কবি ও কাব্য — বাংলা কবিতার অনলাইন সংগ্রহশালা

সমাজ খুব সতর্ক হয়ে ভালোবাসতে শেখায়।
সে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনের মতো নিয়ম বেঁধে দেয়—
কার পাশে দাঁড়ালে সম্মান সুরক্ষিত থাকবে,
কার হাত ধরলে ফ্ল্যাটের কিস্তি শোধ করা সহজ হবে,
আর কাকে ড্রয়িংরুমে এনে বসাল আত্মীয়রা তারিফ করবে।

তারা অভিজ্ঞ প্রবীণের মতো কপালে ভাঁজ ফেলে সতর্ক করে—
‘ভুল মানুষের প্রেমে পড়া বারণ।’

কিন্তু এই ‘ভুল মানুষ’টা আসলে কে?

যার পকেটে নিশ্চিত ভবিষ্যতের কোনো সঞ্চয়পত্র নেই?
যার কোনো নির্দিষ্ট সামাজিক শ্রেণি বা নিরাপদ পদবি নেই?
নাকি যে মানুষটা ভদ্রলোকের মতো পরিপাটি মিথ্যা বলতে শেখেনি—সে?

সমাজ যাকে ‘সঠিক মানুষ’ বলে সনদপত্র দেয়,
সে আসলে খুব সাবধানী এক চুক্তিপত্র।
তার জীবনে কোনো ঝুঁকি নেই, কোনো অনিয়ম নেই;
সে সময় মেপে কথা বলে, ওজন মেপে হাসে,
আর দিনশেষে নিরাপত্তার বিনিময়ে সমস্ত ব্যক্তিগত আবেগ কিনে নিতে চায়।

অথচ মানুষের ভেতরটা তো কোনো ব্যাংকের অডিট শাখা নয়।
সে লাভ-ক্ষতির খাতা খুলে দরদাম করতে জানে না।

মানুষ যখন প্রেমে পড়ে,
সে কোনো সাফল্য বা উজ্জ্বলতার কাছে আত্মসমর্পণ করে না;
সে অজান্তেই জড়িয়ে পড়ে এমন এক অদ্ভুত মানুষের সঙ্গে—
যার চোখের গভীরে নিজেরই গোপন কোনো ক্ষতের ছায়া দেখতে পাওয়া যায়।

সেই ভুল মানুষটা তোমাকে কোনো সোনার খাঁচা উপহার দিতে পারে না।
সে তোমাকে কোনো স্থায়ী স্বস্তির নিশ্চয়তা দেয় না।
সে কেবল এক তীব্র ঝড়ের রাতে কোনো ছাদ ছাড়াই পাশে এসে দাঁড়ায়,
আর এমন এক দৃষ্টিতে তাকায়—
যেন এই হিসাবের পৃথিবীতে তুমি কোনো পণ্য নও,
তুমি এক রক্ত-মাংসের জীবন্ত সত্য।

হ্যাঁ, ভুল মানুষের প্রেমে পড়লে চরম মূল্য দিতে হয়।
চোখের তলায় কালি জমে, একাকীত্বের ভারে শরীর নুয়ে পড়ে,
দিনশেষে হয়তো একলা দাঁড়িয়ে দেখতে হয় ফেলে যাওয়া শূন্য স্টেশনের অন্ধকার।

তবু মানুষ কেন বারবার সেই নিষিদ্ধ ভুলেই পা বাড়ায়?

কারণ তথাকথিত ‘সঠিক মানুষ’ মানুষকে কেবল একটা নিরাপদ সংসার দেয়,
নিয়ম দেয়, বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা দেয়;
কিন্তু সেই ‘ভুল মানুষ’টাই এসে মানুষকে বুঝিয়ে দিয়ে যায়—
মানুষ কোনোদিন কোনো সাজানো সমাপ্ত বাক্য হতে জন্মায়নি;
মানুষের অস্তিত্বই টিকে থাকে
কোনো এক আত্মঘাতী ভুলের ভেতর নিজের আসল সত্তাকে চিনে নেওয়ার স্পর্ধায়।

ভুল মানুষের প্রেমে পড়া বারণ

খোলা ড্রেনের ওপর পাতা কাঠের তক্তাটা
পা ফেললেই একটু ডেবে যায়, চিঁ চিঁ করে ওঠে।
দশ তলার ঝুলন্ত বারান্দা থেকে অবিরাম চুইয়ে পড়ছে
এসি মেশিনের নোংরা পানি;
আর ঠিক তার নিচে, স্যাঁতসেঁতে দেয়ালের কালচে শ্যাওলা ঘেঁষে
দাঁড়িয়ে আছে সাত ফুটের একটা চায়ের টং দোকান।

এই গলিতে রোদ নামার জন্য কোনো আকাশ রাখা হয়নি।
মাথার ওপর কালো বিদ্যুতের তারগুলো এমন অন্ধের মতো জট পাকিয়ে আছে—
যেন এই শহরের যাবতীয় না-মেলা মামলার নথি আর দুঃস্বপ্নগুলো
কেউ দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছে।

এখানে সন্ধ্যার পর ঢাকা শহরের আসল রূপ এসে ভিড় জমায়।

প্লাস্টিকের একটা কোণ-ভাঙা টুলে বসে থাকে এক যুবক,
যার বগলের নিচে ফাইলে চেপে রাখা আছে
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্স্ট ক্লাস সার্টিফিকেটের সতর্ক ফটোকপি।
সে কাচের বয়ামের দিকে এমন স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে—
যেন ওটার ভেতর বেকারির শুকনো বিস্কুট নয়,
তার বিগত পাঁচ বছরের ক্ষয় হয়ে যাওয়া তারুণ্য বন্দি হয়ে আছে।

তার ঠিক পাশেই দাঁড়িয়ে গরম কাচের গ্লাসে ফুঁ দিচ্ছে এক রাইড শেয়ারিংয়ের তরুণ;
পিঠের ভারী ব্যাগে ঠান্ডা হতে থাকা অন্য কারও বিরিয়ানির প্যাকেট,
আর মুঠোফোনের স্ক্রিনে দ্রুত কমে আসা ব্যাটারির শতাংশ
তার চোখের পাতায় এনে দিচ্ছে এক ক্লান্ত লালচে আভা।
সে ঘণ্টায় ঘণ্টায় মানুষের দরজায় খাবার পৌঁছে দেয়,
অথচ সারাদিনে নিজের পেটে জমা হয়েছে কেবল এক কাপ লিকার চা আর দুটো কলা।

এই গলির চায়ের টেবিলে বড় বড় বিপ্লব নিয়ে কথা হয় খুব নিচু গলায়।
এখানে কোনো মাইক নেই, কোনো মঞ্চ নেই;
আছে কেবল চালের বস্তার দাম আর বাড়িভাড়ার নোটিশ নিয়ে
এক হিমশীতল নীরব আতঙ্ক।
রিকশাচালক যখন তেলচিটে একখানা বিশ টাকার নোট এগিয়ে দেয়,
দোকানি তখন কিছু না বলে নিঃশব্দে এক কাপ চা বাড়িয়ে দেয়—
এই লেনদেনে কোনো বাড়তি শব্দ খরচ হয় না,
এখানে মানুষ একে অপরের নিঃস্বতাকে চিনে নেয় কেবল চোখের ক্লান্তিতে।

ওপরের চকচকে অ্যাপার্টমেন্টগুলো এই গলিটাকে বড় অবজ্ঞার চোখে দেখে।
তারা ভারী কাচের জানালা বন্ধ করে রাখে, যাতে গলির ধোঁয়া তাদের ড্রয়িংরুমে না ঢোকে।
অথচ তারা ভুলে যায়—
তাদের ঘরের মসৃণ মেঝের দাগ মোছার হাতটা,
তাদের আবর্জনা বয়ে নিয়ে যাওয়া মানুষটা,
আর তাদের গাড়ির উইন্ডশিল্ড পরিষ্কার করা ঘামে ভেজা গামছাটা
প্রতি ভোরে এই কাদামাখা গলির ভেতর থেকেই উঠে যায়।

ঢাকা শহর বিজ্ঞাপনে বিজ্ঞাপনে মেগা প্রজেক্টের গল্প শোনায়।
কিন্তু এই শহরের আসল প্রাণস্পন্দন কোনো বড় রাজপথে নেই;
সেটা লুকিয়ে আছে এই স্যাঁতসেঁতে, আলোহীন গলির ভেতর—
যেখানে বেঁচে থাকাটা কোনো উৎসব নয়,
প্রতিদিনের এক অন্তহীন আপস।

রাত বারোটায় যখন টং দোকানের টিমটিমে বাল্বটা নিভে যায়,
যখন নর্দমার পাশে শেষ চিলতে ধোঁয়াটুকু বাতাসে মিলিয়ে যায়—
তখন এই গলির নিস্তব্ধতা এত ভারী হয়ে ওঠে
যেন দেয়ালের প্রতিটি ইটের খাঁজে কেউ লুকিয়ে রেখে গেছে
কোটি মানুষের এক সম্মিলিত দীর্ঘশ্বাস।

