কবি ও কাব্য — বাংলা কবিতার অনলাইন সংগ্রহশালা

তোমরা যেটাকে লাল গালিচা বলো,
আমরা তাকে বলি একটা পুরো প্রজন্মের
শুকিয়ে যাওয়া তাজা রক্ত।
স্বর্ণখচিত যে রাজাসনে বসে তোমরা
সার্বভৌমত্বের মহড়া দাও,
তার প্রতিটি পায়া আসলে পোঁতা আছে
একেকটি তাজা কবরের ওপর।

প্রতিদিন ভোরে চাটুকারেরা এসে
পালিশ করে যায় তোরণ আর হাতল;
তারা ময়লা মোছে, ধুলো ঝাড়ে,
কিন্তু কাঠের খাঁজে আটকে থাকা
জমাট মগজের আঠা মোছার কোনো সাবান নেই।
তোমরা দামি সুগন্ধি ছড়িয়ে ঢাকতে চাও যে আবহ,
তা আসলে মর্গের বরফহীন ট্রলি থেকে উঠে আসা
মৃত্যুর তীব্র নোনতা বাতাস।

যে আসনে বসতে গিয়ে
একটা আস্ত মানচিত্রের বুক ঝাঁঝরা করতে হয়,
সেই আসন কোনো শাসকের গৌরব নয়—
ওটা প্রকাশ্য এক কসাইখানার প্রদর্শনী।
তোমরা ভাবো ক্ষমতার উত্তাপ দিয়ে
সব দাগ মুছে ফেলা যায়;
অথচ তোমরা জানো না,
রক্তের একটা নিজস্ব স্মৃতিশক্তি আছে।
রক্ত কোনোদিন কাপড়ের সুতো কিংবা
কাঠের পালিশের নিচে হারিয়ে যায় না;
সে জেগে থাকে,
অপেক্ষা করে,
ঠিক সময়মতো ফুঁড়ে বের হয়।

একটি রাজদণ্ডের ওজন কতটুকু?
ঠিক একটি চব্বিশ বছরের যুবকের
নিথর শরীরের সমান।
তোমরা যখন ক্যামেরার সামনে গম্ভীর মুখে
‘স্থিতিশীলতা’র বুলি আউড়াও,
তখন মানুষ তোমাদের হাত নয়,
হাতের তালুর লালচে আভা দেখে শিউরে ওঠে—
কারণ চামড়ার ভাঁজে ভাঁজে তখনো আটকে থাকে কোনো এক সন্তানহারা মায়ের দীর্ঘশ্বাস।

ইতিহাস কোনো সাজানো ফরমান দিয়ে কেনা যায় না।
যেদিন এই দম্ভের শেষ খুঁটিটি ধুলোয় আছড়ে পড়বে,
সেদিন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই ধ্বংসস্তূপ দেখে
কুর্নিশ করবে না;
তারা শুধু আঙুল তুলে বলবে—
এখানে কোনো শাসক বসতেন না,
এখানে বসেছিল মানুষের রক্তের
এক দেউলিয়া কারবারি।

সিংহাসনে রক্তের দাগ

দেওয়াল আসলে বোবা নয়;
দেওয়াল হলো অন্ধকারের সবচেয়ে বিশ্বস্ত খাতা।
যেখানে দিন আর রাতের সীমানা মুছে যায়
ভারী লোহার কপাটে,
সেখানে মানুষ ক্যালেন্ডার বানায় নিজের নখের আঁচড়ে।

একটি মরচে ধরা তার, ভাঙা চামচের বাঁট কিংবা
বুটের ডগায় ঘষে নেওয়া এক টুকরো পাথর—
এই ছিল লেখার কলম।
পলেস্তারা খসে পড়া স্যাঁতসেঁতে চুনকামের গায়ে
কেউ একজন খোদাই করে গেছে স্রেফ একটি নাম,
কেউ লিখে গেছে সন্তানের জন্মতারিখ,
আর কোনো এক মধ্যরাতে
চোখ বাঁধা অবস্থায় কেউ লিখেছিল—
“মা, আমি কিন্তু কারও সাথে বেইমানি করিনি।”

