কবি ও কাব্য — বাংলা কবিতার অনলাইন সংগ্রহশালা

নভেম্বরের হিম কুয়াশায় ঘাতক বুনেছিল ফাঁদ,
সার্বভৌম স্বদেশের গায়ে আঁকছিল অপরাধ!
রাষ্ট্র তখন দুলছিল যেন ঝড়ে পড়া এক তরী,
গুপ্ত রাতের নিঃশব্দ বিষে কাঁপছিল বিভাবরী।

ঠিক তখনই নিস্তব্ধতা চিরে জাগল ক্রুদ্ধ জনতা,
ব্যারাক থেকে ভাঙল শিকল, চূর্ণ হলো হীনতা!
ট্যাঙ্কের নলে রক্তগোলাপ, সিপাহি-জনতা এক—
ইতিহাসের রাজপথে আজ রুদ্র চরণ দেখ!

বন্দিদশা থেকে ছিনিয়ে আনল জাতির দীপ্ত প্রাণ,
জিয়ার বজ্রকণ্ঠে আবার ফিরল দেশের মান!
তিনি ছিলেন ঝড়ের নাবিক, মেরুদণ্ড টানটান,
পরাধীনতার আঁধার মুছে জাগালেন অভিযান।

সাতই নভেম্বর মানে কোনো আপস না-মানা গান,
আগ্রাসনের মুখে ছুঁড়ে দেওয়া কোটি মানুষের জান!
শহীদ জিয়া অমর সাহস, বিপ্লবের জয়ডঙ্কা—
তাঁর দেখানো স্বদেশের পথে নাইকো কোনো শঙ্কা!

সাতই নভেম্বরের রুদ্রগান

যখন গোটা দেশজুড়ে নেমে এসেছিল নিশ্ছিদ্র অমানিশা,
রাজনীতির মঞ্চ যখন বিভ্রান্ত, চারদিকে এক দিশাহীন হাহাকার—
তখন কালুরঘাটের ভাঙা ট্রান্সমিটারের ভেতর থেকে
বজ্রের মতো আছড়ে পড়েছিল একটি নির্ভীক কণ্ঠস্বর:
‘আমি মেজর জিয়া বলছি...’

সে কেবল কোনো সামরিক ঘোষণা ছিল না;
ওটা ছিল এক অবরুদ্ধ, নিরস্ত্র জাতির বুকে
স্বাধীনতার প্রথম স্ফুলিঙ্গ জ্বালিয়ে দেওয়ার ঐতিহাসিক স্পর্ধা।
তুলে নেওয়া রাইফেলের ট্রিগারে তিনি শুনিয়েছিলেন
মাথা নত না করার আদিম মন্ত্র।

তারপর এলো নভেম্বরের সেই রুদ্ধশ্বাস রাত।
ষড়যন্ত্রের কালো মেঘ যখন আবার গিলতে চেয়েছিল এই মানচিত্রকে,
যখন খাদের কিনারায় কাঁপছিল নবীন সার্বভৌমত্ব—
তখন তিনি আর শুধু ব্যারাকে বন্দি রইলেন না;
সিপাহি আর জনতার উত্তাল তরঙ্গে ভেসে
তিনি হয়ে উঠলেন এই ভূখণ্ডের ভরসার একমাত্র নোঙর।

জিয়া কোনো শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ড্রয়িংরুমের শাসক ছিলেন না।
গায়ে সেই পরিচিত ধূসর সাফারি, পায়ে ধুলোমাখা সাধারণ জুতো—
তিনি নেমে গিয়েছিলেন রোদে পোড়া কৃষকের ধানক্ষেতে।
কোদাল হাতে মাটি কেটে, শ্রমিকের পাশে বসে ঘাম মুছে
তিনি এক পরনির্ভরশীল জাতিকে শুনিয়েছিলেন আত্মনির্ভরতার গান।
তিনি শিখিয়েছিলেন—
অন্যের করুণায় মাথা গুঁজে বাঁচার নাম সার্বভৌমত্ব নয়;
সার্বভৌমত্ব হলো নিজের জমিনে বুক টানটান করে দাঁড়ানোর আত্মমর্যাদা।

ক্ষমতা তাঁকে অনেক কিছু দিতে পারত;
কিন্তু তিনি ক্ষমতার কাছ থেকে কেবল দায়িত্বটাই তুলে নিয়েছিলেন,
কোনো বৈভব স্পর্শ করতে পারেননি তাঁকে।
তাই ঝড়ের মতো এক বিষাদময় ভোরে যখন বুলেট তাঁর বুক চিরে চলে গেল,
তখন তাঁর রেখে যাওয়া ধনসম্পদ খুঁজতে গিয়ে
গোটা বিশ্ব স্তব্ধ হয়ে দেখল—
একটি ভাঙা স্যুটকেস আর একখানা বিবর্ণ ছেঁড়া গেঞ্জি!

একজন রাষ্ট্রনায়কের এই নিঃস্বতাই
তাঁকে তুলে দিয়ে গেল ইতিহাসের সর্বোচ্চ বেদিতে।

বুলেট দিয়ে শরীর ঝাঁঝরা করা যায়,
কিন্তু যে মানুষটা একটি জাতির মেরুদণ্ডে আত্মসম্মানের রক্ত সঞ্চার করে দিয়ে যায়—
তাকে কোনোদিন কবরের অন্ধকারের নিচে চাপা দেওয়া যায় না।

শহীদ জিয়া কেবল অতীতের কোনো স্মৃতিস্তম্ভ নন;
তিনি এই মাটির বুকে খোদাই হয়ে থাকা এক অবিনশ্বর সাহস—
একটি জাতির আত্মমর্যাদার সেই অমর, অসমাপ্ত বাক্য;
যার প্রতিটি শব্দে আজও স্পন্দিত হয়
এই মানচিত্রের মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার অঙ্গীকার।

শহীদ জিয়া

নভেম্বরের সেই হিম কুয়াশা কেবল শীতের বার্তা নিয়ে আসেনি,
নিয়ে এসেছিল এক রুদ্ধশ্বাস রাতের অন্ধকার।
চারিদিকে বিভ্রান্তি, অন্দরে অন্দরে ক্ষমতার কুৎসিত পাশাখেলা,
আর সীমান্তের ওপারে ওত পেতে থাকা শকুনের অতৃপ্ত দৃষ্টি—
রাষ্ট্র তখন নিজেরই ছায়াকে ভয় পাচ্ছিল।

ক্ষমতা যখন রুদ্ধদ্বার কক্ষে বসে
একটি জাতির ভাগ্যকে পণ্যের মতো দরদাম করছিল,
তখন কোনো রাজকীয় ফরমান জারির অপেক্ষায় বসে থাকেনি রাজপথ।

ব্যারাকের সাধারণ সৈনিক আর ফুটপাতের সাধারণ মানুষ—
ইতিহাস যাদের কেবল আজ্ঞাবহ সংখ্যার মতো ব্যবহার করতে চেয়েছিল,
তারা সেদিন এক অলিখিত ইঙ্গিতে ভেঙে ফেলেছিল সমস্ত দেয়াল।

ট্যাঙ্কের শক্ত, শীতল লোহার ওপর সেদিন কোনো হিংস্রতা ছিল না;
সেখানে ঘটেছিল এক ঐতিহাসিক আলিঙ্গন।
রাইফেল ধরা হাত আর লাঙল চালানো হাত
একে অপরকে ছুঁয়ে বুঝে নিয়েছিল—
মাটি যদি হারিয়ে যায়, তবে কোনো সিংহাসনই আর অবশিষ্ট থাকে না।

বিপ্লব কোনো শূন্য স্লোগানের নাম নয়;
বিপ্লব হলো দাসত্বের চুক্তিপত্রকে এক নিমেষে পদদলিত করার স্পর্ধা।
আর সংহতি কোনো কাগুজে ঐক্যের মহড়া নয়;
সংহতি হলো হাজারো মতপার্থক্য সত্ত্বেও
নিজের সার্বভৌমত্বকে অন্যের পায়ে বন্ধক না দেওয়ার চরম পণ।

সেদিন সিপাহি আর জনতা বুঝিয়ে দিয়েছিল—
এই দেশ কোনো তাঁবেদারির চারণভূমি হতে জন্মায়নি;
এ দেশের মানচিত্র কোনো প্রভুর করুণার দান নয়।

কিন্তু আজ, এত বছর পর—
ইতিহাস যখন কেবল বাৎসরিক সভার বক্তৃতায় বন্দি হতে চায়,
তখন আমাদের দিকে তাকিয়ে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে সেই রাত।

আজও কি আমরা সেই সংহতির প্রকৃত অর্থ বুঝতে পেরেছি?
নাকি আধিপত্যের নতুন শৃঙ্খল আর নিজেদের ভেতরের লোভ
আমাদের মেরুদণ্ডকে আবার নুয়ে দিতে চাইছে?

সার্বভৌমত্ব কোনো সমাপ্ত দলিল নয়, যা একবার লিখে নিলেই চলে।
সার্বভৌমত্ব হলো প্রতিটি প্রজন্মের রক্তে বয়ে চলা এক চিরন্তন দায়—
এক অবিনশ্বর, অসমাপ্ত বাক্য;
যার সম্মান বাঁচাতে হলে আজও মানুষকে
নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে দাঁড়িয়ে পড়তে হয়
একই মাটির পতাকাতলে।

মানচিত্রের জাগ্রত রাত (৭ নভেম্বর)

৪১.

