কবি ও কাব্য — বাংলা কবিতার অনলাইন সংগ্রহশালা

হাসান বলছি,
মনিষা শুনছো?
আমি চলে আসছি এক নক্ষত্রের রাতে
হাজার মাইলের পথ অতিক্রম করে অনেক দূরে।
সৌন্দর্যের খোঁজ পেয়েছি বহুবার।
পৃথিবীর রূপ দেখে দেখে আমি ক্লান্ত,
আজকাল তোমায় খুব মনে পড়ে,
আমায় কি সহৃদয়ে একবারও মনে পড়ে তোমার?
জানি এ উড়ো চিঠির উত্তর পাবো না,
তবু লিখে যাই,

মনে আছে তোমার?
সেদিনের আমাকে বলা তোমার শেষ লাইনগুলো,
" হাসান সাহেব,আমি আপনাকে যেতে দিবো না,
কক্ষনো না,কক্ষনো না, সারাজীবন আমার সাথে থাকতে হবে"
আমি বলেছিলাম,
" ছায়ময়, মায়াময় পৃথিবীটা অনেক চমৎকার ও গভীর বিষ্ময়কর,
অনেক কাজ করতে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ
মৃত্যুর আগে বহুকাজে বহুদূর যেতে হবে"

তোমার লাইনগুলো আমার কানে টিংটং শব্দ করে প্রতিনিয়ত, তোমার মনের রূপের কাছে পৃথিবীর সব রুপ এখন বিষন্ন মনে হয়,
আমার চর্মচক্ষুতে দেখা,
তোমার মতো জ্ঞানী, বিচক্ষণ, বুদ্ধিমতি মেয়ে আমি দেখিনি।
তোমার রুচিশীল সংলাপগুলো,পরিবারের প্রতি দায়িত্ব ও ভালোবাসা, দুঃখকে গাছের মতো বরণ করে নেওয়া এ এক শক্তিশালী চরিত্র।

তোমার শক্তিশালী চরিত্রের কাছে আমি আজ পরাজিত সৈনিক,
তোমার স্বরণে হৃৎপিণ্ড ছুঁয়ে যায়,
মনের গহীনে উথাল-পাতাল সবকিছু,
তোমারো কি এমন হয়?
নাকি সংসার ধর্ম পালন করতে ব্যস্ত,
নাকি হাসান চরিত্রটা রাতে দেখা স্বপ্নের মতো ভুলে গেছো?
আজ বড্ড জানতে ইচ্ছে করছে।
সহৃদয়ে স্বরণ হচ্ছে খুব,
দুলাভাই, আপু,মুবিন, রঞ্জু,ভাবী এনারা কেমন আছেন?
এখনও কি ঝগড়ার সিচুয়েশন ডিমান্ড করে দুলাভাইয়ের?
নাকি আশ্রম নিয়ে বড়ই ব্যস্ত দিন যাচ্ছে?
পলিনের হাসান মামা ডাকটা খুব মনে পড়ে,
পাতার বাঁশি আর বাঁজাতে ইচ্ছে করে না।
রঞ্জু ভাই কি এখনো মাঝে মাঝে কবিতা লেখে?
আজ বড্ড জানতে ইচ্ছে করছে।

আমি এখন কল্পনায় ছুটে চলি তোমাদের সুখগৃহটায়,
তোমাদের সমৃদ্ধ চরিত্রে ভরা পরিবারের
সুখ সংলাপগুলো, মাঝে মাঝে আওড়াই মনের ভিতর,
আহ, কি সুখ! বলতে পারছি না শব্দ সীমাবদ্ধতায়,
গম্ভীর হয়ে আমার উদ্দেশ্যে বলা তোমার সংলাপগুলো, মনে হলে খুব করে হাসি।
আবার মুহূর্তেই মন খারাপ হয়ে যায়,
যখন দেখি অনেক সময় পরে অনেক দূরে আমি।

কল্পনা করি,হয়তো আবার একদিন দেখা হবে
শিমুল গাছের নিচে,
একটা শিমুল ফুল তোমার কানে গুঁজে দিয়ে,
আমরা চলে যাবো নক্ষত্রের রাতে
বনে,পাহাড়ে,সাগরে পার্কে,
যেথায় জমা আছে পৃথিবীর সমস্থ বিষ্ময়।