এই লাইনটা কোনো রাজনৈতিক স্লোগান নয়,
অথচ পৃথিবীর সমস্ত রাষ্ট্রবিজ্ঞানের চেয়ে
এর ওজন বেশি।

যারা মানুষকে নম্বর বানিয়ে খাঁচায় পুরে রাখে,
তারা ভেবেছিল আলো নিভিয়ে দিলেই
একটি জীবনের অস্তিত্ব মুছে ফেলা যায়।
তারা গণিতের সহজ হিসাবটুকু বোঝেনি—
একটি শরীরকে হয়তো দেয়াল দিয়ে ঘিরে রাখা যায়,
কিন্তু তার রেখে যাওয়া অনুপস্থিতির দাগকে
কখনো মুছে ফেলা যায় না।
এই চার দেয়ালের নিস্তব্ধতা কোনো শূন্যতা নয়;
এটা পাথরের ভেতরে লুকিয়ে থাকা এক দীর্ঘশ্বাস,
যা যেকোনো সুরক্ষিত দুর্গের চেয়েও
অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী।

তোমরা বাতাস আটকে রাখতে পারো,
চোখের ওপর বাঁধতে পারো কালো কাপড়ের অন্ধ পট্টি,
কিন্তু মানুষের স্মৃতির কোষে যে আলো জ্বলে—
তাকে গুম করার মতো
কোনো গোপন সেল এখনও তৈরি হয়নি পৃথিবীতে।
যে রাষ্ট্র নিজের নাগরিকদের ছায়াকে পর্যন্ত ভয় পায়,
সে আসলে নিজের মসনদের তলায়
প্রতিদিন একটি করে গোপন খাদ তৈরি করে।

ইতিহাস কোনো সাজানো প্রেসনোটে বাঁচে না,
স্তাবকদের কেনা কলমেও ইতিহাস লেখা থাকে না।
ইতিহাস বেঁচে থাকে নখের আঁচড়ে
ক্ষতবিক্ষত ওই এক ইঞ্চি পোড়া প্লাস্টারে।
যেদিন ঐ তালাবদ্ধ লোহার দরজা খুলে দেওয়া হবে,
সেদিন কোনো কাগুজে প্রমাণের প্রয়োজন পড়বে না—
এই দেওয়াল নিজেই আদালতে দাঁড়িয়ে সাক্ষ্য দেবে,
আর প্রতিটি দাগ থেকে উচ্চারিত হবে
ক্ষমতার মুখে এক আজন্ম চপেটাঘাত।

আয়নাঘরের দেওয়াললিপি

সম্ভবতঃ শেষ চিঠিটি প্রাপকের হাতে পৌঁছানোর পূর্বেই মৃত্যু হয়েছিলো ডাকপিয়নের
তাঁর মহান দায়িত্ব নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলেনি, যেহেতু প্রাপক অন্ধ ছিলো

এদিকে ঘোর বর্ষা নেমেছে পাহাড়ে,গতকাল;
মনে হয় বহুকাল আগে—রাজাবাজার লেন, রোজা হোস্টেল,—বৃষ্টি, তোমাকে পেয়েছিলো ক্ষণিকের প্রেমিকের মতো
চিঠিতে কী পাঠিয়েছিলে?
প্রেম?
চুমু?
মেঘ?
ভেসে গেছে জুম চাষীদের ক্ষেত
এ বছর অভাব দীর্ঘস্থায়ী হবে, সম্ভবত আয়ুর সমান দীর্ঘ

পাহারধ্বসে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে গোটাদশ পরিবার
যারা বেঁচে আছে তারা খুঁড়ছে কবর আর যারা মরে গ্যাছে
এমন দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে— একদিন তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে, হবে সৎকার
বেতার বেজেঁ ওঠে, লাউড স্পিকার—

‘এবছর বর্ষা দীর্ঘস্থায়ী হবে, একটি চিঠির অপেক্ষার চেয়েও দীর্ঘ’—বিবৃতি দেয় আবহাওয়া অধিদপ্তর;
পরবর্তী চিঠিতে চুমু পাঠিও, সাবরিনা আক্তার;
যেহেতু খাদ্যসংকট,তবুও তো বেঁচে থাকা দরকার!

ধারনা করা হয়, সে কখনো চিঠি লেখেনি কবি’র উদ্দেশ্যে

সে কখনো চিঠি লেখেনি

বাছাইকৃত কবিতা

সিংহাসনে রক্তের দাগ

- মো: আবু তালেব

তোমরা যেটাকে লাল গালিচা বলো,
আমরা তাকে বলি একটা পুরো প্রজন্মের
শুকিয়ে যাওয়া তাজা রক্ত।
স্বর্ণখচিত যে রাজাসনে বসে তোমরা
সার্বভৌমত্বের মহড়া দাও,
তার প্রতিটি পায়া আসলে পোঁতা আছে
একেকটি তাজা কবরের ওপর।

প্রতিদিন ভোরে চাটুকারেরা এসে
পালিশ করে যায় তোরণ আর হাতল;
তারা ময়লা মোছে, ধুলো ঝাড়ে,
কিন্তু কাঠের খাঁজে আটকে থাকা
জমাট মগজের আঠা মোছার কোনো সাবান নেই।
তোমরা দামি সুগন্ধি ছড়িয়ে ঢাকতে চাও যে আবহ,
তা আসলে মর্গের বরফহীন ট্রলি থেকে উঠে আসা
মৃত্যুর তীব্র নোনতা বাতাস।

যে আসনে বসতে গিয়ে
একটা আস্ত মানচিত্রের বুক ঝাঁঝরা করতে হয়,
সেই আসন কোনো শাসকের গৌরব নয়—
ওটা প্রকাশ্য এক কসাইখানার প্রদর্শনী।
তোমরা ভাবো ক্ষমতার উত্তাপ দিয়ে
সব দাগ মুছে ফেলা যায়;
অথচ তোমরা জানো না,
রক্তের একটা নিজস্ব স্মৃতিশক্তি আছে।
রক্ত কোনোদিন কাপড়ের সুতো কিংবা
কাঠের পালিশের নিচে হারিয়ে যায় না;
সে জেগে থাকে,
অপেক্ষা করে,
ঠিক সময়মতো ফুঁড়ে বের হয়।

একটি রাজদণ্ডের ওজন কতটুকু?
ঠিক একটি চব্বিশ বছরের যুবকের
নিথর শরীরের সমান।
তোমরা যখন ক্যামেরার সামনে গম্ভীর মুখে
‘স্থিতিশীলতা’র বুলি আউড়াও,
তখন মানুষ তোমাদের হাত নয়,
হাতের তালুর লালচে আভা দেখে শিউরে ওঠে—
কারণ চামড়ার ভাঁজে ভাঁজে তখনো আটকে থাকে কোনো এক সন্তানহারা মায়ের দীর্ঘশ্বাস।

ইতিহাস কোনো সাজানো ফরমান দিয়ে কেনা যায় না।
যেদিন এই দম্ভের শেষ খুঁটিটি ধুলোয় আছড়ে পড়বে,
সেদিন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই ধ্বংসস্তূপ দেখে
কুর্নিশ করবে না;
তারা শুধু আঙুল তুলে বলবে—
এখানে কোনো শাসক বসতেন না,
এখানে বসেছিল মানুষের রক্তের
এক দেউলিয়া কারবারি।
বিস্তারিত...

আয়নাঘরের দেওয়াললিপি

- মো: আবু তালেব

দেওয়াল আসলে বোবা নয়;
দেওয়াল হলো অন্ধকারের সবচেয়ে বিশ্বস্ত খাতা।
যেখানে দিন আর রাতের সীমানা মুছে যায়
ভারী লোহার কপাটে,
সেখানে মানুষ ক্যালেন্ডার বানায় নিজের নখের আঁচড়ে।

একটি মরচে ধরা তার, ভাঙা চামচের বাঁট কিংবা
বুটের ডগায় ঘষে নেওয়া এক টুকরো পাথর—
এই ছিল লেখার কলম।
পলেস্তারা খসে পড়া স্যাঁতসেঁতে চুনকামের গায়ে
কেউ একজন খোদাই করে গেছে স্রেফ একটি নাম,
কেউ লিখে গেছে সন্তানের জন্মতারিখ,
আর কোনো এক মধ্যরাতে
চোখ বাঁধা অবস্থায় কেউ লিখেছিল—
“মা, আমি কিন্তু কারও সাথে বেইমানি করিনি।”

এই লাইনটা কোনো রাজনৈতিক স্লোগান নয়,
অথচ পৃথিবীর সমস্ত রাষ্ট্রবিজ্ঞানের চেয়ে
এর ওজন বেশি।

যারা মানুষকে নম্বর বানিয়ে খাঁচায় পুরে রাখে,
তারা ভেবেছিল আলো নিভিয়ে দিলেই
একটি জীবনের অস্তিত্ব মুছে ফেলা যায়।
তারা গণিতের সহজ হিসাবটুকু বোঝেনি—
একটি শরীরকে হয়তো দেয়াল দিয়ে ঘিরে রাখা যায়,
কিন্তু তার রেখে যাওয়া অনুপস্থিতির দাগকে
কখনো মুছে ফেলা যায় না।
এই চার দেয়ালের নিস্তব্ধতা কোনো শূন্যতা নয়;
এটা পাথরের ভেতরে লুকিয়ে থাকা এক দীর্ঘশ্বাস,
যা যেকোনো সুরক্ষিত দুর্গের চেয়েও
অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী।

তোমরা বাতাস আটকে রাখতে পারো,
চোখের ওপর বাঁধতে পারো কালো কাপড়ের অন্ধ পট্টি,
কিন্তু মানুষের স্মৃতির কোষে যে আলো জ্বলে—
তাকে গুম করার মতো
কোনো গোপন সেল এখনও তৈরি হয়নি পৃথিবীতে।
যে রাষ্ট্র নিজের নাগরিকদের ছায়াকে পর্যন্ত ভয় পায়,
সে আসলে নিজের মসনদের তলায়
প্রতিদিন একটি করে গোপন খাদ তৈরি করে।

ইতিহাস কোনো সাজানো প্রেসনোটে বাঁচে না,
স্তাবকদের কেনা কলমেও ইতিহাস লেখা থাকে না।
ইতিহাস বেঁচে থাকে নখের আঁচড়ে
ক্ষতবিক্ষত ওই এক ইঞ্চি পোড়া প্লাস্টারে।
যেদিন ঐ তালাবদ্ধ লোহার দরজা খুলে দেওয়া হবে,
সেদিন কোনো কাগুজে প্রমাণের প্রয়োজন পড়বে না—
এই দেওয়াল নিজেই আদালতে দাঁড়িয়ে সাক্ষ্য দেবে,
আর প্রতিটি দাগ থেকে উচ্চারিত হবে
ক্ষমতার মুখে এক আজন্ম চপেটাঘাত।
বিস্তারিত...