এখানে যারা হাঁটে, যারা ঘুমায়, যারা নিঃশব্দে ফুরিয়ে যায়—
রাষ্ট্রের খাতায় তাদের কোনো আলাদা নাম থাকে না।
তারা কেবল ঢাকা শহরের এই অন্ধ গলির মতোই পড়ে থাকে—
বিশাল এক আধুনিক উপন্যাসের মাঝখান থেকে
ছিঁড়ে ফেলে দেওয়া এক খণ্ড অসমাপ্ত পৃষ্ঠা।

ঢাকা শহরের কোনো এক গলিতে

শহর কাউকে কোনোদিন নিমন্ত্রণপত্র পাঠিয়ে ডাকে না।
সে শুধু দূরে দাঁড়িয়ে নীরবে লক্ষ্য করে—
নদীভাঙা মানুষ, ফসল হারানো চাষি, আর পকেটে ডিগ্রি নিয়ে ঘুরতে থাকা ক্লান্ত তরুণদের।
তারপর নিজের বিশাল গহ্বরটা একটুখানি আলগা করে দেয়।
মানুষ বাঁচার তাগিদে নিজেরাই এসে তার মুখে ঢুকে পড়ে।

শহরের কোনো হৃদয় নেই, আছে কেবল এক অতৃপ্ত পাকস্থলী।
সে প্রতিদিন সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে
লাখ লাখ রক্ত-মাংসের মানুষকে চিবিয়ে খেতে শুরু করে,
আর মধ্যরাতে উগরে দেয় ক্লান্ত, নিস্তেজ কতগুলো ছায়া।

এখানে বাসের পাদানিতে বাদুড়ঝোলা হয়ে থাকা যুবকের মুঠোটা
কোনো রোমাঞ্চের গল্প নয়;
ওটা হলো এক বেলার আহারের ওপর নিজের অধিকার টিকিয়ে রাখার
চরমতম লড়াই।

কাচের বহুতল ভবনে যখন বিকেলের সোনালি আলো পড়ে,
তখন শহরটাকে খুব সভ্য, খুব ঐশ্বর্যশালী মনে হয়।
কিন্তু সেই চকচকে কাচের ঠিক পায়ের নিচেই—
ফ্লাইওভারের বিশাল কংক্রিটের পিলারে ঠেস দিয়ে শুয়ে থাকে এক রিকশাচালক,
যার পায়ের শিরাগুলো ফোলা, চোখে কোনো ভাষা নেই।
শহরের সমস্ত উন্নয়ন তাকে পাশ কাটিয়ে তীব্র গতিতে ছুটে চলে যায়;
কেউ এক সেকেন্ডের জন্যও থামে না।

এখানে এত ভিড়, অথচ এর চেয়ে বড় নির্জনতা আর কোথাও নেই।
লাখো মানুষ একই ফুটপাতে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে হেঁটে যায়,
কিন্তু কারও চোখে চোখ পড়লে মানুষ সতর্ক হয়ে দৃষ্টি সরিয়ে নেয়,
অজান্তেই পকেটের মুঠোফোনটা শক্ত করে চেপে ধরে।
এখানে অন্য মানুষের প্রতি বিশ্বাস হলো এক ক্ষতিকর বিলাসিতা,
যা এই পিচের রাস্তায় পা দিলেই বিসর্জন দিতে হয়।

গ্রাম থেকে যে ছেলেটা নিজের একটা স্বতন্ত্র নাম আর স্বপ্ন নিয়ে এসেছিল,
দশ বছর পর সে বাথরুমের আয়নায় তাকিয়ে আবিষ্কার করে—
তার নামের জায়গায় এখন বসে গেছে একটি আইডি কার্ডের নম্বর,
মাসের শেষ সপ্তাহের বাড়িভাড়ার আতঙ্ক,
আর ভিড় ট্রাফিকের ধোঁয়ায় পুড়ে যাওয়া এক টুকরো ফুসফুস।

শহর মানুষকে প্রচুর আলো দেয়,
কিন্তু কোনো নিরাপদ ছায়া দেয় না।
সে মানুষকে অনবরত দৌড়াতে শেখায়,
কিন্তু কোনোদিন কোনো আশ্রয়ে পৌঁছাতে দেয় না।

মাঝরাতে যখন সাইরেন আর হর্নের আওয়াজ একটু স্তিমিত হয়ে আসে,
যখন নিয়ন সাইনগুলো চোখের পলক ফেলে—
তখন এই শহরকে কোনো আধুনিক বিস্ময় মনে হয় না।

মনে হয়, এ এক নির্মম কসাইখানা—
যেখানে কোটি কোটি মানুষ এসেছিল নিজেদের একটা সম্পূর্ণ গল্প দাঁড় করাতে,
আর এই নগরী তাদের সমস্ত শব্দ একে একে কেড়ে নিয়ে
রাস্তার পিচে ফেলে রাখল কেবল এক অনন্ত অসমাপ্ত দীর্ঘশ্বাস।

শহর (The City)

মানুষ মনে করে স্মৃতি থাকে কাঠের ড্রয়ারের পুরনো চিঠিতে,
কিংবা মুঠোফোনের গ্যালারিতে ব্যাকআপ হয়ে যাওয়া ঝাপসা ছবিতে।
মানুষ ভাবে, ক্যালেন্ডারের পাতা ছিঁড়ে ফেললেই
পেছনের দিনগুলোকে কোনো দূরবর্তী স্টেশনে ফেলে আসা যায়।

অথচ স্মৃতির কোনো দিনপঞ্জি নেই।
তার কোনো স্থায়ী ঠিকানা নেই, কোনো অনুমতির তোয়াক্কা নেই।

স্মৃতি হঠাৎ চলে আসে এক কাপ ফুটন্ত চায়ের ধোঁয়ায়,
ভিড় বাসের জানালার ওপাশে মিলিয়ে যাওয়া কোনো অচেনা মানুষের হাঁটার ধরনে,
কিংবা কোনো এক শীতের রাতে বহু পুরোনো এক কোটের পকেটে
অপ্রত্যাশিতভাবে আঙুলে ঠেকে যাওয়া একটা ভাঙা বোতামের স্পর্শে।

স্মৃতির সামনে কোনো সুরক্ষাব্যবস্থা কাজ করে না।
তুমি যত বড় লোহার কপাটই টেনে দাও না কেন,
সে ঠিক চাবি ছাড়াই ঘরের ঠিক মাঝখানে এসে দাঁড়ায়।
তারপর কোনো কথা না বলে
খুব শান্ত চোখে চেয়ে থাকে—
যেন সে জানে, পালিয়ে যাওয়ার সমস্ত দরজাই এখন বন্ধ।

যা মানুষ হারিয়ে ফেলে, তার জন্য সে আফসোস করে।
কিন্তু যা কিছুতেই হারায় না—
মানুষ তার ভার বইতে গিয়ে ভেতরে ভেতরে ক্ষয়ে যায়।

যে বাড়িটা বিশ বছর আগেই ভেঙে বহুতল দালান হয়ে গেছে,
মানুষ আজও বুকপকেটে বয়ে নিয়ে বেড়ায় সেই বাড়ির একটা মরচে ধরা চাবি।
তালাটা নেই, দরজার অস্তিত্বও মুছে গেছে—
তবু সেই অর্থহীন লোহার ওজন মানুষ কোনোদিন ফেলে দিতে পারে না।

স্মৃতি আসলে কোনো অতীত নয়;
স্মৃতি হলো বর্তমানের বুকের ওপর পা দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এক নির্মম বাস্তবতা।
সে মানুষকে বর্তমানের মুখে তৃপ্তির হাসি ফোটাতে দেয় না,
ভবিষ্যতের দিকে সহজ পায়ে এগোতে দেয় না;
সে কেবল এক অদৃশ্য সুতো দিয়ে টেনে ধরে রাখে পেছনের দিকে।

আমরা নিজেদের সান্ত্বনা দিতে কত সহজে বলি—‘সময় সব ভুলিয়ে দেয়।’
সময় আসলে কিছুই ভোলায় না।
সময় কেবল তাজা ক্ষতের ওপর ধুলোর একটা পাতলা পর্দা টেনে দেয়,
যাতে পথচলতি মানুষের চোখে রক্তক্ষরণটা সহজে ধরা না পড়ে।

স্মৃতি কোনো মনোরম জাদুঘর নয়, যেখানে মানুষ অবকাশে বেড়াতে যায়।
স্মৃতি হলো মানুষের ভেতরের সেই একাকী আদালত—
যেখানে কোনো উকিল নেই, কোনো বিচারক নেই;
শুধু একজন মানুষ আজীবন কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে
তারই ফেলে আসা এক অসমাপ্ত বাক্যের রায়ের জন্য।

স্মৃতি

বাছাইকৃত কবিতা

সাম্প্রতিক সংযোজন

শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
রাধা-কৃষ্ণ কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 4849
চোখের নেশার ভালবাসা অবিনব মোঃ আবু তালেব 1882
পল্লী স্মৃতি পল্লী সুফিয়া কামাল 1808
চোখের কাজল কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1754
তবে কেন আমি অপরাধী অবিনব মোঃ আবু তালেব 1707
তোকে নিয়ে… এলোমেলো তোকে নিয়ে হাবীব কাশফি 1682
কর্মফল চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1651
নবী দ্বীনের রাসুল অন্তরে ইসলাম মোঃ আবু তালেব 1619
রমণী চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1574
চাঁদবদনী অবিনব মোঃ আবু তালেব 1559
জন্মান্তর অবিনব মোঃ আবু তালেব 1547
তোমাকে ভালোবেসে তোমাকে ভালোবেসে জীবনানন্দ দাশ 1542
পার্থক্য চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1539
ঘুঙুরটা আজ বাজুক জোরে অবিনব মোঃ আবু তালেব 1508
জরুরী বিষয় অন্তরে ইসলাম মোঃ আবু তালেব 1504
অবিলাষ চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1500
করিব আজ রঙ্গ লীলা কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1491
রাধা প্রেমের প্রেমিক কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1485
শ্যাম তোমারে ভালবেসে কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1481
 সুপ্ত-প্রিয়া অবিনব মোঃ আবু তালেব 1466
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
মানুষ (Human) অবিনব মো: আবু তালেব 7
ভুল মানুষের প্রেমে পড়া বারণ অবিনব মোঃ আবু তালেব 5
ঢাকা শহরের কোনো এক গলিতে শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 5
শহর (The City) শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 11
স্মৃতি অবিনব মোঃ আবু তালেব 11
অভিমান (oviman) অবিনব মোঃ আবু তালেব 11
নিখোঁজ শব্দগুলো অবিনব মোঃ আবু তালেব 40
অচিন গলি শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 37
জীবনের শেষ মুহুর্তের পর প্রথম নিরবতা মো: আবু তালেব 43
জীবন প্রথম নীরবতা মোঃ আবু তালেব (Md. Abu Taleb) 59
মৃত্যুর আগে মানুষ কতবার মরে শহর সমাচার মোঃ আবু তালেব 89
রাষ্ট্রের কাছে একটি শিশুর প্রশ্ন অবিনব মোঃ আবু তালেব 81
পৃথিবী, তুমি কি আমাকে মনে রাখবে অবিনব মোঃ আবু তালেব 84
স্মৃতির প্রবাস প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 93
বালিশ ভেজা রাত প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 104
পরবাস প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 84
টাকার চাকা প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 110
শেকড়ের টান প্রবাস জীবন মোঃ আবু তালেব 93
Where The Mind Is Without Fear (চিত্ত যেথা ভয়শূন্য) গীতাঞ্জলি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 104
Hope' is the thing with feathers (আশা) Hope is the thing with feathers Emily Dickinson 94
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
দম্ভের দশ হাজার বাস্তব জীবন দরবেশ আল আমিন 69
আই ডোন্ট হ্যাভ অ্যা প্ল্যান অপ্রকাশিত মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা 79
নীরব যোদ্ধা জীবনের পান্ডুলিপি পুলক সরকার দীপ্ত 97
শরৎ এর আগমন জীবনের পান্ডুলিপি পুলক সরকার দীপ্ত 115
শারদীয় উৎসব জীবনের পান্ডুলিপি পুলক সরকার দীপ্ত 87
একুশ জীবনের পান্ডুলিপি পুলক সরকার দীপ্ত 68
প্রেম চোখের জলে নদী মাজেদুল হক 86
নাফা নাফা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 112
শালা শালা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 131
অথচঃ কেউ জানেনা। অথচঃ কেউ জানেনা। মেহেদী হাসান আইয়ুশ 100
দীর্ঘশ্বাস দীর্ঘশ্বাস মেহেদী হাসান আইয়ুশ 104
তোমার নেশা তোমার নেশা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 111
ভালোবাসার বিদ্যে.. ভালোবাসার বিদ্যে.. মেহেদী হাসান আইয়ুশ 97
একটা তুমি হোক তুমি মেহেদী হাসান আইয়ুশ 99
মেয়ে, আমার সাথে সমুদ্রে যাবে? সমুদ্র মেহেদী হাসান আইয়ুশ 108
অর্জন অর্জন মেহেদী হাসান আইয়ুশ 112
অভিমান অভিমান মেহেদী হাসান আইয়ুশ 132
ঋণ ঋণ মেহেদী হাসান আইয়ুশ 130
মৃত্যুর পরও তুমি মৃত্যুর পরও তুমি মেহেদী হাসান আইয়ুশ 107
অনুভূতির স্পর্শ স্পর্শ মেহেদী হাসান আইয়ুশ 118
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ< কবি পঠিত হয়েছে
No poem found