হাসান বলছি

রাত্রি নামে ধীরে, পৃথিবীর পুরোনো ক্লান্তি খুলে যাচ্ছে আলোহীন পাপড়িতে।
আকাশের নিচে নেমে আসে এক অদৃশ্য গন্ধ, স্মৃতিরা নিজেদের হারিয়ে ফেলে।
কোনো মুখ নয়, কেবল এক অনির্দিষ্ট কোমলতা ভেসে বেড়ায় বাতাসে,
যেন কারও অপ্রকাশিত নামের প্রতিধ্বনি।

নদী ঘুমায়, তবু জলের নিচে নড়ে ওঠে অস্থির চাঁদের দেহ।
একটি পাখি হঠাৎ উড়ে যায় অন্ধকারের ভেতর,
তার ডানায় লেগে থাকা রক্তচিহ্ন ভালোবাসার প্রাচীন শপথ।
সবকিছু এত নিস্তব্ধ, সময় নিজেই থেমে গেছে ভুলে যাওয়া হৃদয়ের পাশে।

কেউ বলে, প্রেম নাকি আলোর ভাষা,
কিন্তু এই নৈঃশব্দে আলোর চেয়ে গভীর এক অন্ধকার রয়েছে,
যেখানে ছায়ারা পরস্পরের চোখে আলো খুঁজে নেয়।
মাটির গন্ধ, ঘাসের নিঃশ্বাস, জোছনার কুয়াশা—সব মিলেমিশে যায় এক সত্তায়,
পৃথিবী এক মুহূর্তের জন্য নিজের ভিতর প্রেমের অর্থ খুঁজে পায়।

এই নিস্তব্ধ নীলতার মধ্যে, সব নাম মুছে যায় ধীরে ধীরে,
শুধু থেকে যায় এক অজানা আহ্বান,
যা কারও নয়, তবু সকলের হৃদয়ে বাজে।

নীল নিঃশব্দের ভেতর

(নিজেকে আবিষ্কার)

ছোটবেলায় ভাবতাম,
আমার সঙ্গে আরেকটা শিশু হাঁটে।

আমি দৌড়ালে সে দৌড়ায়।
আমি থেমে গেলে সে থামে।

রোদ যত উঁচুতে ওঠে,
সে তত ছোট হয়ে যায়।
বিকেল নামলে
দীর্ঘ হতে হতে
আমার আগেই পথ চলতে শুরু করে।

আমি তাকে কখনো ডাকিনি।
কোনো নাম দিইনি।
তবু সে ছিল
আমার জীবনের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সঙ্গী।

একদিন তাকে
পায়ের নিচে মাড়িয়ে হেঁটেছিলাম।
সে প্রতিবাদ করেনি।

একদিন নদীর জলে তাকিয়ে দেখলাম,
সে ভেঙে গেছে।
তবু কোথাও হারিয়ে যায়নি।

তখনো বুঝিনি —
ছায়া মানুষের পেছনে থাকে না।
সে মানুষের ভেতরে থাকে।

আমরা বড় হতে হতে
আলো চিনতে শিখি,
অন্ধকারকে এড়িয়ে চলতে শিখি।

কিন্তু কেউ শেখায় না —
মানুষের ভেতরের ছায়ারও
যত্ন নিতে হয়।

আমি বহু মানুষ দেখেছি,
যারা নিজের মুখ চেনে,
নিজের নাম চেনে,
নিজের সাফল্য চেনে —
কিন্তু নিজের ছায়াকে চেনে না।

তাই তারা
আলো পেলেই আনন্দিত হয়,
অন্ধকার এলেই ভেঙে পড়ে।

যে মানুষ
নিজের ছায়ার সঙ্গে পরিচিত নয়,
সে নিজের পূর্ণ পরিচয়ও জানে না।

আমার ছায়া জানে —
কোন কথাগুলো আমি বলতে পারিনি,
কোন ভালোবাসার সামনে দাঁড়িয়ে
ফিরে এসেছি,
কোন অপমানের পরে
একা কেঁদেছি,
কোন রাতে ঘুম না এসে
শুধু ছাদের দিকে তাকিয়ে ছিলাম।

মানুষের সবচেয়ে নির্ভুল ইতিহাস
তার স্মৃতিতে লেখা থাকে না।
লেখা থাকে তার ছায়ায়।

কারণ স্মৃতি ভুল করতে পারে।
ছায়া করে না।

একদিন দুপুরে
রাস্তায় হাঁটছিলাম।
সূর্য ঠিক মাথার ওপর।

চারদিকে তাকিয়ে দেখলাম,
আমার ছায়া প্রায় নেই।

হঠাৎ ভয় পেলাম।
এক মুহূর্তের জন্য মনে হলো —
আমি কি নিজেকেও
হারিয়ে ফেলেছি?

সেদিন প্রথম বুঝলাম,
মানুষের জীবনে এমন সময়ও আসে,
যখন তার ছায়া চোখে পড়ে না।

তাই বলে সে হারিয়ে যায় না।
সে শুধু অপেক্ষা করে —
একটু কোমল আলোর।

আমরা সবাই আলো চাই।
কিন্তু কেউ ছায়া হতে চায় না।

অথচ পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর বিশ্রাম
গাছের ছায়াতেই পাওয়া যায়।
সবচেয়ে দীর্ঘ যাত্রার শেষে
মানুষ ছায়াই খোঁজে।

তাহলে নিজের ভেতরের ছায়াকে
এত ভয় কেন?

আমি এখন আর
ছায়াকে অনুসরণ করি না।
আমি তাকে পাশে নিয়ে হাঁটি।
কারণ —
যে মানুষ নিজের অন্ধকারকে অস্বীকার করে,
সে কখনো নিজের আলোও
সম্পূর্ণ চিনতে পারে না।

আজ বিকেলে আবার রোদ নেমেছিল।
আমি রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে ছিলাম।
আমার ছায়া চুপচাপ
আমার পাশে এসে দাঁড়াল।
আমরা কেউ কারও সঙ্গে
কথা বলিনি।
কিছু সম্পর্কের জন্য
ভাষা লাগে না।
শুধু পাশাপাশি হাঁটা লাগে।

হয়তো মানুষ
জন্মের দিন থেকেই একা নয়।
সে সারাজীবন
নিজের ছায়ার সঙ্গে পথ চলে।

শেষ বিকেলের আলো
যখন ধীরে ধীরে
পৃথিবী থেকে সরে যাবে,
সবাই চলে যাবে,
সব পরিচয় খুলে পড়বে —

তখনো হয়তো
আমার সঙ্গে শেষ পর্যন্ত থাকবে
একজন নীরব সহযাত্রী,
যে কোনোদিন আমার আগে হাঁটেনি,
কোনোদিন আমার বিরুদ্ধে যায়নি —

শুধু নিঃশব্দে
মনে করিয়ে দিয়েছে,
মানুষ আলো দিয়ে নয় —
আলো আর ছায়া,
দুটো মিলিয়েই সম্পূর্ণ হয়।

আমার ছায়া

(নিজেকে আবিষ্কার)

প্রথম কবে আয়নায় নিজেকে দেখেছিলাম,
মনে নেই।

হয়তো খুব ছোট ছিলাম।
কেউ আমাকে কোলে নিয়ে
আয়নার সামনে দাঁড় করিয়েছিল।
আমি ভেবেছিলাম,
ওপাশে আরেকটা শিশু দাঁড়িয়ে আছে।
আমি হাত বাড়ালাম,
সেও হাত বাড়াল।
আমি হাসলাম,
সেও হাসল।

অনেক দিন পরে বুঝলাম —
আয়না কখনো
অন্য কাউকে দেখায় না।
তবু সারাজীবন
আমরা আয়নার ভেতর
অন্য একজন মানুষকেই খুঁজি।

শৈশবে আয়না ছিল খেলনা।
কৈশোরে সে হয়ে উঠল বিচারক।
যৌবনে সাক্ষী।
আর বয়স বাড়তে বাড়তে একদিন —
নীরব ইতিহাস।

আমি প্রতিদিন আয়নার সামনে দাঁড়াই।
দাড়ি কাটি।
চুল আঁচড়াই।
মুখ ধুই।
কিন্তু খুব কম দিনই
নিজেকে দেখি।

আমি দেখি একটা মুখ।
আর মুখ কখনো মানুষ নয়।
মুখ হলো মানুষের দৃশ্যমান বাহ্যিক খোলস।

ভেতরে যে থাকে,
সে আয়নায় ধরা পড়ে না।

একদিন দীর্ঘক্ষণ
নিজের চোখের দিকে তাকিয়ে ছিলাম।
অদ্ভুত এক অস্বস্তি জন্ম নিল।
মনে হলো,
আমার চোখের ভেতর
কেউ একজন আমাকে দেখছে।
আমি তাকে চিনি না।
সে আমাকে অনেক দিন ধরে চেনে!
সে জানে
আমি কোথায় মিথ্যা বলেছি,
কোথায় ভয় পেয়েছি,
কোথায় ভালোবাসতে গিয়ে
পিছিয়ে এসেছি,
কোথায় কাঁদতে চেয়েও
বাধ্য হয়ে হেসেছি।
সে সব জানে।
কারণ সে আমার মুখ নয়,
সে আমার জীবন।

মানুষের সবচেয়ে বড় একাকীত্ব
হয়তো তখনই শুরু হয়,
যখন সে বোঝে —
তার পরিচয় আর তার প্রতিচ্ছবি
এক জিনিস নয়।

একদিন বাবা বলেছিলেন,
"মানুষের মুখ দেখে
মানুষ চিনিস না।"
তখন বুঝিনি,
আজ বুঝি —
সেই কথা
আয়নার জন্যও সত্য।
আয়না আমাকে
আমার চেহারা দেয়,
আমার চরিত্র নয়।
আমার বয়স দেখায়,
আমার সময় নয়।
আমার চোখ দেখায়,
আমার দেখা স্বপ্নগুলো নয়।

আমরা প্রতিদিন
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে
নিজেদের ঠিক করি।
কিন্তু ক'জন মানুষ
নিজের ভেতরের মানুষটাকে ঠিক করতে
এক মুহূর্ত দাঁড়ায়?
পৃথিবীতে এত সুন্দর মুখ —
তবু এত ক্লান্ত জীবন।

আমি মাঝে মাঝে
আয়না ঢেকে রাখি।
দেখতে চাই,
না দেখে আমি নিজেকে
কতটা চিনতে পারি!

সেই দিনগুলোতে বুঝি —
মানুষ নিজের মুখের ওপর যতটা নির্ভর করে,
তার চেয়ে বেশি নির্ভর করে
অন্যের চোখের ওপর।
আমরা আয়নায় নিজেকে দেখি না,
আমরা দেখতে চাই —
পৃথিবী আমাদের কীভাবে দেখে।

কিন্তু গভীর রাতে,
সব আলো নিভে গেলে,
সব পরিচয় খুলে গেলে,
সব অভিনয় ক্লান্ত হয়ে পড়লে —
একজন মানুষ নিঃশব্দে এসে
আমার পাশে দাঁড়ায়:
তার কোনো নাম নেই।
কোনো পদবি নেই।
কোনো মুখোশ নেই।
সে শুধু আমার দিকে তাকিয়ে থাকে,
আমি দেখি শুধু তার চোখ!
কারণ সে আয়নার ভেতরের মানুষ নয়,
সে আমার ভেতরের আয়না।

সেদিন প্রথম বুঝলাম —
আয়না কখনো কাচে ঝোলে না,
আয়না ঝোলে মানুষের বিবেকে।

আর যে মানুষ একদিন
নিজের ভেতরের সেই আয়নার সামনে
দাঁড়াতে পারে —
তার জন্য পৃথিবীর কোনো বিচারক লাগে না।

আয়নার ভেতরের মানুষ

বাছাইকৃত কবিতা

তোমাকেই বলছি হে ভারত! - ফেরদাউস সরকার

- ফেরদাউস সরকার

যদি তুমি ভাবো
মোরা হেরে যাবো
থুরা ভয় পাবো
কিবা ছেড়ে যাবো এ যমিন।

তবে তুমি ভুলে
দেখো বই খুলে
আগ হয় ফুলে
তবু মোরা হইনি বিলীন।
বিস্তারিত...

হাসান বলছি

- আল আমিন ইসলাম

হাসান বলছি,
মনিষা শুনছো?
আমি চলে আসছি এক নক্ষত্রের রাতে
হাজার মাইলের পথ অতিক্রম করে অনেক দূরে।
সৌন্দর্যের খোঁজ পেয়েছি বহুবার।
পৃথিবীর রূপ দেখে দেখে আমি ক্লান্ত,
আজকাল তোমায় খুব মনে পড়ে,
আমায় কি সহৃদয়ে একবারও মনে পড়ে তোমার?
জানি এ উড়ো চিঠির উত্তর পাবো না,
তবু লিখে যাই,

মনে আছে তোমার?
সেদিনের আমাকে বলা তোমার শেষ লাইনগুলো,
" হাসান সাহেব,আমি আপনাকে যেতে দিবো না,
কক্ষনো না,কক্ষনো না, সারাজীবন আমার সাথে থাকতে হবে"
আমি বলেছিলাম,
" ছায়ময়, মায়াময় পৃথিবীটা অনেক চমৎকার ও গভীর বিষ্ময়কর,
অনেক কাজ করতে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ
মৃত্যুর আগে বহুকাজে বহুদূর যেতে হবে"

তোমার লাইনগুলো আমার কানে টিংটং শব্দ করে প্রতিনিয়ত, তোমার মনের রূপের কাছে পৃথিবীর সব রুপ এখন বিষন্ন মনে হয়,
আমার চর্মচক্ষুতে দেখা,
তোমার মতো জ্ঞানী, বিচক্ষণ, বুদ্ধিমতি মেয়ে আমি দেখিনি।
তোমার রুচিশীল সংলাপগুলো,পরিবারের প্রতি দায়িত্ব ও ভালোবাসা, দুঃখকে গাছের মতো বরণ করে নেওয়া এ এক শক্তিশালী চরিত্র।

তোমার শক্তিশালী চরিত্রের কাছে আমি আজ পরাজিত সৈনিক,
তোমার স্বরণে হৃৎপিণ্ড ছুঁয়ে যায়,
মনের গহীনে উথাল-পাতাল সবকিছু,
তোমারো কি এমন হয়?
নাকি সংসার ধর্ম পালন করতে ব্যস্ত,
নাকি হাসান চরিত্রটা রাতে দেখা স্বপ্নের মতো ভুলে গেছো?
আজ বড্ড জানতে ইচ্ছে করছে।
সহৃদয়ে স্বরণ হচ্ছে খুব,
দুলাভাই, আপু,মুবিন, রঞ্জু,ভাবী এনারা কেমন আছেন?
এখনও কি ঝগড়ার সিচুয়েশন ডিমান্ড করে দুলাভাইয়ের?
নাকি আশ্রম নিয়ে বড়ই ব্যস্ত দিন যাচ্ছে?
পলিনের হাসান মামা ডাকটা খুব মনে পড়ে,
পাতার বাঁশি আর বাঁজাতে ইচ্ছে করে না।
রঞ্জু ভাই কি এখনো মাঝে মাঝে কবিতা লেখে?
আজ বড্ড জানতে ইচ্ছে করছে।

আমি এখন কল্পনায় ছুটে চলি তোমাদের সুখগৃহটায়,
তোমাদের সমৃদ্ধ চরিত্রে ভরা পরিবারের
সুখ সংলাপগুলো, মাঝে মাঝে আওড়াই মনের ভিতর,
আহ, কি সুখ! বলতে পারছি না শব্দ সীমাবদ্ধতায়,
গম্ভীর হয়ে আমার উদ্দেশ্যে বলা তোমার সংলাপগুলো, মনে হলে খুব করে হাসি।
আবার মুহূর্তেই মন খারাপ হয়ে যায়,
যখন দেখি অনেক সময় পরে অনেক দূরে আমি।

কল্পনা করি,হয়তো আবার একদিন দেখা হবে
শিমুল গাছের নিচে,
একটা শিমুল ফুল তোমার কানে গুঁজে দিয়ে,
আমরা চলে যাবো নক্ষত্রের রাতে
বনে,পাহাড়ে,সাগরে পার্কে,
যেথায় জমা আছে পৃথিবীর সমস্থ বিষ্ময়।
বিস্তারিত...

সাম্প্রতিক সংযোজন

শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে
রাধা-কৃষ্ণ মোঃ আবু তালেব 4573
চোখের নেশার ভালবাসা মোঃ আবু তালেব 1650
পল্লী স্মৃতি সুফিয়া কামাল 1627
চোখের কাজল মোঃ আবু তালেব 1541
তবে কেন আমি অপরাধী মোঃ আবু তালেব 1540
তোকে নিয়ে… এলোমেলো হাবীব কাশফি 1464
মানুষ মোঃ আবু তালেব 1435
নবী দ্বীনের রাসুল মোঃ আবু তালেব 1429
রমণী মোঃ আবু তালেব 1402
পার্থক্য মোঃ আবু তালেব 1368
চাঁদবদনী মোঃ আবু তালেব 1366
জন্মান্তর মোঃ আবু তালেব 1359
ঘুঙুরটা আজ বাজুক জোরে মোঃ আবু তালেব 1331
জরুরী বিষয় মোঃ আবু তালেব 1329
করিব আজ রঙ্গ লীলা মোঃ আবু তালেব 1327
অবিলাষ মোঃ আবু তালেব 1324
তোমাকে ভালোবেসে জীবনানন্দ দাশ 1319
রাধা প্রেমের প্রেমিক মোঃ আবু তালেব 1298
 সুপ্ত-প্রিয়া মোঃ আবু তালেব 1298
শ্যাম তোমারে ভালবেসে মোঃ আবু তালেব 1288
শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে
আমার ছায়া মোঃ আবু তালেব 10
আয়নার ভেতরের মানুষ মোঃ আবু তালেব 22
প্রথম প্রশ্ন মোঃ আবু তালেব 20
প্রথম ভয় মোঃ আবু তালেব 25
প্রথম আকাশ মোঃ আবু তালেব 26
বাবার হাত মোঃ আবু তালেব 39
মায়ের চোখ মোঃ আবু তালেব 34
যে ভাষা ছিল না মোঃ আবু তালেব 32
প্রথম কান্না মোঃ আবু তালেব 53
জন্মের পূর্বে মোঃ আবু তালেব 59
নামহীন স্পন্দন মোঃ আবু তালেব 48
প্রথম অন্ধকার মোঃ আবু তালেব 49
মায়ের নীরবতা মোঃ আবু তালেব 57
পৃথিবীর আগে মোঃ আবু তালেব 66
তোমার প্রতি মোঃ আবু তালেব 72
জুলাইয়ের কংক্রিট ও নক্ষত্রের ইশতেহার মো: আবু তালেব 120
ভাঙা মাটির খেলা মো: আবু তালেব 129
মানচিত্রের কাটা দাগ মো: আবু তালেব 139
মহাজাগতিক ইশতেহার ও এক নশ্বরের চিৎকার মো: আবু তালেব 157
মৃণ্ময়ী মোঃ আবু তালেব 261
শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে
তোমাকেই বলছি হে ভারত! - ফেরদাউস সরকার ফেরদাউস সরকার 0
হাসান বলছি আল আমিন ইসলাম 0
নীল নিঃশব্দের ভেতর আল আমিন ইসলাম 8
চাঁদ হয়ে তুমি আসো মুহিববুল্লাহ আল মামুন 38
পানি লাগবে পানি ফেরদৌস রায়হান 79
মোরা বাংলাদেশী আজহারুল ইসলাম তালহা 118
কিংবদন্তির বাহন আজাহার রাজা 108
নিজের শত্রু নিজেই আজহারুল ইসলাম তালহা 107
ভালো মানুষ ইবনে আলী 209
দুনিয়া তো ক্ষণিকের ইবনে আলী 123
শিকল ইবনে আলী 184
পৃথিবীতে কেবল ক্ষুধাই সত্য আজাহার রাজা 195
নতুন দিনের পৃথিবী যে তোমার অপেক্ষায় ক্ষুদ্রলেখক মোঃ রাকিবুল হাসান 207
জাগরণের ডাক শাহ্ আলম আল মুজাহিদ 197
বসন্ত জয়দীপ রায় 220
বসন্ত হবো মানব মন্ডল 144
তাহাদের প্রতি শাহ্ আলম আল মুজাহিদ 277
জীবন ও বৃক্ষ শাহ্ আলম আল মুজাহিদ 252
মানবতা বনাম স্বার্থপরতা: এক যুদ্ধাহত পৃথিবীর আর্তনাদ! শাহ্ আলম আল মুজাহিদ 266
সোনার দেশ শাহ্ আলম আল মুজাহিদ 284
শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে