কবি ও কাব্য — বাংলা কবিতার অনলাইন সংগ্রহশালা

নোনাধরা ইটে ড্রামভর্তি আঠা মেখে যায়
একদল রাতের হায়না,
শহরের পিঠে সেঁটে দেয় মুখ—
যে মুখের কোনো লজ্জা থাকে না!
যে দেয়ালে ছিল বুলেটের দাগ,
যে দেয়ালে লেখা ছিল বিদ্রোহের গান,
সেখানেই আজ হাসছে জল্লাদ,
গলায় ঝুলিয়ে কাগুজে সম্মান।

পোস্টারের নিচে চাপা পড়ে থাকে
ধর্ষিত কোনো বোনের আর্তনাদ,
পোস্টারে ঢেকেছে অনাহারী চোখ,
গুম হয়ে যাওয়া ভাইয়ের খাদ।
হাতজোড় করা প্লাস্টিক-মুখ,
পেছনে লুকানো চুরির লোভ—
কাগজের পিঠে কাগজ জমিয়ে
ঢাকতে চায় কি মানুষের ক্ষোভ?

বাতাসে এখনো পোড়া বারুদ,
বাতাসে এখনো লাশের গন্ধ ভাসে,
আর তোদের ওই চকচকে ছবি
শকুনের মতো দাঁত মেলে হাসে!
ভাতের থালায় ঝুলিয়ে দিয়েছিস
মিথ্যে গণতন্ত্রের ফাঁদ,
কাগুজে হরফে উন্নয়ন লিখে
কিনতে চেয়েছিস গোটা দেশটার চাঁদ!

শোনো ওরে লোভী দালালচক্র,
শোনো ওরে বিষাক্ত কীটের দল—
দেয়াল কিন্তু পোস্টার নয়,
দেয়াল মানেই প্রতিবাদের সম্বল!
যেদিন এই শহরের ইট-পাঁজর থেকে
আঠার চামড়া যাবে খসে,
ছিঁড়ে ফেলা হবে তোদের ওই মুখ,
জ্বলবে আগুন রাজপথের রোষে!

তোদের কাগুজে কাফন জ্বালিয়ে বুক পেতে দেবে
মিছিলের একঝাঁক প্রাণ,
দেয়ালের রক্ত ধুয়ে দিয়ে
লিখে রেখে যাব আমি মুক্তির গান!

পোস্টারে ঢাকা দেয়াল

শাট আপ! একদম চুপ!
দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে,
আর তার ভেতর থেকে উঁকি মারছে
রাজার নোংরা কান।
টেলিফোনের তারে ঝুলছে
গোপন পুলিশের শুকনো লালা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
রিকশার প্যাডেল,
বাসের হ্যান্ডেল—
শহরের প্রতিটা খাঁজে গুঁজে দেওয়া হয়েছে
আড়িপাতার মাইক্রোফোন।

ফিসফিস করিস না!
তোর পেটের ভেতর খিদে ডাকলেও রাজা ভাবে— বিপ্লবের সাইরেন বাজল!
একটা মরা টিকটিকি খসে পড়লে
কেঁপে ওঠে সিংহাসনের পায়া,
এত সৈন্য, এত জলকামান,
এত বুলেটপ্রুফ চামড়া—
তবু রাতে ঘুম হয় না,
ঘুমের ঘোরে দাঁত কিড়মিড় করে স্বৈরাচার:
"কে ওখানে?
কে হাসল?
কার শ্বাসের শব্দ এত ভারী?"

জিভে সেলাই কর,
চোখে বাঁধ কালো ঠুলি।
খবরের কাগজের সাদা পাতায় ছেপে দে
রাজার বিষ্ঠার স্তুতিগান!
যদি বলিস 'ভাত নেই'—
তুই দেশদ্রোহী,
যদি বলিস 'শ্বাস নিতে পারছি না'—
তোর পিঠের চামড়ায় আঁকা হবে
ক্রসফায়ারের মানচিত্র।
গুমঘরের স্যাঁতসেঁতে মেঝেতে শুয়ে থাকা
নিখোঁজ খুলিগুলো জানে,
চুপ করে লাশ হয়ে থাকাটাই এই বধ্যভূমির
একমাত্র আইন।

কিন্তু কতক্ষণ চেপে রাখবি
এই পচা ড্রেনের মিথেন গ্যাস?
রাজা যত কান পাতবে,
বাতাসে তত বাড়বে গলিত সিসার গন্ধ।
শোন ওরে সিংহাসনের রক্তচোষা বাদুড়—
কান খুলে ভালো করে শোন!
তোর বুলেটপ্রুফ মহলের নিচে এখন ফুটছে
কোটি কোটি ক্ষুধার্তের অভিশাপ।

এবার ড্রেন থেকে,
গুমঘর থেকে,
বুলেটে ঝাঁঝরা রাজপথ থেকে
উঠে আসছে লক্ষ লক্ষ কেটে ফেলা জিভ!
তারা আর ফিসফিস করবে না,
সোজা তোর কানের ভেতর ঢুকিয়ে দেবে
গণঅভ্যুত্থানের বারুদ-ঠাসা লাল আঙুল!

চুপ কর, রাজা শুনছে

মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গলা ফাটাচ্ছে
গণতন্ত্রের কসাইরা,
লালা ছিটকে পড়ছে দামি পডিয়াম
আর কৃত্রিম ফুলের তোড়ায়।
ওরা গিলছে কাগুজে পরিসংখ্যান,
ওগড়াচ্ছে উন্নয়ন—
আর মাইকের তার দিয়ে পেঁচিয়ে ধরছে
একটা ক্ষুধার্ত জাতির গলা!

অথচ মঞ্চের নিচে—
ড্রেনের পাশে, বস্তির স্যাঁতসেঁতে চাতালে,
বন্ধ কারখানার গেটে
হাঁড়ির ভেতর ফুটছে না চাল,
ফুটছে মানুষের নাড়িভুঁড়ির খিদে!
পেটের ভেতর জ্বলছে এসিড,
দাঁতে দাঁত ঘষছে অনাহার,
বাতাসে ভাসছে শুধু এক ফোঁটা ভাতের ফ্যানের জন্য
আদিম আর্তি।

তোমাদের সংসদীয় বুলি কি চিবিয়ে খাওয়া যায়?
তোমাদের সংবিধান কি পাত পেড়ে
এক লোকমা ভাত দেবে?
যেখানে পেটের অন্ত্রে মোচড় দেয় প্রতিটা মধ্যরাত,
সেখানে তোমাদের ওই সভ্য ভাষণ
নিছক এক জঘন্য খিস্তি!

শোনো হে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মঞ্চের শুয়োরের দল—
ভাতের গন্ধ কোনো ভোটাভুটি চেনে না।
যেদিন এই কোটি কোটি শূন্য পাকস্থলী একসাথে আওয়াজ তুলবে,
ভেঙে গুঁড়িয়ে দেবে তোমাদের তোষাখানা
আর মাইকের খুঁটি!

ক্ষিদে যখন দাঁত বের করে গর্জন করবে রাজপথে—
তোমাদের সাজানো গণতন্ত্রের কাফন
ছিঁড়ে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে!

ক্ষিদে

সিংহাসনে বসে আছে একটা স্থূল মাংসের পিণ্ড,
লজ্জাহীনতার নগ্ন চাদরে ঢাকা তার সমস্ত অবয়ব।
চারপাশে দাঁড়িয়ে একপাল নপুংসক খাসি,
তারা চেঁচিয়ে বলছে— কী দিব্যি জরি!
কী নিখুঁত কারুকাজ!

তোষামোদের গন্ধে পচে যাচ্ছে শহরের বাতাস,
রাজা হাসছে, তার মাড়ির ফাঁক দিয়ে গড়াচ্ছে
কাঁচা রক্ত আর চর্বি।
ভয়ের রাজত্বে সবাই সেলাই করে নিয়েছে
নিজের নিজের জিভ,
শুধু মোসাহেবরা লেজ নাড়ছে,
পদের আশায় চাটছে রাজকীয় গোড়ালি।

এরপর রাজা নামল রাজপথে—
নগ্ন, কুৎসিত, থলথলে অহংকার নিয়ে।
কালো কাচের গাড়ি, ভারী বুটের শব্দ,
রাস্তায় ছিটকে পড়া তাজা লাশ।
হঠাৎ ড্রেন থেকে, ধুলো থেকে,
ফুটপাতের ভাঙা ইট থেকে
উঠে দাঁড়াল একটা ছেঁড়াখোড়া কঙ্কালসার হাত।

আঙুলটা সোজা বিঁধে গেল শাসকের চোখে।
বুকের ভেতর থেকে একটা অট্টহাসি
ফেটে পড়ল সারা শহরে—
"শালা উলঙ্গ! তোর গায়ে তো কিচ্ছু নেই!
তোর চামড়া জুড়ে লেপ্টে আছে খুন,
লুট আর ক্ষুধার্তের অভিশাপ!"

চামচারা থামল। থমকে গেল পেয়াদার চাবুক।
উলঙ্গ রাজার চোখের ওপর দাঁড়িয়ে আজ
থুতু ফেলছে আস্ত একটা রাজপথ!

রাজপথের থুতু

(মুখ ও মুখোশ)

এই শহরে
সবাই কথা বলে।
রাস্তায়,
বাসে,
দোকানে,
মুঠোফোনে
অবিরাম কথা।
শহর যেন
একটি বিশাল মুখ—
যে কখনো বন্ধ হয় না।

শুধু কিছু মানুষ
চুপ করে থাকে।
অবশ্য তাদেরও কথা আছে।
কিন্তু শহর ত
শুধু শব্দ শুনতে পায়,
নীরবতা নয়!

সকালে যে মানুষটি
ভিড়ের বাসে দাঁড়িয়ে থাকে,
তার হাতে অফিসের ব্যাগ,
চোখে রাতের ঘুমের শেষ অংশ—
কেউ জানে না
সে গতরাতে
কতবার ঘড়ির দিকে তাকিয়েছে।
ফুটপাতে যে মানুষটি
চা বিক্রি করে,
সে প্রতিদিন
শত মানুষের মুখ দেখে।
কিন্তু তার নিজের মুখটি
কেউ দেখে না।
অফিসের লিফটে
যে মানুষটি প্রতিদিন
একই তলায় নামে,
সে সবার সঙ্গে
“গুড মর্নিং” বলে।
তারপর সারাদিন
অসংখ্য ই-মেইলের উত্তর দেয়।
শুধু নিজের ভিতর থেকে আসা
একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে না—
“আমি কোথায় যাচ্ছি?”

এই শহরে
মানুষের অভাব নেই।
অভাব শুধু
একজন মানুষের পাশে
আরেকজন মানুষ হয়ে
দাঁড়ানোর।
এখানে সবাই ব্যস্ত।
কারও হাতে সময় নেই
কারও চোখের দিকে তাকানোর।

কেউ পড়ে গেলে
দশজন ভিডিও করে।
কেউ কাঁদলে
অনেকে তাকায়।
কিন্তু কেউ যদি
চুপচাপ ভেঙে পড়ে—
শহর তাকে
সহজেই পাশ কাটিয়ে যায়।
কারণ নীরব মানুষের
কোনো শব্দ নেই।
আর শব্দহীন কষ্টের
কোনো সংবাদমূল্য নেই।

রাতে শহরের আলো
আরও উজ্জ্বল হয়।
হাজার জানালায়
হাজার জীবন জ্বলে থাকে।
কোথাও জন্মদিন,
কোথাও ঝগড়া,
কোথাও হাসি,
কোথাও অপেক্ষা।
আর কোনো এক জানালার পাশে
একজন মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে।
সে নিচের রাস্তায় তাকায়।
গাড়ি যাচ্ছে।
মানুষ যাচ্ছে।
জীবন যাচ্ছে।
শুধু সে
কোথাও যাচ্ছে না।
তার মুখে কোনো কান্না নেই।
সে শুধু
দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে।
হয়তো তার সবচেয়ে বড়
চিৎকারটিও
আজ নীরব।

এই শহর তাকে চেনে না।
শহর শুধু জানে—
তার নাম,
তার পেশা,
তার ঠিকানা,
তার বেতন,
তার পরিচয়।
কিন্তু জানে না
কোন স্মৃতিতে
সে হঠাৎ থেমে যায়।
জানে না
কোন নামটি শুনলে
তার ভিতরে
একটি পুরোনো দরজা খুলে যায়।
জানে না
কতদিন ধরে
সে কাউকে বলতে চায়—
“আমার সঙ্গে একটু বসবে?”

কিন্তু শহর বসে না।
শহর ছুটে চলে।
সকাল থেকে রাত,
রাত থেকে সকাল।
আর তার ভেতর দিয়ে
হাজার হাজার নীরব মানুষ
অদৃশ্য নদীর মতো
বয়ে যায়।
তাদের কেউ কারও নাম জানে না।
তবু তারা
একই শহরের বাসিন্দা।
একই ভিড়ের মধ্যে
একই একাকীত্ব বহন করে।

হয়তো কোনোদিন
এই শহর থামবে।
এক মুহূর্তের জন্য
সব হর্ন থামবে,
সব পর্দা নিভবে,
সব ব্যস্ততা থামবে।
তখন হয়তো
শোনা যাবে—
শহরের সবচেয়ে গভীর শব্দটি
কোনো শব্দ নয়।
অসংখ্য মানুষের
একসঙ্গে নীরব হয়ে থাকা।

আর তখন বোঝা যাবে—
এই নগরী
ভিড়ে ভরা ছিল না।
ছিল—
অসংখ্য একা মানুষের
পাশাপাশি বসবাস।

নগরীর নীরব মানুষ

বাছাইকৃত কবিতা

পোস্টারে ঢাকা দেয়াল

- মো: আবু তালেব

নোনাধরা ইটে ড্রামভর্তি আঠা মেখে যায়
একদল রাতের হায়না,
শহরের পিঠে সেঁটে দেয় মুখ—
যে মুখের কোনো লজ্জা থাকে না!
যে দেয়ালে ছিল বুলেটের দাগ,
যে দেয়ালে লেখা ছিল বিদ্রোহের গান,
সেখানেই আজ হাসছে জল্লাদ,
গলায় ঝুলিয়ে কাগুজে সম্মান।

পোস্টারের নিচে চাপা পড়ে থাকে
ধর্ষিত কোনো বোনের আর্তনাদ,
পোস্টারে ঢেকেছে অনাহারী চোখ,
গুম হয়ে যাওয়া ভাইয়ের খাদ।
হাতজোড় করা প্লাস্টিক-মুখ,
পেছনে লুকানো চুরির লোভ—
কাগজের পিঠে কাগজ জমিয়ে
ঢাকতে চায় কি মানুষের ক্ষোভ?

বাতাসে এখনো পোড়া বারুদ,
বাতাসে এখনো লাশের গন্ধ ভাসে,
আর তোদের ওই চকচকে ছবি
শকুনের মতো দাঁত মেলে হাসে!
ভাতের থালায় ঝুলিয়ে দিয়েছিস
মিথ্যে গণতন্ত্রের ফাঁদ,
কাগুজে হরফে উন্নয়ন লিখে
কিনতে চেয়েছিস গোটা দেশটার চাঁদ!

শোনো ওরে লোভী দালালচক্র,
শোনো ওরে বিষাক্ত কীটের দল—
দেয়াল কিন্তু পোস্টার নয়,
দেয়াল মানেই প্রতিবাদের সম্বল!
যেদিন এই শহরের ইট-পাঁজর থেকে
আঠার চামড়া যাবে খসে,
ছিঁড়ে ফেলা হবে তোদের ওই মুখ,
জ্বলবে আগুন রাজপথের রোষে!

তোদের কাগুজে কাফন জ্বালিয়ে বুক পেতে দেবে
মিছিলের একঝাঁক প্রাণ,
দেয়ালের রক্ত ধুয়ে দিয়ে
লিখে রেখে যাব আমি মুক্তির গান!
বিস্তারিত...

চুপ কর, রাজা শুনছে

- মোঃ আবু তালেব

শাট আপ! একদম চুপ!
দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে,
আর তার ভেতর থেকে উঁকি মারছে
রাজার নোংরা কান।
টেলিফোনের তারে ঝুলছে
গোপন পুলিশের শুকনো লালা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
রিকশার প্যাডেল,
বাসের হ্যান্ডেল—
শহরের প্রতিটা খাঁজে গুঁজে দেওয়া হয়েছে
আড়িপাতার মাইক্রোফোন।

ফিসফিস করিস না!
তোর পেটের ভেতর খিদে ডাকলেও রাজা ভাবে— বিপ্লবের সাইরেন বাজল!
একটা মরা টিকটিকি খসে পড়লে
কেঁপে ওঠে সিংহাসনের পায়া,
এত সৈন্য, এত জলকামান,
এত বুলেটপ্রুফ চামড়া—
তবু রাতে ঘুম হয় না,
ঘুমের ঘোরে দাঁত কিড়মিড় করে স্বৈরাচার:
"কে ওখানে?
কে হাসল?
কার শ্বাসের শব্দ এত ভারী?"

জিভে সেলাই কর,
চোখে বাঁধ কালো ঠুলি।
খবরের কাগজের সাদা পাতায় ছেপে দে
রাজার বিষ্ঠার স্তুতিগান!
যদি বলিস 'ভাত নেই'—
তুই দেশদ্রোহী,
যদি বলিস 'শ্বাস নিতে পারছি না'—
তোর পিঠের চামড়ায় আঁকা হবে
ক্রসফায়ারের মানচিত্র।
গুমঘরের স্যাঁতসেঁতে মেঝেতে শুয়ে থাকা
নিখোঁজ খুলিগুলো জানে,
চুপ করে লাশ হয়ে থাকাটাই এই বধ্যভূমির
একমাত্র আইন।

কিন্তু কতক্ষণ চেপে রাখবি
এই পচা ড্রেনের মিথেন গ্যাস?
রাজা যত কান পাতবে,
বাতাসে তত বাড়বে গলিত সিসার গন্ধ।
শোন ওরে সিংহাসনের রক্তচোষা বাদুড়—
কান খুলে ভালো করে শোন!
তোর বুলেটপ্রুফ মহলের নিচে এখন ফুটছে
কোটি কোটি ক্ষুধার্তের অভিশাপ।

এবার ড্রেন থেকে,
গুমঘর থেকে,
বুলেটে ঝাঁঝরা রাজপথ থেকে
উঠে আসছে লক্ষ লক্ষ কেটে ফেলা জিভ!
তারা আর ফিসফিস করবে না,
সোজা তোর কানের ভেতর ঢুকিয়ে দেবে
গণঅভ্যুত্থানের বারুদ-ঠাসা লাল আঙুল!
বিস্তারিত...

সাম্প্রতিক সংযোজন

শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে
রাধা-কৃষ্ণ মোঃ আবু তালেব 4639
চোখের নেশার ভালবাসা মোঃ আবু তালেব 1715
পল্লী স্মৃতি সুফিয়া কামাল 1670
চোখের কাজল মোঃ আবু তালেব 1596
তবে কেন আমি অপরাধী মোঃ আবু তালেব 1585
তোকে নিয়ে… এলোমেলো হাবীব কাশফি 1523
কর্মফল মোঃ আবু তালেব 1516
নবী দ্বীনের রাসুল মোঃ আবু তালেব 1476
রমণী মোঃ আবু তালেব 1447
চাঁদবদনী মোঃ আবু তালেব 1421
জন্মান্তর মোঃ আবু তালেব 1420
পার্থক্য মোঃ আবু তালেব 1410
জরুরী বিষয় মোঃ আবু তালেব 1376
তোমাকে ভালোবেসে জীবনানন্দ দাশ 1374
ঘুঙুরটা আজ বাজুক জোরে মোঃ আবু তালেব 1374
করিব আজ রঙ্গ লীলা মোঃ আবু তালেব 1369
অবিলাষ মোঃ আবু তালেব 1367
রাধা প্রেমের প্রেমিক মোঃ আবু তালেব 1351
 সুপ্ত-প্রিয়া মোঃ আবু তালেব 1344
শ্যাম তোমারে ভালবেসে মোঃ আবু তালেব 1337
শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে
পোস্টারে ঢাকা দেয়াল মো: আবু তালেব 6
চুপ কর, রাজা শুনছে মোঃ আবু তালেব 10
ক্ষিদে মো: আবু তালেব 22
রাজপথের থুতু মো: আবু তালেব 37
নগরীর নীরব মানুষ মো: আবু তালেব 24
যে সত্য বলা যায় না মো: আবু তালেব 28
মুখোশের ভিতরে মুখ মোঃ আবু তালেব 27
অন্যের চোখে আমি মোঃ আবু তালেব 29
সবাই আমাকে চেনে মোঃ আবু তালেব 30
পরিচয়ের কারাগার মোঃ আবু তালেব 45
যে মানুষটি হাসছিল মোঃ আবু তালেব 34
দরিদ্রের জামা মোঃ আবু তালেব 50
হাসির শহর মোঃ আবু তালেব 52
সভ্য মানুষেরা মোঃ আবু তালেব 49
মুখের নিচে মুখ মোঃ আবু তালেব 46
ভালোবাসার শেষ দরজা মোঃ আবু তালেব 50
তোমাকে ছাড়া তোমার কাছে মোঃ আবু তালেব 50
যে প্রেম কথা বলেনি মোঃ আবু তালেব 36
আমাদের মাঝখানে রাত মোঃ আবু তালেব 53
অপেক্ষার ঘর মোঃ আবু তালেব 73
শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে
কর্পোরেট কালচার Md. Mustafizur Rahman 30
শব্দের সুনামি Md. Mustafizur Rahman 29
এ শহর আমার নয় Md. Mustafizur Rahman 34
বায়তুল মাক্বদিস ফেরদাউস সরকার 43
কবির কলমে নবির ছবি কবি ফেরদাউস সরকার 60
প্রত্যাবর্তন রাফাত আহমেদ 58
মৃত্যুদিন শ্রীমল্লার 78
কাঁটাতার ফেরদাউস সরকার 99
তোমাকেই বলছি হে ভারত! ফেরদাউস সরকার 77
হাসান বলছি আল আমিন ইসলাম 92
নীল নিঃশব্দের ভেতর আল আমিন ইসলাম 94
চাঁদ হয়ে তুমি আসো মুহিববুল্লাহ আল মামুন 97
পানি লাগবে পানি ফেরদৌস রায়হান 136
মোরা বাংলাদেশী আজহারুল ইসলাম তালহা 149
নিজের শত্রু নিজেই আজহারুল ইসলাম তালহা 165
ভালো মানুষ ইবনে আলী 269
দুনিয়া তো ক্ষণিকের ইবনে আলী 153
শিকল ইবনে আলী 248
নতুন দিনের পৃথিবী যে তোমার অপেক্ষায় ক্ষুদ্রলেখক মোঃ রাকিবুল হাসান 293
জাগরণের ডাক শাহ্ আলম আল মুজাহিদ 242
শিরোনাম কবি পঠিত হয়েছে