26
প্রবাসীর ঘামে ভেজা নোট প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 22
বিদেশের ঘরে মায়ের গন্ধ প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 21
জন্মভূমি প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 34
নদী শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 16
দুঃসময় শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 9
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
নাফা নাফা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 50
শালা শালা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 54
অথচঃ কেউ জানেনা। অথচঃ কেউ জানেনা। মেহেদী হাসান আইয়ুশ 39
দীর্ঘশ্বাস দীর্ঘশ্বাস মেহেদী হাসান আইয়ুশ 45
তোমার নেশা তোমার নেশা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 47
ভালোবাসার বিদ্যে.. ভালোবাসার বিদ্যে.. মেহেদী হাসান আইয়ুশ 47
একটা তুমি হোক তুমি মেহেদী হাসান আইয়ুশ 34
মেয়ে, আমার সাথে সমুদ্রে যাবে? সমুদ্র মেহেদী হাসান আইয়ুশ 37
অর্জন অর্জন মেহেদী হাসান আইয়ুশ 44
অভিমান অভিমান মেহেদী হাসান আইয়ুশ 47
ঋণ ঋণ মেহেদী হাসান আইয়ুশ 57
মৃত্যুর পরও তুমি মৃত্যুর পরও তুমি মেহেদী হাসান আইয়ুশ 40
অনুভূতির স্পর্শ স্পর্শ মেহেদী হাসান আইয়ুশ 44
লিখিত, অলিখিত ঋণ লিখিত, অলিখিত ঋণ মেহেদী হাসান আইয়ুশ 39
অশ্রু অশ্রু মেহেদী হাসান আইয়ুশ 55
কাটাবিহীন ঘড়ি কাটাবিহীন ঘড়ি মেহেদী হাসান আইয়ুশ 44
স্টেজ ফোর স্টেজ ফোর মেহেদী হাসান আইয়ুশ 45
তবুও তুমি আছো তবুও তুমি আছো মেহেদী হাসান আইয়ুশ 39
মুগ্ধ বিষন্নতা মুগ্ধ বিষন্নতা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 47
ভুলে যাবো ভুলে যাবো মেহেদী হাসান আইয়ুশ 60
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ< কবি পঠিত হয়েছে
No poem found