সাম্প্রতিক সংযোজন

শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে
রাধা-কৃষ্ণ মোঃ আবু তালেব 4716
চোখের নেশার ভালবাসা মোঃ আবু তালেব 1746
পল্লী স্মৃতি সুফিয়া কামাল 1692
চোখের কাজল মোঃ আবু তালেব 1617
তবে কেন আমি অপরাধী মোঃ আবু তালেব 1604
তোকে নিয়ে… এলোমেলো হাবীব কাশফি 1553
কর্মফল মোঃ আবু তালেব 1543
নবী দ্বীনের রাসুল মোঃ আবু তালেব 1503
রমণী মোঃ আবু তালেব 1467
চাঁদবদনী মোঃ আবু তালেব 1447
জন্মান্তর মোঃ আবু তালেব 1442
পার্থক্য মোঃ আবু তালেব 1439
ঘুঙুরটা আজ বাজুক জোরে মোঃ আবু তালেব 1401
তোমাকে ভালোবেসে জীবনানন্দ দাশ 1400
জরুরী বিষয় মোঃ আবু তালেব 1400
করিব আজ রঙ্গ লীলা মোঃ আবু তালেব 1390
অবিলাষ মোঃ আবু তালেব 1387
রাধা প্রেমের প্রেমিক মোঃ আবু তালেব 1371
 সুপ্ত-প্রিয়া মোঃ আবু তালেব 1364
শ্যাম তোমারে ভালবেসে মোঃ আবু তালেব 1357
শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে
সিংহাসনে রক্তের দাগ মো: আবু তালেব 18
আয়নাঘরের দেওয়াললিপি মো: আবু তালেব 19
রক্তে লেখা নতুন মানচিত্র মো: আবু তালেব 66
ব্যারিকেড ভাঙার শব্দ মোঃ আবু তালেব 30
মহাপ্লাবনের ইশতেহার মো: আবু তালেব 37
চুনকামের নিচে আগুন মো: আবু তালেব 38
আমাদের মৃত্যুগুলো সংখ্যা নয় মোঃ আবু তালেব 42
নিঃশব্দতার ব্যাকরণ মো: আবু তালেব 42
মুক্তির শেষ ইশতেহার মোঃ আবু তালেব 43
দালালির মহাফেজখানা মোঃ আবু তালেব 67
ভয়ের চেয়ে ক্রোধ বড় মো: আবু তালেব 47
মর্গের টেবিলের বক্তব্য মোঃ আবু তালেব 42
যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পারো নাই কাজী নজরুল ইসলাম 54
রক্তের কোনো সমঝোতা হয় না মো: আবু তালেব 57
পালাবার পথ নেই মোঃ আবু তালেব 58
বুলেটবিদ্ধ খাতা মো: আবু তালেব 87
টং দোকানের বাংলাদেশ মো: আবু তালেব 76
কাফন ছাড়া লাশ মো: আবু তালেব 64
চেয়ারের কোন ধর্ম নেই মো: আবু তালেব 79
একটি নিখোঁজ জুতো মো: আবু তালেব 68
শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে
সিজার আফজাল সুয়েব 20
আল্লাহু আল্লাহু সুলাইমান সিরাজ 22
সে কখনো চিঠি লেখেনি মেহেদী হাসান আইয়ুশ 27
পৃথিবী সুস্থ হলে মেহেদী হাসান আইয়ুশ 25
তুমুল সন্ন্যাসী হতে হতে মেহেদী হাসান আইয়ুশ 25
এসো ফিরে কবি সমুদ্র দাস 36
বৃত্তের বাইরে আফজাল সুয়েব 60
অনন্ত ধ্রুবক মোছাঃ লুবা আক্তার 72
বৃষ্টি ও ছাতার কথোপকোথন Md. Mustafizur Rahman 64
কর্পোরেট কালচার Md. Mustafizur Rahman 74
শব্দের সুনামি Md. Mustafizur Rahman 74
এ শহর আমার নয় Md. Mustafizur Rahman 79
বায়তুল মাক্বদিস ফেরদাউস সরকার 94
কবির কলমে নবির ছবি কবি ফেরদাউস সরকার 92
প্রত্যাবর্তন রাফাত আহমেদ 90
মৃত্যুদিন শ্রীমল্লার 109
কাঁটাতার ফেরদাউস সরকার 139
তোমাকেই বলছি হে ভারত! ফেরদাউস সরকার 101
হাসান বলছি আল আমিন ইসলাম 118
নীল নিঃশব্দের ভেতর আল আমিন ইসলাম 125
শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে