কবি ও কাব্য — বাংলা কবিতার অনলাইন সংগ্রহশালা

শহরের এই ব্যস্ত জ্যামিতিতে তুমি আমার একমাত্র অবাধ্য কবিতা।
অথচ, তোমাকে কোনোদিন বলা হয়নি।
বলা হয়নি বলেই—আমাদের আর প্রেম হয়ে ওঠেনি,
আমাদের কোনো যৌথ বিকেল কেনা হয়নি চন্দ্রিমা উদ্যানের চেনা কোনো বেঞ্চে।
তুমি যখন নীল শাড়ি পরে ট্রাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকতে,
আমার মনে হতো—পৃথিবীর সমস্ত সবুজ বাতি শুধু তোমার জন্যই জ্বলছে।
আমি দূর থেকে তোমার সেই হেঁটে যাওয়া দেখতাম,
আর বুকে চেপে রাখতাম এক মারাত্মক সংক্রামক নীরবতা।
সেই ভীরু নীরবতাই আজ আমাদের মাঝখানে এক দুর্ভেদ্য দেয়াল।
আমি কোনো ছন্দের মায়াজাল বুনে তোমাকে জড়াতে চাই না,
আমি শুধু বলতে এসেছি—আমার এই না বলা কথাগুলো ভীষণ সত্যি।
প্রেমহীন এই দীর্ঘ নির্বাসন আর ভালো লাগে না;
তুমি কি দেখতে পাচ্ছো না, আমার চোখের ভেতর লুকিয়ে থাকা এই তীব্র আরতি?
এই নাও, আমার সমস্ত গোপন অহংকার আর নীরবতার ইস্তফাপত্র—
আজ তোমার হাতের মুঠোয় সঁপে দিলাম।
এবার তুমি বাধ্য হবে,
খুব বাধ্য হয়ে এই কবিতার বুকে এসে আমার প্রেমে পড়বে।

না বলা কথা

১.
জীবন কোনো সম্পূর্ণ উত্তর নয়—
সে কেবল মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রেখে যাওয়া একটি অসমাপ্ত প্রশ্ন।

২.
আমরা যে পথে প্রতিদিন হেঁটে বাড়ি ফিরি,
সে পথ চেনে আমাদের পায়ের শব্দ, কিন্তু চেনে না ক্লান্তির গভীরতা।

৩.
মানুষ বদলায় না;
মানুষ কেবল সময়ের চাপে নিজের আসল মুখটা প্রকাশ করে ফেলে।

৪.
কিছু ভুল মানুষকে ধ্বংস করে দেয়,
আর কিছু ভুল না করলে মানুষ কোনোদিনই মানুষ হতে পারত না।

৫.
অভাব কেবল ভাতের থালায় থাকে না;
সবচেয়ে বড় অভাব হলো—এমন একজন থাকা, যাকে কোনো শর্ত ছাড়াই বিশ্বাস করা যায়।

৬.
আমরা ঘড়ি দেখে সময় মাপি,
অথচ জীবন ফুরিয়ে যায় অন্য কারো অপেক্ষায় বসে থেকে।

৭.
সব পাওয়ার পর মানুষ যে শূন্যতা অনুভব করে,
জীবনের সবচেয়ে বড় সত্যটা ঠিক সেখানেই লুকিয়ে থাকে।

জীবনের ছোট পঙক্তি

১.
পাথর ভেঙে রাস্তা বানানো সহজ এই দেশে,
কঠিন হলো মানুষের বুক থেকে একটা ভুল ধারণা সরানো।

২.
শহরের সব আলো জ্বলে উঠলে বোঝা যায় না—
কোন ঘরের জানালায় আজ রাতের ভাত ফুরিয়ে গেছে।

৩.
আমরা কত কিছু সঞ্চয় করে ভাবলাম জিতে গেছি,
অথচ আয়ু এসে প্রতিদিন নিঃশব্দে কিছুটা কেটে নিয়ে গেল।

৪.
যে মানুষটা সবচেয়ে বেশি হেসে কথা বলে সবার সাথে,
মধ্যরাতে তার একাকীত্বের ওজন সবচেয়ে বেশি হয়।

৫.
দরজা বন্ধ থাকলেই কোনো ঘর নিরাপদ হয় না,
ভেতরের ভয়টা মানুষ সবসময় নিজের সাথেই বয়ে নিয়ে বেড়ায়।

৬.
তোমাকে পাওয়ার চেয়েও বড় সত্যি হলো—
এই হিসেবি দুনিয়ায় নিঃস্বার্থভাবে কাউকে চাইতে পারা।

৭.
শব্দ দিয়ে মানুষ কত বড় বড় দুর্গ বানায়,
অথচ সত্যের সামনে দাঁড়ালে একটা দীর্ঘশ্বাসই যথেষ্ট।

৮.
শিকল চোখে দেখা গেলে তাকে ভাঙা যায়,
কিন্তু যে শিকল অভ্যাস হয়ে যায়—মানুষ তাকেই স্বাধীনতা বলে ভুল করে।

৯.
একটি পুরোনো চিঠির কাছে কোনো বর্তমান নেই,
অথচ তার প্রতিটি ভাঁজে দাঁড়িয়ে থাকে একজন জীবন্ত মানুষ।

১০.
আমরা মৃত্যুর চেয়েও বেশি ভয় পাই বেঁচে থাকার ক্লান্তিকে,
যেখানে প্রতিদিন একই মিথ্যার সামনে মাথা নোয়াতে হয়।

১১.
চোখের জল কোনো দুর্বলতা নয়—
সে কেবল জানিয়ে দেয়, পাথরের শহরে এখনো একজন মানুষ অবশিষ্ট আছে।

১২.
পাসপোর্টে লেখা থাকে দেশের সীমানা আর জাতের পরিচয়,
অথচ ক্ষুধার্ত মানুষের পাকস্থলী কোনো দেশের মানচিত্র চেনে না।

১৩.
তুমিও তো বদলে গেছো সময়ের নিয়মে নিখুঁতভাবে,
শুধু আমার স্মৃতিগুলো বদলাতে গিয়ে আজও থমকে দাঁড়িয়ে পড়ে।

১৪.
সবচেয়ে বড় একাকীত্ব জনশূন্য দ্বীপে নয়,
হাজার মানুষের ভিড়ে দাঁড়িয়ে যখন নিজের নামটাকেও অচেনা লাগে।

দুই লাইনের কবিতা

১.
ছবির মানুষটাকে দেখে বোঝা যায় না তার ভেতরের লড়াই,
ক্যামেরা কেবল আলো চেনে—ছায়ার খবর সে রাখে না।

২.
শহরটা রোজ বদলায়, মানুষও বদলায় নিয়ম করে;
কিছু স্মৃতি শুধু একগুঁয়ে হয়ে বুকের এক কোণে দাঁড়িয়ে থাকে।

৩.
সহজে যাকে পাওয়া যায়, তার কোনো গল্প থাকে না;
যে মানুষটা হারিয়ে গিয়েও বেঁচে থাকে, ক্ষতটা আসলে তারই বেশি।

৪.
মুখোশের এই মিছিলে যে নিজেকে যেমন খুশি দেখাক—
একলা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মানুষ আসলে কখনো মিথ্যা বলতে পারে না।

৫.
ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া খুব সহজ,
কঠিন হলো—নিজের নীরবতাটুকু কাউকে কোনোদিন বিক্রি না করা।

৬.
হাজারটা কথার ভিড়ে যে চোখ পড়ে নিতে পারে,
ভালোবাসার জন্য এই কঠিন দুনিয়ায় তার বেশি আর কিছুর প্রয়োজন হয় না।

৭.
সব যুদ্ধ তলোয়ার দিয়ে হয় না;
কিছু যুদ্ধ প্রতিদিন লড়তে হয়—নিজের দীর্ঘশ্বাসকে হাসি দিয়ে ঢেকে রেখে।

ক্যাপশন শায়েরী

১.
ডিজিটাল দুনিয়া জুড়ে কত আলোর ঝলকানি,
সবাই কেবল দেখাচ্ছে—কে কতটা সুখে আছে।
অথচ মধ্যরাতে স্ক্রিনটা নিভে গেলে বোঝা যায়,
মানুষ আসলে কতটা কাঙাল হয়ে কারও একটু স্পর্শ খোঁজে।

২.
শহরটা এখন খুব হিসেবি, খুব দ্রুত দৌড়ায়,
এখানে ভালোবাসা মানেও চুক্তি আর লাভের অঙ্ক।
তারই মাঝে তুমি এমন এক মানুষ—
যার কাছে গেলে আমি সব জেতার লোভ ভুলে যাই।

৩.
আমরা কত হাজার মানুষের ভিড়ে প্রতিদিন হাঁটি,
নোটিফিকেশনে ভেসে আসে শত ব্যস্ততার ডাক।
অথচ এই সমস্ত কোলাহলের পেছনে
তোমার একটা ছোট দীর্ঘশ্বাসও আমার বুকে এসে বাঁধে।

৪.
অ্যালগরিদম হয়তো জানে মানুষ কী কিনতে চায়,
কোন লিংকে ক্লিক করলে কী বিক্রি হবে সস্তায়।
কিন্তু চোখের কোন কোণে কতটুকু কান্না লুকিয়ে আছে—
তা বোঝার ক্ষমতা আজও কোনো যন্ত্রের হয়নি।

৫.
ভুল মানুষও সুন্দর কথা বলতে পারে,
ভালোবাসার সাজানো বিজ্ঞাপন সাজাতে পারে খুব সহজে।
কিন্তু যে মানুষটি বিপদের দিনে হাতটা ছাড়েনি,
প্রেম আসলে সেখানেই বেঁচে থাকে—খুব নীরবে, কোনো শব্দ না করে।

৬.
আজকের এই পৃথিবীতে মানুষ সবকিছু বদলাতে চায়—
ফোন, বাড়ি, পেশা, এমনকী সম্পর্কের মুখও।
এমন সময়ে একজনের হাত ধরে সারাজীবন হেঁটে যাওয়ার জেদটাই
বোধহয় সবচেয়ে বড় বিপ্লব।

৭.
নেটওয়ার্কের তারে পৃথিবী এখন সেকেন্ডে কথা বলে,
দূরত্ব কমেছে ঠিকই, কিন্তু মানুষ কাছে আসেনি।
হাজারটা ফ্রেন্ডলিস্টের ভিড়ে আজও এমন একজন মানুষ বিরল—
যার কাছে কোনো শর্ত ছাড়াই নিজের সমস্ত ভাঙচুর খুলে রাখা যায়।

.৮.
শহরের বাতাসে আজ ধুলো আর হিসেবের গন্ধ,
এখানে ভালোবাসা মানেও এক ধরনের বিনিয়োগ।
তার মাঝেই আমি তোমাকে এমনভাবে চেয়েছি—
যেখানে হারানোর কোনো ভয় নেই, জেতার কোনো অহংকার নেই।

৯.
লাইক আর কমেন্টের বন্যায় সবাই যখন নিজের মুখ সাজায়,
তখন অন্ধকার বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একটা একলা ছায়াই সত্যি।
তুমি সেই আলো—যা কোনো স্ক্রিনে জ্বলে না,
অথচ বুকের গভীরে জমতে থাকা সমস্ত আঁধার এক পলকে মুছে দেয়।

১০.
স্মার্টফোন শিখিয়েছে সবকিছু খুব সহজে রিপ্লেস করা যায়,
এক ক্লিকেই বদলে ফেলা যায় দৃশ্য আর মানুষ।
তবু কিছু চোখ থাকে, যার সামনে এসে দাঁড়ালে
যন্ত্রের এই দুনিয়াটাও হঠাৎ থমকে গিয়ে মানুষ হতে শেখে।

১১.
প্রেম তো কোনো ট্রেন্ডি রিলস কিংবা স্ট্যাটাস নয়—
যা চব্বিশ ঘণ্টা পরেই হারিয়ে যাবে অতলে।
প্রেম হলো ট্রাফিকের জ্যামে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফেরা মানুষটার কাছে
এক গ্লাস সাধারণ জলের মতো বিশ্বস্ত হয়ে থাকা।

১২.
পৃথিবী হয়তো আরও রোবোটিক হবে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ঢাকবে মন,
মানুষ ভুলতে বসবে কীভাবে নিজের বুক দিয়ে অন্যকে আগলাতে হয়।
সেদিনও যদি কেউ কারও জন্য নিঃশব্দে এক ফোঁটা জল ফেলে—
জেনে রেখো, ভালোবাসার সেই আদিম ব্যাকরণটাই জিতে যাবে।

প্রেমের শায়েরী ২০২৬

বাছাইকৃত কবিতা

সাম্প্রতিক সংযোজন

শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
রাধা-কৃষ্ণ কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 4754
চোখের নেশার ভালবাসা অবিনব মোঃ আবু তালেব 1778
পল্লী স্মৃতি পল্লী সুফিয়া কামাল 1717
চোখের কাজল কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1641
তবে কেন আমি অপরাধী অবিনব মোঃ আবু তালেব 1629
তোকে নিয়ে… এলোমেলো তোকে নিয়ে হাবীব কাশফি 1578
কর্মফল চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1571
নবী দ্বীনের রাসুল অন্তরে ইসলাম মোঃ আবু তালেব 1527
রমণী চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1492
চাঁদবদনী অবিনব মোঃ আবু তালেব 1478
জন্মান্তর অবিনব মোঃ আবু তালেব 1468
পার্থক্য চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1461
তোমাকে ভালোবেসে তোমাকে ভালোবেসে জীবনানন্দ দাশ 1437
জরুরী বিষয় অন্তরে ইসলাম মোঃ আবু তালেব 1424
ঘুঙুরটা আজ বাজুক জোরে অবিনব মোঃ আবু তালেব 1423
করিব আজ রঙ্গ লীলা কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1415
অবিলাষ চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1412
রাধা প্রেমের প্রেমিক কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1397
শ্যাম তোমারে ভালবেসে কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1388
 সুপ্ত-প্রিয়া অবিনব মোঃ আবু তালেব 1385
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
না বলা কথা শহর সমাচার মো: আবু তালেব 1
জীবনের ছোট পঙক্তি প্রেমের শায়েরী কবি ও কাব্য 10
দুই লাইনের কবিতা প্রেমের শায়েরী কবি ও কাব্য 8
ক্যাপশন শায়েরী প্রেমের শায়েরী কবি ও কাব্য 9
প্রেমের শায়েরী ২০২৬ প্রেমের শায়েরী কবি ও কাব্য 11
অচেনা দূরত্ব শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 12
নীরবতা শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 12
স্মৃতির খাতা শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 17
একাকী দুপুর শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 17
অশ্রুর জল শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 18
না-বলা ব্যথা শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 16
চোখের ভাষা শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 19
মায়াবী হাসি শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 21
প্রথম প্রেম শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 19
নীল আকাশ শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 21
মনের আঙিনা শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 20
আলতো ছোঁয়া শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 24
হাসির রেখায় আঁকা নিখুঁত গল্প প্রথম নিরবতা মোঃ আবু তালেব 31
আমার নিজের একটা সংসারের খুব শখ অবিনব মোঃ আবু তালেব 27
ছোট্ট জানপাখি অবিনব মোঃ আবু তালেব 18
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
নাফা নাফা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 39
শালা শালা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 41
অথচঃ কেউ জানেনা। অথচঃ কেউ জানেনা। মেহেদী হাসান আইয়ুশ 28
দীর্ঘশ্বাস দীর্ঘশ্বাস মেহেদী হাসান আইয়ুশ 36
তোমার নেশা তোমার নেশা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 36
ভালোবাসার বিদ্যে.. ভালোবাসার বিদ্যে.. মেহেদী হাসান আইয়ুশ 35
একটা তুমি হোক তুমি মেহেদী হাসান আইয়ুশ 27
মেয়ে, আমার সাথে সমুদ্রে যাবে? সমুদ্র মেহেদী হাসান আইয়ুশ 29
অর্জন অর্জন মেহেদী হাসান আইয়ুশ 36
অভিমান অভিমান মেহেদী হাসান আইয়ুশ 35
ঋণ ঋণ মেহেদী হাসান আইয়ুশ 48
মৃত্যুর পরও তুমি মৃত্যুর পরও তুমি মেহেদী হাসান আইয়ুশ 35
অনুভূতির স্পর্শ স্পর্শ মেহেদী হাসান আইয়ুশ 33
লিখিত, অলিখিত ঋণ লিখিত, অলিখিত ঋণ মেহেদী হাসান আইয়ুশ 33
অশ্রু অশ্রু মেহেদী হাসান আইয়ুশ 46
কাটাবিহীন ঘড়ি কাটাবিহীন ঘড়ি মেহেদী হাসান আইয়ুশ 40
স্টেজ ফোর স্টেজ ফোর মেহেদী হাসান আইয়ুশ 41
তবুও তুমি আছো তবুও তুমি আছো মেহেদী হাসান আইয়ুশ 30
মুগ্ধ বিষন্নতা মুগ্ধ বিষন্নতা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 39
ভুলে যাবো ভুলে যাবো মেহেদী হাসান আইয়ুশ 47
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ< কবি পঠিত হয়েছে
No poem found