কবি ও কাব্য — বাংলা কবিতার অনলাইন সংগ্রহশালা

১.
পুরোনো চাবিটা পকেটে,
যে দরজার তালা ছিল—
সে বাড়িটাই আর নেই।

২.
হাজিরা খাতায় সই,
মানুষটা প্রতিদিন ঘরে ফেরে
নিজের লাশ কাঁধে নিয়ে।

৩.
সাইরেন বাজিয়ে গেল গাড়ি,
রাস্তার ধুলোয় উড়ে গেল
ছেঁড়া প্রেসক্রিপশন।

৪.
উঁচু প্রাচীরের ওপারে উন্নয়ন,
ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা শিশুর
কোনো ছাদ নেই।

৫.
ভাঙা আয়নার সামনে
মুখোশটা খুলে রেখে
দাঁড়িয়ে এক অচেনা সত্তা।

৬.
বিজ্ঞাপনে আলোর ঝলকানি,
অন্ধকার একলা ঘরে
পড়ে রইল ঠান্ডা এক কাপ চা।

৭.
কবরের পাথরে শুধু তারিখ লেখা,
মাটির নিচে ঘুমিয়ে রইল
এক অসমাপ্ত বাক্য।

৮.
লোকাল বাসের লোহার হাতল,
হাজারো মানুষের ঘামে ভিজে
অদৃশ্য এক বন্দিশালা।

৯.
ওষুধের দোকানের কাউন্টারে
পকেটের টাকার কাছে হেরে গেল
বাবার বেঁচে থাকার বয়স।

১০.
পাশাপাশি দুটো বালিশ,
মাঝখানে শুয়ে আছে
অনন্ত এক মরুভূমি।

মোঃ আবু তালেব এর প্রথম হাইকো

ছিঃ….ছিঃ……..ছিঃ !
আমি এক আদর্শবান, বোকা সৎ মানুষের সন্তান।
এ আমার নিদারুণ নিখুঁত অপমান।
ছিঃ….ছিঃ……..ছিঃ !
আমি এক করুন কেরানির সন্তান।
পাওয়া না পাওয়ার মর্মান্তু বেদনায় উথলে উঠে সঞ্চিত অভিমান।
ওরে মন কেন নিলিনা কুকুর কুলে জন্ম কিংবা
কেন হলি না ঘুষখোর মহান বাবার সন্তান।
কুকুর হলে লাজ শরমের বালাই নাই,ভালো মন্দের
বিচার নাই। পেটের ক্ষুদা মিষ্টত সদা,যেথায় খুশি
সেথায় গেলে। হতাম যদি ঘুষখোরদের সন্তান,
গর্বিত বাবার লুন্ঠিত ধনে চাইবার আগেই সব হাজির
আমি পেতাম কত সম্মান।
আমাদের মানুসিকতা,আমাদের চরিত্র বড়ই বিচিত্র,
অসৎ লোক কে বানাই সমাজপতি,সৎ মানুষেরে করে
অপমান।
ছিঃ….ছিঃ……..ছিঃ !
আমি এ যুগের অচল মানুষের সন্তান।
নাহিদ আমার বাড়ির পাশে বাড়ি, মেলায় গিয়ে
ওর বাবা আনল কিনে রিমোট গাড়ি।
গাড়ি ত আর গাড়ি নয় ওযে আমার ঘুম করল চুরি
নাওয়া খাওয়া সব ভুলে আমি নাহিদের পিছে ঘুরি।
আদরের ছেলের জন্য মেলা হতে মাটির ঘোড়াও না
কিনতে পেরে অপারগতা গায়ে মেখে ফিরে ছিল বাবা বাড়ি।
বু…বু…বু…..শব্দ করে রিমোট গাড়ি খেলার ছিল শখ
খেলতে গিয়ে রিমোট গাড়ি ফিরেছি হয়ে চরম
অপমান,
ছিঃ….ছিঃ……..ছিঃ !
আমি কোরানির সন্তান।
মূল্যহীন আর্দশটা ভুলে গিয়ে বাবা আমার হত যদি
ঘুষখোর তবে কতই ভালো হত, অভাব ত দূরে থাক
বিলাসবহুল জীবন পাওয়া যেত।
অন্ধকারের সাথে কভু বাবা আমার করেনি আপোস
এটাই ছিল তার মস্তবড় ভুল,সে ভুলেই আজ কে আমরা গুণছি যে মাশুল। যদি না হতাম সত্যের
পুজারির সন্তান, ভব রঙ্গের খেলা ঘরে পদে-পদে এমন করে হতাম না অপমান,
ছিঃ….ছিঃ……..ছিঃ !
আমি গরীবের সন্তান।
দুঃভাগা বাবা কেমন আছ তুমি ? জানি না কোথায়
রেখেছে অন্তর্যামী। স্বর্গ থাকলে ভাল, নরকে থাকলেও
জানি কষ্ট হবার নয় কথা,তোমার ত আগেই আছে নরকের অভিজ্ঞতা।
মাও ছিল বাবার মতই বোকা চিরটাকাল সস্তা আবেগে দেশ কে ভালো বেসে গেল,
বিনিময়ে দু বেলা দুমুঠো ভাতও ঠিক মত না পেল।
এখন বয়েসের ভারে নুয়ে পড়েছে, শরীরে শত রোগের
বাসা,
তবুও তার তরে ভাবে না কিছু মেয়েদের ভালো ঘরে বিয়ে হবে, ছেলেটা একদিন মাথাতুলে দাঁড়াবে দিগন্তের উপর এটাই কেবল আশা।
বৃদ্ধা মায়ের আশার আমি রাখতে পারিনি মান
নিজের কাছে নিজেরই লাগে দারুণ অপমান,
ছিঃ….ছিঃ……..ছিঃ !
আমি এক বোকা মানুষের সন্তান।
এখন বেশকটা ডিগ্রি আমার কাছে,ঘুরে মরছি চাকরির পিছে পিছে ! শিমূলতুলীর তানি,হ্যা ওকেই
করেছি মনের রাণী।চাকরি হলে আনব ওরে ঘরে,
এমন কথাই বলেছি বারে বারে।
মামা নাই,খালু নাই,ঘুষ দিয়ে চাকরি নেবার অবস্থা ত কোন কালেই নাই,থাকলেও নিতাম না কথা আমার সোজা,
একটার পর একটা ভাইবা দিয়েও মিলেনি সে সোনার হরিণ
অতঃপর,
আমি হয়ে গেলাম এই সমাজের বোঝা ।
বেকার সনদ গুলো তাই আগুনে পুড়ালাম আজ নিয়ে
ভীষম অভিমান,
ছিঃ….ছিঃ……..ছিঃ !
আমি কোরানির সন্তান।
তানি এখন ব্যর্থ জীবনের কেবলই অতীত স্মৃতি, সানাইয়ের করুণ সুরে সুরে আমার জীবন হতে চিরতরে তানিয়ার হয়ে ইতি।
বৃদ্ধা মাতা ছোট দুটি বোন এখন আমার কাঁধে,
সংসার নামক চাকা টা আটকে আছে অভাব
নামের ফাঁদে।
কে আছ এমন মহান ঘুষখোর আমায় সন্তানের
স্বীকৃতি দিয়ে করবে মহিয়ান,
মহানন্দে গাইব আমি এমন বাবার জয়ী গান।
আমি আমার পরিচয় লিখতে চাই নতুন করে,
এ অপমানের পরিচয় ভুলে যেতে চাই চিরতরে।
দুর্নীতিগ্রস্ত আছেন কেউ আমায় দেবেন সন্তানের স্বীকৃতি দান ?
বন্চিত বুকে কেবলই জেগে উঠে সন্চিত অভিমান
ছিঃ….ছিঃ……..ছিঃ !
আমি এক বোকা সৎ মানুষের সন্তান।
বড় বোন হাসনার বিয়েতে নিরুপায় হয়ে বাবা
রহিম শেখের কাছে বাড়ি বিটে বন্ধক দিয়ে এনেছিল টাকা,
চক্রবৃদ্ধি হারে বেড়ে এখন নাকি তা বহুগুণ,মাঝে মধ্যেই রহিম শেখের ভয়াল হুংকার হয় টাকা নয় বাড়ি কর ফাঁকা।
একদিন সেটাই সত্যি হল !! বুকে ব্যথা চোখের কোণে অশ্রু ছলছল,
শতস্মৃতি বিজড়িত বসটবিটা খানি অবশেষে হয়ে গেল বেদখল।
সৎ মানুষের সন্তান হবার পেলাম চূড়ান্ত
উপহার !!!
অবশেষে এ নিখিল বিশ্বের মালিক হল আমার পরিবার।

পুনরুক্ত:
বঞ্চিত বুকের সঞ্চিত ব্যথার পাহাড়ে দাড়িয়ে আবোল তাবোল এ পঙ্ ক্তিমালায়,বাবা ক্ষমা করো আমায়। প্রকৃত অর্থে ঐ গুলো কেবলই আপন মনের অভিমান,সব হারিয়েও বাবা তোমার তরে কোন অনুযোগ নাই। কেউ না জানুক, না মানুক সে আমার আমি জানি,মানি এ ধূলির ধরায় তুমি মূর্তমান আর্দশ, আমার অহংকার। জীবন যুদ্ধে তোমার সে শিক্ষা কে বুকের গহীণে ধারণ করে আজো আমার এ পথচলা “ ভেঙ্গে যাবো তবুও মস্কাব না “। তুমি নায়কের নায়ক, তুমিই আমার মহানায়ক বাবা। সদা সর্বদা বাবা তোমায় সালাম, তোমার শিক্ষা, তোমার সততা, তোমার আর্দশ আমার কাছে বাড়িয়েছে আমার মান,
পৃথিবীতে চিৎকার করে গর্ব নিয়ে জানিয়ে যাই আমি সৎ মানুষের সন্তান।

বিঃদ্রঃ
এ কবিতা কেবল এ সমাজের বাস্তবতা হতে,ব্যক্তি কবির জীবনের সাথে কোন মিল নেই।

লজ্জা

ভাবের পদাবলী

যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে!
অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুঁছবে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে।

ছবি আমার বুকে বেঁধে
পাগল হয়ে কেঁদে কেঁদে
ফিরবে মরু কানন গিরি,
সাগর আকাশ বাতাশ চিরি’
যেদিন আমায় খুঁজবে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে!

স্বপন ভেঙ্গে নিশুত রাতে, জাগবে হঠাৎ চমকে’
কাহার যেন চেনা ছোঁয়ায় উঠবে ও-বুক ছমকে’-
জাগবে হঠাৎ চমকে’!
ভাববে বুঝি আমিই এসে
বসনু বুকের কোলটি ঘেঁষে
ধরতে গিয়ে দেখবে যখন-
শুন্য শয্যা! মিথ্যা স্বপন!
বেদনাতে চোখ বুঁজবে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে!

গাইতে ব’সে কন্ঠ ছিঁড়ে আসবে যখন কান্না,
বলবে সবাই- “সেই যে পথিক তার শোনানো গান না?-”
আসবে ভেঙ্গে কান্না!

প’ড়বে মনে আমার সোহাগ,
কন্ঠে তোমার কাঁদবে বেহাগ!
পড়বে মনে আমার ফাঁকি
অশ্রু-হারা কঠিন আঁখি
ঘন ঘন মুছবে,
বুঝবে সেদিন বুঝবে!

আবার যেদিন শিউলী ফু’টে ভরবে তোমার অঙ্গন,
তুলতে সে-ফুল গাঁথতে মালা, কাঁপবে তোমার কঙ্কণ-
কাঁদবে কুটীর -অঙ্গন,
শিউলী ঢাকা মোর সমাধি
প’ড়বে মনে উঠবে কাঁদি’!
বুকের মালা ক’রবে জ্বালা,
চোখের জলে সেদিন বালা
মুখের হাসি ঘুচবে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে!

আসবে আবার আশিন হাওয়া, শিশির-ছেঁচা রাত্রি,
থাকবে সবাই- থাকবে না এই মরণ-পথের যাত্রী!
আসবে শিশির-রাত্রি!
থাকবে পাশে বন্ধু-স্বজন,
থাকবে রাত বাহুর বাধন,
বঁধুর বুকের পরশনে
আমার পরশ আনবে মনে-
বিষিয়ে ও-বুক উঠবে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে!

আসবে তোমার শীতের রাতি, আসবে না ক’ আর সে-
তোমার সুখে পড়ত বাঁধা থাকলে যে-জন পার্শ্বে,
আসবে না ক’ আর সে,
পড়বে মনে, মোর বাহুতে
মাথা থুয়ে যে-দিন শুতে,
মুখ ফিরিয়ে থাকতে ঘৃণায়!-
সেই স্মৃতি নিত এ-বিছানায়
কাঁটা হয়ে ফুটবে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে।

আবার গাঙে আসবে জোয়ার, দুলবে তরী রঙ্গে,
সেই তরীতে হয়তো কেহ থাকবে তোমার সঙ্গে-
দুলবে তরী রঙ্গে।
প’ড়বে মনে, সে কোন রাতে
এক তরীতে ছিলে সাথে,
এমনি গাঙে ছিল জোয়ার
নদীর দু’ধার এমনি আঁধার
তেমনি তরী ছুটবে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে।

তোমার সখার আসবে যেদিন এমনি কারা-বন্ধ,
আমার মত কেঁদে কেঁদে হয়তো হবে অন্ধ-
সখার কারা-বন্ধ!
বন্ধু তোমার হানবে হেলা,
ভাঙ্গবে তোমার সুখের মেলা;
দীর্ঘ বেলা কাটবে না আর,
বইতে প্রাণের শ্রান্ত এ-ভার
মরণ-সনে বুঝবে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে।

ফুটবে আবার দোলন-চাঁপা, চৈতি-রাতের চাঁদনী,
আকাশ-ছাওয়া তারায় তারায় বাজবে আমার কাঁদনি-
চৈতী-রাতের চাঁদনী।
ঋতুর পরে ফিরবে ঋতু,
সেদিন হে-মোর সোহাগ-ভীতু!
চাইবে কেঁদে নীল নভোগা’য়
আমার মতন চোখ ভ’রে চায়
যে-তারা, তায় খুঁজবে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে!

আসবে ঝড়ি, নাচবে তুফান, টুটবে সকল বন্ধন
কাঁপবে কুটীর সেদিন ত্রাসে, জাগবে বুকে ক্রন্দন-
টুটবে যবে বন্ধন!
পড়বে মনে, নেই সে সাথে
বাধতে বুকে দুঃখ- রাতে।-
আপনি গালে যাচবে চুমা,
চাইবে আদর, মাগবে ছোঁওয়া,
আপনি যেচে চুমবে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে!

আমার বুকের যে কাঁটা ঘা তোমায় ব্যথা হানত,
সেই আঘাতই যাচবে আবার হয়তো হ’য়ে শ্রান্ত-
আসব তখন পান্থ।
হয়তো তখন আমার কোলে
সোহাগ লোভে প’ড়বে ঢ’লে,
আপনি সেদিন সেধে-কেঁদে
চাপবে বুকে বাহুয় বেঁধে,
চরন চু’মে পূজবে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে !

অভিশাপ

পৌষের ভোরে অবিরাম কুয়াশা ঝরছে
সর্ষের ক্ষেতগুলি পথ আলো করছে
ঝাঁক ঝাঁক পাখি ডাক ওড়ে দূর সীমানায়
মনুষ্যকুল সব ওমপেতে কাঁথা টেনে ঘুমায়
মিঠে রোদ হাসে ঐ মাঠ ভরা ক্ষেতে
মন চায় গানখানি রাখালেরে দেতে

ঝিরঝির সমীরণ ধায় বন-বীথিকায়
মন মোর নাচে ঐ রূপালী গীতিকায়
কলকল নদী জল কুয়াশায় টলমল
গাছে গাছে পাখিসব কলরব চঞ্চল
কালশীতে, ক্ষণে ক্ষণে, চামর দুলায়
নদী কূলে সর্ষের ফুলদল হাতটি বুলায়

ঝিরঝির সমীরণ তবু ধীর অতি বহে না
মন মাঝে আশা জাগে মুখে কিছু কহে না
হাসি হাসি রাশি রাশি কুয়াশা দোলেরে
প্রকৃতির রূপ হেরি আঁখি দু'টি খোলেরে
ঝিকমিক দশদিক রোদ ওঠে সোনারঙ বরনে
হলদেটে পাতারা ঝরে পড়ে ধরণীর চরণে

মেঘদল চঞ্চল উড়বে না আর আকাশে
খেজুর রস টসটস ঘ্রাণ ছুটে ধরনীর বাতাসে
ঝির ঝির সমীরণ ছুঁয় বন বনানী
কান পেতে শোন ওই— শীতের কি রাগিণী!
ভেজা ঘাস, চারিপাশ, সর্ষের সুবাসে
সৃষ্টির মহিমা কি এই রূপে প্রকাশে!

ছুটে আয় মাঠে আয় বেলা আর নাই রে
রোদ্দুর হাসে দূর চিল ওড়ে বাইরে
মন মেলে চোখ মেলে রূপ দেখ ধরণীর
সাজ সাজ এই সাজ আধো আধো রজনীর
পাতা বন অনুক্ষণ সাদা ঢেউ খেলে রে
ছোট পাখি ডাকিডাকি গান গেয়ে চলে রে

বিল ঝিল খিলখিল পারিযায়ী পাখিডাকা দলে
মন হরে ক্ষণে ক্ষণে শীত আসে অমলে
ছুটে শীত পীত বন প্রানপন
হাওয়ায় ধরায় হাওয়ায় কাঁপন
খড়কুটো সন সন আগুন যে পোহালে
কুয়াশার চাদর ওড়ে হিমের চোয়ালে

রাত ভর ঝরঝর তুষার যে ঝরছে
স্নানের সময়টা শীত চেপে ধরছে
শীত শীত গীত গীত হাওয়া বয় বাহিয়া
ডাকে কুল মশগুল দশদিক চাহিয়া
মিঠে মিঠে তাজা তাজা রোদের পরশে
শীতবুড়ো এসে মেশে নানা রূপ হরষে

শীত ঝরে ঝরঝর পৌষের পরে
কাঁপে পাতা পত্তর থরথর থরে
শীত যেন বর্বর কাঁপে পাতা বন
পাতা খসানোর যেন সব আয়োজন
কনকন শনশন উত্তুরীয় হাওয়া বয় দূরে
শীত ছুট পীত বন গায় গান হিমেল সুরে

ঊর্ননাল বুনে বুনে কুয়াশা মাখায় তার অঙ্গে
কেঁপে কেঁপে ঝেপে ঝেঁপে শীত এলো বঙ্গে
পর পর থরথর শীত কারোর সয় না
কাঁপে বন লন্ঠন আলো কথা কয় না
গুল গুল মশগুল শীত কুল দঙ্গে
মাকড়সার জাল তারা বিছায় যে বঙ্গে

ধরফর করে বুক কাঁপে ভয় চোখ মুখ
পুকুর বা নদীর স্নানে নায় অজানা অসুখ
খিল্ খিল্ গিল গিল হাসে শিশু সদনে
রোদে বসে হাত শেঁকে পরম সে বোধনে
উত্তাল শৈবাল শ্যামস্বেতা অঙ্গ
কনকনে ঠান্ডা আহারে কি বঙ্গ

শীত

বাছাইকৃত কবিতা

সাম্প্রতিক সংযোজন

শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
রাধা-কৃষ্ণ কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 4885
চোখের নেশার ভালবাসা অবিনব মোঃ আবু তালেব 1932
পল্লী স্মৃতি পল্লী সুফিয়া কামাল 1839
চোখের কাজল কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1813
তবে কেন আমি অপরাধী অবিনব মোঃ আবু তালেব 1735
তোকে নিয়ে… এলোমেলো তোকে নিয়ে হাবীব কাশফি 1720
কর্মফল চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1671
নবী দ্বীনের রাসুল অন্তরে ইসলাম মোঃ আবু তালেব 1643
তোমাকে ভালোবেসে তোমাকে ভালোবেসে জীবনানন্দ দাশ 1630
রমণী চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1607
চাঁদবদনী অবিনব মোঃ আবু তালেব 1592
জন্মান্তর অবিনব মোঃ আবু তালেব 1574
পার্থক্য চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1560
ঘুঙুরটা আজ বাজুক জোরে অবিনব মোঃ আবু তালেব 1544
জরুরী বিষয় অন্তরে ইসলাম মোঃ আবু তালেব 1530
অবিলাষ চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1524
শ্যাম তোমারে ভালবেসে কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1520
রাধা প্রেমের প্রেমিক কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1519
করিব আজ রঙ্গ লীলা কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1519
 সুপ্ত-প্রিয়া অবিনব মোঃ আবু তালেব 1502
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
মোঃ আবু তালেব এর প্রথম হাইকো অবিনব মোঃ আবু তালেব 9
লজ্জা অবিনাশী পদ্য ইমন ভাদ্রে 16
ভাবের পদাবলী শিরোনামহীন সৈয়দ রনো 14
অভিশাপ দোলনচাঁপা কাজী নজরুল ইসলাম 19
অপ্রত্যাশিত অন্ধকার আগুনের ফুল ইমন ভাদ্রে 17
ক্লান্ত শহর শিরোনামহীন সৈয়দ রনো 27
হেমন্ত - (রেজাউদ্দিন স্টালিন) হেমন্ত রেজাউদ্দিন স্টালিন 27
নীলাদ্র প্রহর শিরোনামহীন সৈয়দ রনো 30
মানবিক পৃথিবী শিরোনামহীন সৈয়দ রনো 36
শিরোনামহীন শিরোনামহীন সৈয়দ রনো 38
কবির ব্যক্তিগত জীবন প্রথম নিরবতা মোঃ আবু তালেব 34
নিচু মানুষ প্রথম নিরবতা মোঃ আবু তালেব 34
সম্মানিত মানুষ প্রথম নিরবতা মোঃ আবু তালেব 29
বিচারসভা প্রথম নিরবতা মোঃ আবু তালেব 32
আয়নাবিহীন শহর প্রথম নিরবতা মোঃ আবু তালেব 25
চুপ থাকার দাম প্রথম নিরবতা মোঃ আবু তালেব 25
সাদা জামা প্রথম নিরবতা মোঃ আবু তালেব 25
করতালি প্রথম নিরবতা মোঃ আবু তালেব 42
সমাজ প্রথম নিরবতা মোঃ আবু তালেব 40
শেষ মুখোশ প্রথম নিরবতা মোঃ আবু তালেব 39
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
শীত জীবন পাতার পদ্মফুল ইমদাদ শাহ্ 16
মৃত্যুর ডাক নাম স্বাধীনতা নাই শাবলু শাহাবউদ্দিন 18
প্রকৃতির মায়াবী ক্যানভাসে তুমি নাই শাবলু শাহাবউদ্দিন 21
হেমন্ত জীবন পাতার পদ্মফুল ইমদাদ শাহ্ 51
আমার দাদি প্রেমের অমল কাব্য (যৌথগ্রন্থ) মিরাজ হোসাইন গাজী 136
দাদির স্মরণে বসন্ত আসেনি ফিরে আব্দুল্লাহ আল নোমান 319
বটগাছ হারা এখনো নাম রাখিনি সাবিত রিজওয়ান 37
সবর কবর অবধি সবর ফেরদাউস সরকার - Ferdaus Sorkar 39
Salam মহাপ্রলয় ফেরদাউস সরকার - Ferdaus Sorkar 37
শুনলাম তোমার বিয়ে হয়েছে এখনো নাম রাখিনি সাবিত রিজওয়ান 32
বসন্ত আসেনি ফিরে বসন্ত আসেনি ফিরে আব্দুল্লাহ আল নোমান 169
আমরা নবীন বসন্ত আসেনি ফিরে আব্দুল্লাহ আল নোমান 127
দম্ভের দশ হাজার বাস্তব জীবন দরবেশ আল আমিন 93
আই ডোন্ট হ্যাভ অ্যা প্ল্যান অপ্রকাশিত মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা 107
নীরব যোদ্ধা জীবনের পান্ডুলিপি পুলক সরকার দীপ্ত 122
শরৎ এর আগমন জীবনের পান্ডুলিপি পুলক সরকার দীপ্ত 139
শারদীয় উৎসব জীবনের পান্ডুলিপি পুলক সরকার দীপ্ত 112
একুশ জীবনের পান্ডুলিপি পুলক সরকার দীপ্ত 111
প্রেম চোখের জলে নদী মাজেদুল হক 117
নাফা নাফা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 134
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ< কবি পঠিত হয়েছে
No poem found