কবি ও কাব্য — বাংলা কবিতার অনলাইন সংগ্রহশালা

তোমরা ড্রোন উড়িয়ে দেখেছ নির্জন রাস্তাঘাট,
সাঁজোয়া গাড়ির ভারী গর্জনে ভেবেছ শহর স্তব্ধ করে দিয়েছ চিরতরে।
কিন্তু তোমরা মাটির কম্পন মাপতে শেখোনি!
তোমরা জানো না— ভয় যখন একটা জাতির গলার নলি চেপে ধরে,
তখন সেই ভয়েরই অন্ধকূপ ফুঁড়ে জন্ম নেয় শত শতাব্দীর আগুন!

যে ছেলেটা এতদিন বেতন না পেয়ে অফিসে মাথা নিচু করে থাকত,
যে মজুরটা সারাদিন ঘাম ঝরিয়ে পুলিশের বুটের গুঁতো নীরবে সয়ে নিত—
আজ তাদের চোখের তারায় ফুটে উঠেছে আদিম এক প্রতিশোধের শিখা।
তারা আর করজোড়ে অধিকার ভিক্ষা চাইছে না,
তারা আজ রাজপথের বুক চিরে উপড়ে আনছে ভাঙা কংক্রিটের টুকরো!

শোনো হে হেলমেটের আড়ালে মুখ লুকানো কাপুরুষের দল,
শোনো হে বুলেটের পেছনে লুকিয়ে থাকা মসনদের পোষা ঘাতক—
একটা জাতিকে তোরা আর কতবার মারবি?
মরতে মরতে মানুষ যখন মৃত্যুর সীমানা পার হয়ে যায়,
তখন আর বন্দুকের নল কোনো বিভীষিকা থাকে না!
তখন একটি খালি হাতের সংকল্প
তোমাদের লাখ টাকার সাঁজোয়া বর্মের চেয়েও বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

তোমরা জারি করো নতুন হুলিয়া, পাঠাও প্রিজন ভ্যান,
টেলিভিশনের পর্দায় চালাও শান্তি আর প্রগতির মিথ্যা তামাশা!
কিন্তু অলিতে-গলিতে, কারখানায়, ছাদের কার্নিশে
আজ হাজার হাজার অবাধ্য প্রাণ এক কাতারে এসে দাঁড়িয়েছে।
সেই চোখের দৃষ্টিতে কোনো আপসের জায়গা নেই,
ওখানে জমা হয়ে আছে শুধু কোটি বঞ্চিতের চূড়ান্ত ফয়সালা!

বুলেট দিয়ে হয়তো কয়েকটা শরীর মাটিতে ফেলে দেওয়া যায়,
কিন্তু গোটা একটা প্রজন্মের ভেতরের আগুন নেভানোর মতো কোনো অস্ত্র তৈরি হয়নি।
আজ রাজপথের প্রতিটি ধূলিকণা সাক্ষী—
তোমাদের জলকামান, টিয়ারগ্যাস আর উর্দির অহংকারের চেয়ে
আমাদের না-থামা ক্ষোভ হাজার গুণ বেশি অপরাজেয়!

যেদিন এই পুঞ্জীভূত ক্রোধ আছড়ে পড়বে ক্ষমতার তোরণে,
সেদিন কোনো প্রিজন ভ্যান তোদের বাঁচাতে পারবে না—
জনতার পায়ের তলায় পিষে ধূলিসাৎ হবে তোদের রক্তমাখা তাসের সাম্রাজ্য!

ভয়ের চেয়ে ক্রোধ বড়

সিটি কর্পোরেশনের পানির গাড়ি নামিয়েছিস মধ্যরাতে,
ভেবেছিস তীব্র তোড়ে পিচঢালা অ্যাসফল্ট থেকে ধুয়ে সাফ করবি ছিটকে পড়া তাজা মগজ আর রক্ত?
না! ড্রেনের ভেতরে রক্ত মিশিয়ে দিলেই ইতিহাস ধুয়ে ফেলা যায় না!
ফরমালিনের ঝাঁঝালো গন্ধে ভারী হয়ে ওঠা মর্গের ঠান্ডা মেঝে
আজ তোদের পুরো শাসনতন্ত্রের কফিনের মাপ ঘোষণা করে দিয়েছে।

ইন্টারনেট বন্ধ করে ব্ল্যাকআউট নামালি শহরের বুকে,
সাইরেন বাজিয়ে সাঁজোয়া বহর ঘুরিয়ে ভাবলি অন্ধকারের পেটে গুম করে দেওয়া গেল হত্যাযজ্ঞ?
অথচ যে ছেলেটার পাঁজরে তোরা স্নাইপারের গুলি ঢুকিয়ে নাম দিলি ‘দুষ্কৃতকারী’,
তার ছেঁড়া পকেটে পাওয়া গেছে মাত্র বিশ টাকার একটা ময়লা নোট আর মায়ের প্রেসক্রিপশন!
এই ছিল তার অপরাধ?
এই অনাহারী, রিক্ত তরুণদের বুক লক্ষ্য করে তোরা দাগলি রাষ্ট্রীয় বুলেট?

শোন ওহে কন্ট্রোল রুমের শীতাতপনিয়ন্ত্রিত জল্লাদশ্রেণী—
তোমাদের প্রেসনোট, বানোয়াট ভিডিও আর ভাড়াটে বুদ্ধিজীবীর যুক্তি দিয়ে
এই প্রকাশ্য নরমেধের সত্যকে কবর দেওয়া যাবে না।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগে জমে ওঠা জমাট লাল রক্তের মেঝে,
আর পায়ের আঙুলে নম্বর-ট্যাগ ঝুলিয়ে দেওয়া বেওয়ারিশ লাশগুলো
কোনো কাগুজে পরিসংখ্যান নয়—
ওরা একেকটা জীবন্ত ডেটোনেটর, যা ফাটবে তোদের সিংহাসনের ঠিক তলায়!

আমরা টিয়ারগ্যাসের শেলের মুখে ভেজা কাপড় চেপে শ্বাস নিতে শিখেছি,
বুলেটের শিষের ভেতর দিয়ে রাজপথ দখল করতে শিখেছি।
যে প্রজন্ম মৃত্যুভয়কে একবার ড্রেনের পানিতে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে,
তাকে তোরা কোন খাঁচার ভয় দেখাবি?
অ্যাসফল্ট ধুয়ে রক্তের দাগ হয়তো মুছে দেওয়া যায়,
কিন্তু মানুষের স্মৃতির কোষে যে আগুন তোরা জ্বেলে দিয়েছিস—
তা তোদের গোটা সাম্রাজ্যকে জ্বালিয়ে ছাই না করা পর্যন্ত নিভবে না!

আজ এই বধ্যভূমির খাঁজে খাঁজে দাঁড়িয়ে চরম সত্যটা জানিয়ে দিলাম—
মর্গের টেবিল কোনো মিথ্যা বয়ান দেয় না,
রক্তাক্ত চশমা কোনো আপস চেনে না!
যে রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে তোরা ক্ষমতার বড়াই করছিস,
সেই রক্তই কাল তোদের টেনে নামাবে মসনদ থেকে নর্দমার নোংরা পাঁকে!

মর্গের টেবিলের বক্তব্য

যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পারো নাই

জীবন থেকে কিছু স্বপ্ন হারাই, দুঃখ করি বিয়োগ,
নতুন পথের সমীকরণে মেলে নতুন যোগ।
অজানা এক চলকের মান বুকে নিয়ে চলি,
নতুন আলোর সন্ধানেতে এগিয়ে যাই বলি।

সংখ্যা ছাড়া গণিত যেমন হয় যে অসহায়,
তোমাকে ছাড়া এই জীবনে আমি পথ হারাই।
শূন্যের মতো খুঁজে পাই তোমায় বারে বার,
তোমাকে ঘিরে সংখ্যাজগৎ পায় অস্তিত্ব তার।

আমাদের এই সম্পর্ক যেন ভগ্নাংশের মেলা,
তুমি হলে লব, আমি হর, চিরন্তন এই খেলা।
চলার পথে কখনো হই প্রকৃত, কখনো হই
অপ্রকৃত রূপ নিয়েও পাশাপাশি রই।

তোমার বৃত্তে কেন্দ্র না হই, ক্ষতি নেই তাতে,
ব্যাসার্ধ হয়ে মিশে থাকব তোমার সাথে সাথে।
জ্যা-র মতো বিস্তৃত হব তোমার মাঝে আমি,
তোমার প্রতিটি কোণে কোণে হব অন্তর্যামী।

পাই-এর মতো ভালোবাসা হোক অফুরন্ত,
যে প্রেমের নেই শেষ, নেই কোনো অন্ত।
এই জীবনের গণিতে তুমি থেকো ধ্রুবক হয়ে,
অসীম পথে বহে যাক প্রেম অনন্ত বেয়ে।

"অনন্ত ধ্রুবক" আমার লেখা প্রথম গণিত বিষয়ক কবিতা।

২৭/৪/২০২৬

অনন্ত ধ্রুবক

তোমাদের গোলটেবিল,
সাজানো সন্ধিপত্র আর সুশীল ক্ষমার খসড়ায়
আমরা একদলা থুতু ফেলে দিলাম!
যে রক্ত শুকিয়ে কালো অ্যাসফল্টকে
পাথরের মতো শক্ত করে ফেলেছে,
সেই রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে
কোনো আপসের বৈঠক বসে না।

তোমরা ভেবেছ একটা গদি বদল,
কিছু কাগুজে বিবৃতি
আর টেলিভিশনের পর্দায়
দুটো কুমিরের চোখের জলের বিনিময়ে
মুছে ফেলা যাবে গুমঘরের নোনা দেয়ালে
লেগে থাকা নখের আঁচড়?
ভেবেছ শহীদের লাশের ওপর মাখনের প্রলেপ দিলে
কবর থেকে ফেটে বেরোনো
কঙ্কালের চিৎকার স্তব্ধ হয়ে যাবে?

না!
আমরা সমঝোতার সাদা পতাকা ওড়াতে আসিনি,
আমরা এসেছি বধ্যভূমির প্রতিটি ফোঁটা রক্তের
পাই-টু-পাই হিসেব বুঝে নিতে।
যে বুলেটে এফোঁড়-ওফোঁড় হয়েছিল
আমাদের ভাইয়ের পাঁজরের হাড়,
সেই গলিত সীসার উত্তাপ ফিরিয়ে দেওয়া হবে
তোদের অহংকারের মুখে!

শোনো হে ক্ষমতার উচ্ছিষ্টভোগী মধ্যস্থতাকারীর দল,
শোনো হে আইনের নামাবলি পরা প্রকাশ্য কসাইশ্রেণী—
যে মা আজও চৌকাঠে বসে থাকে
না-ফেরা সন্তানের অপেক্ষায়,
সেই মায়ের একটা শুকিয়ে যাওয়া দীর্ঘশ্বাসের দাম
তোমাদের গোটা সাতপুরুষের চৌদ্দ সাম্রাজ্য
বেচে দিলেও শোধ হবে না!

আমাদের ক্রোধ কোনো ক্ষণস্থায়ী ধোঁয়া নয়—
এটা মাটির তলায় ফুটতে থাকা গনগনে ম্যাগমা।
তোমাদের আদালত বিক্রি হতে পারে,
তোমাদের সংবিধানের পাতা ছিঁড়ে
তোমরা ঠোঙা বানাতে পারো,
কিন্তু রাজপথের ইট-কংক্রিটে
দাঁড়িয়ে থাকা জনতার রুদ্র আদালত
কোনো আপস চেনে না।

এখানে প্রতিটি পড়ে থাকা
ছেঁড়া জুতো একেকটা অলিখিত রায়,
প্রতিটি বুলেটবিদ্ধ বুক একেকটা
জলন্ত ফাঁসির দড়ি!