টিফিনের স্কুলের ঘণ্টা,
টিউবওয়েলের ঠান্ডা পানি খেয়ে
পেট ভরালো এক বালক।

৪২.

আঁকা হলো নতুন সীমানা,
পাখিটা অবাধে উড়ে গেল
এক দেশ থেকে অন্য দেশে।

৪৩.

টেবিলের নিভে যাওয়া মোমবাতি,
অন্ধকারে জমে রইল
জমে যাওয়া কান্নার মোম।

৪৪.

শোকেসের মোমের পুতুল,
স্থির চোখে চেয়ে আছে
মানুষের কৃত্রিম হাসির দিকে।

৪৫.

চুলার ধোঁয়া ওঠা নিভু ছাই,
মায়ের আঁচলে ঢাকা
ক্ষুধার্ত এক উপবাস।

৪৬.

উঁচু ডায়াসে মাইকের চিৎকার,
শ্রোতার আসনে বসে থাকা
একদল বধির পাথর।

৪৭.

বিদ্যুতের তারে ছেঁড়া ঘুড়ি,
বাতাসে ছটফট করছে
আটকে থাকা মুক্ত আকাশ।

৪৮.

স্টেশনের ধোঁয়া ওঠা প্ল্যাটফর্ম,
ট্রেনটা চলে গেল দূরে—
পড়ে রইল একলা ছায়া।

৪৯.

চারজনের কাঁধে কাঠের খাট,
জীবিতরা বয়ে নিয়ে যাচ্ছে
এক মুক্ত মানুষের ভার।

৫০.

সব কথা বলা হলো না,
বুকের ভেতর অতল রয়ে গেল
এক অসমাপ্ত বাক্য।

মোঃ আবু তালেব এর পঞ্চম হাইকো

৩১.
মুঠোফোনে বেজে চলা রিংটোন,
শব্দহীন শূন্য ঘরে
কেউ আর রিসিভ করল না।

৩২.
চশমার ধুলোমাখা কাচ,
মুছে ফেলে দেখতে গিয়ে
অন্ধকারটা আরও বাড়ল।

৩৩.
কয়লার ভারী ইস্ত্রি,
কাপড়ের ভাঁজ মসৃণ হলো—
মনটা দুমড়েই রইল।

৩৪.
চায়ের টং দোকানের কোণে
চুপিচুপি উচ্চারিত হলো—
দেশ বদলে দেওয়ার স্বপ্ন।

৩৫.
তেরো টাকার সস্তা সিগারেট,
একটুখানি ধোঁয়ায় উড়ে গেল
সারাদিনের চরম অপমান।

৩৬.
কাঁটাতারে ঝুলে থাকা জামা,
মানচিত্রের দাগ বুঝতে পারল না
উদ্বাস্তু এক শিশু।

৩৭.
কাচের স্বচ্ছ লিফট,
ওপরে উঠছে শরীর—
ভেতরটা পাতালমুখী।

৩৮.
ডায়েরির শেষ শাদা পাতা,
কলমের কালি শুকিয়ে গেছে—
কথাগুলো রয়ে গেল মনে।

৩৯.
ব্যাংকের লোহার ভল্ট,
টাকার পাহাড় পাহারা দিচ্ছে
এক ক্ষুধার্ত সিকিউরিটি গার্ড।

৪০.
হাসপাতালের লম্বা বিল,
ভিটেমাটি বেচে দিয়ে
বাড়ি ফিরল নিঃস্ব পরিবার।

মোঃ আবু তালেব এর চতুর্থ হাইকো

বাছাইকৃত কবিতা

সাম্প্রতিক সংযোজন

শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
রাধা-কৃষ্ণ কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 4889
চোখের নেশার ভালবাসা অবিনব মোঃ আবু তালেব 1936
পল্লী স্মৃতি পল্লী সুফিয়া কামাল 1843
চোখের কাজল কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1818
তবে কেন আমি অপরাধী অবিনব মোঃ আবু তালেব 1737
তোকে নিয়ে… এলোমেলো তোকে নিয়ে হাবীব কাশফি 1722
কর্মফল চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1673
নবী দ্বীনের রাসুল অন্তরে ইসলাম মোঃ আবু তালেব 1645
তোমাকে ভালোবেসে তোমাকে ভালোবেসে জীবনানন্দ দাশ 1637
রমণী চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1609
চাঁদবদনী অবিনব মোঃ আবু তালেব 1595
জন্মান্তর অবিনব মোঃ আবু তালেব 1576
পার্থক্য চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1562
ঘুঙুরটা আজ বাজুক জোরে অবিনব মোঃ আবু তালেব 1547
জরুরী বিষয় অন্তরে ইসলাম মোঃ আবু তালেব 1533
অবিলাষ চতুষ্পদী কাব্য মোঃ আবু তালেব 1526
শ্যাম তোমারে ভালবেসে কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1522
রাধা প্রেমের প্রেমিক কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1521
করিব আজ রঙ্গ লীলা কীর্তনাঙ্গ মোঃ আবু তালেব 1521
 সুপ্ত-প্রিয়া অবিনব মোঃ আবু তালেব 1505
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
সাতই নভেম্বরের রুদ্রগান অবিনব মোঃ আবু তালেব 8
শহীদ জিয়া অবিনব মোঃ আবু তালেব 12
মানচিত্রের জাগ্রত রাত (৭ নভেম্বর) অবিনব মোঃ আবু তালেব 31
মোঃ আবু তালেব এর পঞ্চম হাইকো অবিনব মোঃ আবু তালেব 4
মোঃ আবু তালেব এর চতুর্থ হাইকো অবিনব মোঃ আবু তালেব 4
মোঃ আবু তালেব এর তৃতীয় হাইকো অবিনব মোঃ আবু তালেব 10
মোঃ আবু তালেব এর দ্বিতীয় হাইকো অবিনব মোঃ আবু তালেব 10
মোঃ আবু তালেব এর প্রথম হাইকো অবিনব মোঃ আবু তালেব 13
লজ্জা অবিনাশী পদ্য ইমন ভাদ্রে 22
ভাবের পদাবলী শিরোনামহীন সৈয়দ রনো 19
অভিশাপ দোলনচাঁপা কাজী নজরুল ইসলাম 24
অপ্রত্যাশিত অন্ধকার আগুনের ফুল ইমন ভাদ্রে 21
ক্লান্ত শহর শিরোনামহীন সৈয়দ রনো 31
হেমন্ত - (রেজাউদ্দিন স্টালিন) হেমন্ত রেজাউদ্দিন স্টালিন 29
নীলাদ্র প্রহর শিরোনামহীন সৈয়দ রনো 35
মানবিক পৃথিবী শিরোনামহীন সৈয়দ রনো 38
শিরোনামহীন শিরোনামহীন সৈয়দ রনো 40
কবির ব্যক্তিগত জীবন প্রথম নিরবতা মোঃ আবু তালেব 36
নিচু মানুষ প্রথম নিরবতা মোঃ আবু তালেব 35
সম্মানিত মানুষ প্রথম নিরবতা মোঃ আবু তালেব 31
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ কবি পঠিত হয়েছে
শীত জীবন পাতার পদ্মফুল ইমদাদ শাহ্ 23
মৃত্যুর ডাক নাম স্বাধীনতা নাই শাবলু শাহাবউদ্দিন 22
প্রকৃতির মায়াবী ক্যানভাসে তুমি নাই শাবলু শাহাবউদ্দিন 27
হেমন্ত জীবন পাতার পদ্মফুল ইমদাদ শাহ্ 53
আমার দাদি প্রেমের অমল কাব্য (যৌথগ্রন্থ) মিরাজ হোসাইন গাজী 138
দাদির স্মরণে বসন্ত আসেনি ফিরে আব্দুল্লাহ আল নোমান 321
বটগাছ হারা এখনো নাম রাখিনি সাবিত রিজওয়ান 39
সবর কবর অবধি সবর ফেরদাউস সরকার - Ferdaus Sorkar 42
Salam মহাপ্রলয় ফেরদাউস সরকার - Ferdaus Sorkar 40
শুনলাম তোমার বিয়ে হয়েছে এখনো নাম রাখিনি সাবিত রিজওয়ান 36
বসন্ত আসেনি ফিরে বসন্ত আসেনি ফিরে আব্দুল্লাহ আল নোমান 177
আমরা নবীন বসন্ত আসেনি ফিরে আব্দুল্লাহ আল নোমান 130
দম্ভের দশ হাজার বাস্তব জীবন দরবেশ আল আমিন 95
আই ডোন্ট হ্যাভ অ্যা প্ল্যান অপ্রকাশিত মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা 110
নীরব যোদ্ধা জীবনের পান্ডুলিপি পুলক সরকার দীপ্ত 126
শরৎ এর আগমন জীবনের পান্ডুলিপি পুলক সরকার দীপ্ত 141
শারদীয় উৎসব জীবনের পান্ডুলিপি পুলক সরকার দীপ্ত 115
একুশ জীবনের পান্ডুলিপি পুলক সরকার দীপ্ত 117
প্রেম চোখের জলে নদী মাজেদুল হক 120
নাফা নাফা মেহেদী হাসান আইয়ুশ 136
শিরোনাম কাব্যগ্রন্থ< কবি পঠিত হয়েছে
No poem found