মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গলা ফাটাচ্ছে
গণতন্ত্রের কসাইরা,
লালা ছিটকে পড়ছে দামি পডিয়াম
আর কৃত্রিম ফুলের তোড়ায়।
ওরা গিলছে কাগুজে পরিসংখ্যান,
ওগড়াচ্ছে উন্নয়ন—
আর মাইকের তার দিয়ে পেঁচিয়ে ধরছে
একটা ক্ষুধার্ত জাতির গলা!
অথচ মঞ্চের নিচে—
ড্রেনের পাশে, বস্তির স্যাঁতসেঁতে চাতালে,
বন্ধ কারখানার গেটে
হাঁড়ির ভেতর ফুটছে না চাল,
ফুটছে মানুষের নাড়িভুঁড়ির খিদে!
পেটের ভেতর জ্বলছে এসিড,
দাঁতে দাঁত ঘষছে অনাহার,
বাতাসে ভাসছে শুধু এক ফোঁটা ভাতের ফ্যানের জন্য
আদিম আর্তি।
তোমাদের সংসদীয় বুলি কি চিবিয়ে খাওয়া যায়?
তোমাদের সংবিধান কি পাত পেড়ে
এক লোকমা ভাত দেবে?
যেখানে পেটের অন্ত্রে মোচড় দেয় প্রতিটা মধ্যরাত,
সেখানে তোমাদের ওই সভ্য ভাষণ
নিছক এক জঘন্য খিস্তি!
শোনো হে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মঞ্চের শুয়োরের দল—
ভাতের গন্ধ কোনো ভোটাভুটি চেনে না।
যেদিন এই কোটি কোটি শূন্য পাকস্থলী একসাথে আওয়াজ তুলবে,
ভেঙে গুঁড়িয়ে দেবে তোমাদের তোষাখানা
আর মাইকের খুঁটি!
ক্ষিদে যখন দাঁত বের করে গর্জন করবে রাজপথে—
তোমাদের সাজানো গণতন্ত্রের কাফন
ছিঁড়ে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে!
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করতে হলে
লগইন
করুন।
মন্তব্যসমূহ (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।