ইতিহাসের তপ্ত চামড়া চিরে আজ
শেষ বাক্যটি খোদাই করে দিলাম:
জল্লাদের কোনো পুনর্বাসন নেই,
খুনির কোনো ক্ষমা নেই,
শহীদের রক্তের ওপর
কোনোদিন কোনো সমঝোতা হয় না!
হয় অধিকারের পূর্ণ প্রতিষ্ঠা,
নয় স্বৈরাচারের চিরন্তন ধ্বংস—
বাইরে কোনো তৃতীয় পথ নেই!

রক্তের কোনো সমঝোতা হয় না

বাছাইকৃত কবিতা

ভয়ের চেয়ে ক্রোধ বড়

- মো: আবু তালেব

তোমরা ড্রোন উড়িয়ে দেখেছ নির্জন রাস্তাঘাট,
সাঁজোয়া গাড়ির ভারী গর্জনে ভেবেছ শহর স্তব্ধ করে দিয়েছ চিরতরে।
কিন্তু তোমরা মাটির কম্পন মাপতে শেখোনি!
তোমরা জানো না— ভয় যখন একটা জাতির গলার নলি চেপে ধরে,
তখন সেই ভয়েরই অন্ধকূপ ফুঁড়ে জন্ম নেয় শত শতাব্দীর আগুন!

যে ছেলেটা এতদিন বেতন না পেয়ে অফিসে মাথা নিচু করে থাকত,
যে মজুরটা সারাদিন ঘাম ঝরিয়ে পুলিশের বুটের গুঁতো নীরবে সয়ে নিত—
আজ তাদের চোখের তারায় ফুটে উঠেছে আদিম এক প্রতিশোধের শিখা।
তারা আর করজোড়ে অধিকার ভিক্ষা চাইছে না,
তারা আজ রাজপথের বুক চিরে উপড়ে আনছে ভাঙা কংক্রিটের টুকরো!

শোনো হে হেলমেটের আড়ালে মুখ লুকানো কাপুরুষের দল,
শোনো হে বুলেটের পেছনে লুকিয়ে থাকা মসনদের পোষা ঘাতক—
একটা জাতিকে তোরা আর কতবার মারবি?
মরতে মরতে মানুষ যখন মৃত্যুর সীমানা পার হয়ে যায়,
তখন আর বন্দুকের নল কোনো বিভীষিকা থাকে না!
তখন একটি খালি হাতের সংকল্প
তোমাদের লাখ টাকার সাঁজোয়া বর্মের চেয়েও বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

তোমরা জারি করো নতুন হুলিয়া, পাঠাও প্রিজন ভ্যান,
টেলিভিশনের পর্দায় চালাও শান্তি আর প্রগতির মিথ্যা তামাশা!
কিন্তু অলিতে-গলিতে, কারখানায়, ছাদের কার্নিশে
আজ হাজার হাজার অবাধ্য প্রাণ এক কাতারে এসে দাঁড়িয়েছে।
সেই চোখের দৃষ্টিতে কোনো আপসের জায়গা নেই,
ওখানে জমা হয়ে আছে শুধু কোটি বঞ্চিতের চূড়ান্ত ফয়সালা!

বুলেট দিয়ে হয়তো কয়েকটা শরীর মাটিতে ফেলে দেওয়া যায়,
কিন্তু গোটা একটা প্রজন্মের ভেতরের আগুন নেভানোর মতো কোনো অস্ত্র তৈরি হয়নি।
আজ রাজপথের প্রতিটি ধূলিকণা সাক্ষী—
তোমাদের জলকামান, টিয়ারগ্যাস আর উর্দির অহংকারের চেয়ে
আমাদের না-থামা ক্ষোভ হাজার গুণ বেশি অপরাজেয়!

যেদিন এই পুঞ্জীভূত ক্রোধ আছড়ে পড়বে ক্ষমতার তোরণে,
সেদিন কোনো প্রিজন ভ্যান তোদের বাঁচাতে পারবে না—
জনতার পায়ের তলায় পিষে ধূলিসাৎ হবে তোদের রক্তমাখা তাসের সাম্রাজ্য!
বিস্তারিত...

মর্গের টেবিলের বক্তব্য

- মোঃ আবু তালেব

সিটি কর্পোরেশনের পানির গাড়ি নামিয়েছিস মধ্যরাতে,
ভেবেছিস তীব্র তোড়ে পিচঢালা অ্যাসফল্ট থেকে ধুয়ে সাফ করবি ছিটকে পড়া তাজা মগজ আর রক্ত?
না! ড্রেনের ভেতরে রক্ত মিশিয়ে দিলেই ইতিহাস ধুয়ে ফেলা যায় না!
ফরমালিনের ঝাঁঝালো গন্ধে ভারী হয়ে ওঠা মর্গের ঠান্ডা মেঝে
আজ তোদের পুরো শাসনতন্ত্রের কফিনের মাপ ঘোষণা করে দিয়েছে।

ইন্টারনেট বন্ধ করে ব্ল্যাকআউট নামালি শহরের বুকে,
সাইরেন বাজিয়ে সাঁজোয়া বহর ঘুরিয়ে ভাবলি অন্ধকারের পেটে গুম করে দেওয়া গেল হত্যাযজ্ঞ?
অথচ যে ছেলেটার পাঁজরে তোরা স্নাইপারের গুলি ঢুকিয়ে নাম দিলি ‘দুষ্কৃতকারী’,
তার ছেঁড়া পকেটে পাওয়া গেছে মাত্র বিশ টাকার একটা ময়লা নোট আর মায়ের প্রেসক্রিপশন!
এই ছিল তার অপরাধ?
এই অনাহারী, রিক্ত তরুণদের বুক লক্ষ্য করে তোরা দাগলি রাষ্ট্রীয় বুলেট?

শোন ওহে কন্ট্রোল রুমের শীতাতপনিয়ন্ত্রিত জল্লাদশ্রেণী—
তোমাদের প্রেসনোট, বানোয়াট ভিডিও আর ভাড়াটে বুদ্ধিজীবীর যুক্তি দিয়ে
এই প্রকাশ্য নরমেধের সত্যকে কবর দেওয়া যাবে না।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগে জমে ওঠা জমাট লাল রক্তের মেঝে,
আর পায়ের আঙুলে নম্বর-ট্যাগ ঝুলিয়ে দেওয়া বেওয়ারিশ লাশগুলো
কোনো কাগুজে পরিসংখ্যান নয়—
ওরা একেকটা জীবন্ত ডেটোনেটর, যা ফাটবে তোদের সিংহাসনের ঠিক তলায়!

আমরা টিয়ারগ্যাসের শেলের মুখে ভেজা কাপড় চেপে শ্বাস নিতে শিখেছি,
বুলেটের শিষের ভেতর দিয়ে রাজপথ দখল করতে শিখেছি।
যে প্রজন্ম মৃত্যুভয়কে একবার ড্রেনের পানিতে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে,
তাকে তোরা কোন খাঁচার ভয় দেখাবি?
অ্যাসফল্ট ধুয়ে রক্তের দাগ হয়তো মুছে দেওয়া যায়,
কিন্তু মানুষের স্মৃতির কোষে যে আগুন তোরা জ্বেলে দিয়েছিস—
তা তোদের গোটা সাম্রাজ্যকে জ্বালিয়ে ছাই না করা পর্যন্ত নিভবে না!

আজ এই বধ্যভূমির খাঁজে খাঁজে দাঁড়িয়ে চরম সত্যটা জানিয়ে দিলাম—
মর্গের টেবিল কোনো মিথ্যা বয়ান দেয় না,
রক্তাক্ত চশমা কোনো আপস চেনে না!
যে রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে তোরা ক্ষমতার বড়াই করছিস,
সেই রক্তই কাল তোদের টেনে নামাবে মসনদ থেকে নর্দমার নোংরা পাঁকে!
বিস্তারিত...

সাম্প্রতিক সংযোজন

শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে
রাধা-কৃষ্ণ মোঃ আবু তালেব 4666
চোখের নেশার ভালবাসা মোঃ আবু তালেব 1726
পল্লী স্মৃতি সুফিয়া কামাল 1675
চোখের কাজল মোঃ আবু তালেব 1601
তবে কেন আমি অপরাধী মোঃ আবু তালেব 1592
তোকে নিয়ে… এলোমেলো হাবীব কাশফি 1532
কর্মফল মোঃ আবু তালেব 1525
নবী দ্বীনের রাসুল মোঃ আবু তালেব 1486
রমণী মোঃ আবু তালেব 1454
চাঁদবদনী মোঃ আবু তালেব 1428
পার্থক্য মোঃ আবু তালেব 1426
জন্মান্তর মোঃ আবু তালেব 1426
তোমাকে ভালোবেসে জীবনানন্দ দাশ 1380
ঘুঙুরটা আজ বাজুক জোরে মোঃ আবু তালেব 1380
জরুরী বিষয় মোঃ আবু তালেব 1380
করিব আজ রঙ্গ লীলা মোঃ আবু তালেব 1375
অবিলাষ মোঃ আবু তালেব 1372
রাধা প্রেমের প্রেমিক মোঃ আবু তালেব 1355
 সুপ্ত-প্রিয়া মোঃ আবু তালেব 1351
শ্যাম তোমারে ভালবেসে মোঃ আবু তালেব 1343
শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে
ভয়ের চেয়ে ক্রোধ বড় মো: আবু তালেব 4
মর্গের টেবিলের বক্তব্য মোঃ আবু তালেব 3
যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পারো নাই কাজী নজরুল ইসলাম 26
রক্তের কোনো সমঝোতা হয় না মো: আবু তালেব 29
পালাবার পথ নেই মোঃ আবু তালেব 29
বুলেটবিদ্ধ খাতা মো: আবু তালেব 42
টং দোকানের বাংলাদেশ মো: আবু তালেব 43
কাফন ছাড়া লাশ মো: আবু তালেব 41
চেয়ারের কোন ধর্ম নেই মো: আবু তালেব 48
একটি নিখোঁজ জুতো মো: আবু তালেব 44
পোস্টারে ঢাকা দেয়াল মো: আবু তালেব 49
চুপ কর, রাজা শুনছে মোঃ আবু তালেব 48
ক্ষিদে মো: আবু তালেব 54
রাজপথের থুতু মো: আবু তালেব 73
নগরীর নীরব মানুষ মো: আবু তালেব 49
যে সত্য বলা যায় না মো: আবু তালেব 56
মুখোশের ভিতরে মুখ মোঃ আবু তালেব 53
অন্যের চোখে আমি মোঃ আবু তালেব 51
সবাই আমাকে চেনে মোঃ আবু তালেব 56
পরিচয়ের কারাগার মোঃ আবু তালেব 70
শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে
অনন্ত ধ্রুবক মোছাঃ লুবা আক্তার 28
বৃষ্টি ও ছাতার কথোপকোথন Md. Mustafizur Rahman 37
কর্পোরেট কালচার Md. Mustafizur Rahman 56
শব্দের সুনামি Md. Mustafizur Rahman 49
এ শহর আমার নয় Md. Mustafizur Rahman 55
বায়তুল মাক্বদিস ফেরদাউস সরকার 66
কবির কলমে নবির ছবি কবি ফেরদাউস সরকার 76
প্রত্যাবর্তন রাফাত আহমেদ 71
মৃত্যুদিন শ্রীমল্লার 92
কাঁটাতার ফেরদাউস সরকার 110
তোমাকেই বলছি হে ভারত! ফেরদাউস সরকার 82
হাসান বলছি আল আমিন ইসলাম 99
নীল নিঃশব্দের ভেতর আল আমিন ইসলাম 100
চাঁদ হয়ে তুমি আসো মুহিববুল্লাহ আল মামুন 103
পানি লাগবে পানি ফেরদৌস রায়হান 145
মোরা বাংলাদেশী আজহারুল ইসলাম তালহা 159
নিজের শত্রু নিজেই আজহারুল ইসলাম তালহা 176
ভালো মানুষ ইবনে আলী 288
দুনিয়া তো ক্ষণিকের ইবনে আলী 164
শিকল ইবনে আলী 256
শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে